Bangladailypost
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

পতেঙ্গায় ১৭ হাজার লিটার জ্বালানি-ভোজ্যতেল জব্দ

Published May 19, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Richard Moore - bangladailypost.com

Foto : Richard Moore - bangladailypost.com

পতেঙ্গায় ১৭ হাজার লিটার জ্বালানি-ভোজ্যতেল জব্দ

Bangladailypost.com – পত ঙ গ য় ১৭ হ জ - পতেঙ্গা এলাকায় ১৭ হাজার লিটার জ্বালানি এবং ভোজ্য তেল গোপন অভিযানে জব্দ করা হয়েছে, যার মধ্যে সয়াবিন তেল, জেট ফুয়েল এবং ডিজেল রয়েছে। বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের সদস্যরা পতেঙ্গা আউটপোস্টে দুটি বিশেষ অভিযান চালায় সেই সময়ে তেলগুলি সম্ভবত কালোবাজারে বিক্রি করার উদ্দেশ্যে মজুত করা হয়েছিল। তৎপরতা বাড়ানো হয়েছে মূলহোতাদের শনাক্ত করার জন্য।

অভিযানের প্রক্রিয়া এবং ফলাফল

পতেঙ্গা আউটপোস্টে মঙ্গলবার (১৯ মে) দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়। অভিযানিক দলের উপস্থিতি টের পেয়ে চোরাকারবারিরা পালিয়ে যায়, কোনো আটক হয় না। কোস্টগার্ডের জানান, এ অভিযানে দলের পার্শ্ববর্তী কোম্পানির জ্বালানিবাহী ট্রাক গুলিকে নিয়ন্ত্রণে রাখা হয়। তেলগুলি বিভিন্ন স্থানে স্থাপন করা হয়েছিল যাতে সহজে সংগ্রহ করা যায়।

জব্দ তেলগুলির গুরুত্ব এবং ব্যবহার

জব্দ করা তেলগুলির মোট পরিমাণ ১৭ হাজার লিটার, যা কৃষি এবং খাদ্য খাতে প্রভাব ফেলতে পারে। কালোবাজার তেলের পরিমাণ ক্ষমতার বৃদ্ধি ঘটায় বাজার মূল্য বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে। এ বিষয়ে পতেঙ্গা এলাকার স্থানীয় বাসিন্দারা সংবাদ সম্মেলনে অংশ নেন এবং অভিযান সম্পর্কে আপত্তি প্রকাশ করেন।

হাসিব-উল-ইসলাম বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মধ্যরাতে অভিযান চালানো হয়েছিল। সংগ্রহকারীদের প্রতি সতর্কতা বাড়ানোর জন্য কোস্টগার্ড কর্মকর্তারা অগ্রাধিকার দেন। এ অভিযানের ফলে কালোবাজার প্রক্রিয়া প্রতিরোধে প্রচেষ্টা ঘটানো হয়েছে।

পতেঙ্গা অঞ্চলে গত মার্চেও অনুরূপ অভিযান চালানো হয়েছিল। সে ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে বর্তমান জব্দের সাথে তুলনা করা যায়। অনুমান করা হচ্ছে যে, এ ক্ষেত্রে কালোবাজার তেলগুলি প্রতিদ্বন্দ্বীদের প্রতি প্রতিক্রিয়া দেখানোর জন্য সংগ্রহ করা হয়। অভিযানে দলের নেতৃত্ব দিয়েছেন বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের গোয়েন্দা দলের সদস্য।

বর্তমান ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে আইনগত কার্যক্রম চালু করা হয়েছে। জব্দ করা তেলগুলি এখন বিশেষ আদালতে প্রতিদ্বন্দ্বীদের নির্দেশনা দেখা হবে। কোস্টগার্ড বলেন, এ ধরনের অভিযান কালোবাজার প্রতি সাধারণ ব্যবহারিক তালিকা বাড়ানোর সম্ভাবনা রয়েছে। এই অভিযান বিভিন্ন খাতে সংগ্রহের অবৈধ ব্যবস্থা রুদ্ধ করার প্রচেষ্টা বিশেষ করে পতেঙ্গা এলাকায় কার্যকরী হবে।

গত মার্চে পতেঙ্গা এলাকায় ৬ হাজার লিটার তেল জব্দ করা �