Bangladailypost
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

পাকিস্তানের পেছনে লাগতে গিয়ে ভারতকে একঘরে করে ফেলেছেন মোদী?

Published May 30, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Sandra Rodriguez - bangladailypost.com

Foto : Sandra Rodriguez - bangladailypost.com

মোদীর পাকিস্তান বিচ্ছিন্ন করার প্রচেষ্টা এখন বিশ্লেষকদের মতে ভারতের জাতীয় স্থিতির প্রতিক্রিয়া হিসেবে প্রকাশ পেয়েছে

Bangladailypost.com – প ক স ত ন র প - ২০১৬ সালে ভারত প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর নরেন্দ্র মোদী ক্ষমতায় আসার পর পাকিস্তানকে আন্তর্জাতিক মঞ্চে বিচ্ছিন্ন করার উদ্দেশ্যে প্রস্তুতি নেন। তখন তিনি ঘোষণা করেন যে ভারত পাকিস্তানের পেছনে লাগতে সক্ষম হয়েছে এবং সেই প্রচেষ্টা আরও উন্নত করা হবে। কিন্তু প্রায় এক দশক পর পরিস্থিতি পূর্বের চেয়ে ভিন্ন চিত্র তুলে ধরছে।

পাকিস্তান এখন চীনের ঘনিষ্ঠ কৌশলগত মিত্র হিসেবে পুনরায় পরিচিত হয়েছে। সাম্রাজ্য স্থাপন করেছে এবং সেনাপ্রধান আসিম মুনির গত এক বছরে হোয়াইট হাউজে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। বিশ্লেষকদের মতে, পাকিস্তান চীনের সঙ্গে সামরিক সহযোগিতা গভীর করেছে এবং উপসাগরীয় দেশগুলোর সাথে নিরাপত্তা সম্পর্কও শক্তিশালী হয়েছে।

২০২৫ সালের মে মাসে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে চার দিনের তীব্র সংঘর্ষের পর ট্রাম্প ঘোষণা করেন যে যুদ্ধবিরতি তিনি নিশ্চিত করেছেন। ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, যুদ্ধবিমান ও ড্রোন ব্যবহৃত হয়েছিল। উভয় পক্ষে প্রাণহানি ঘটেছিল। শাহবাজ শরিফ প্রধানমন্ত্রী ট্রাম্পকে ধন্যবাদ জানালেও মোদী প্রথমদিকে নীরব ছিলেন। পরে তিনি ঘোষণা করেন যে যুদ্ধবিরতি ভারত-পাকিস্তানের সরাসরি আলোচনার ফল।

পাকিস্তান আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আবারও গুরুত্ব বৃদ্ধি করেছে

ট্রাম্পের ভূমিকার ফলে ওয়াশিংটন ও নয়াদিল্লির সম্পর্কে কিছুটা অস্বস্তি তৈরি হয়েছে। অন্যদিকে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং সম্প্রতি পাকিস্তানের সাথে বেইজিংয়ের অটুট সম্পর্ক বর্ণনা করেছেন। পাকিস্তান বর্তমানে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার যোগাযোগে গুরুত্বপূর্ণ মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করছে।

সার্ক কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছে। পাকিস্তানবিহীন বিআইএমএসটিইসিকে গুরুত্ব দেওয়ার চেষ্টা করে ভারত স্থায়ী শান্তি নিশ্চিত করতে চাইছে। কিন্তু কাশ্মীর এখনও দুই দেশের মূল বিবাদ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত রয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, কাশ্মীর প্রশ্নের রাজনৈতিক সমাধান ছাড়া ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সংঘাতের চক্র ভাঙা কঠিন হবে।

২০১৯ সালে মোদী সরকার কাশ্মীরের বিশেষ সাংবিধানিক মর্যাদা বাতিল করে অঞ্চলটিকে সরাসরি কেন্দ্রীয় সরকারের নিয়ন্ত্রণে আনে। মানবাধিকার সংগঠনগুলো সেখানে অধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলে আসছে। দক্ষিণ এশিয়ায় স্থায়ী শান্তি ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে হলে দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের সংলাপ পুনরায় শুরু করা প্রয়োজ