Bangladailypost
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

নিউজিল্যান্ডে মোট রপ্তানির দ্বিগুণ ব্যয় শুধু দুধ আমদানিতে

Published May 19, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Karen Wilson - bangladailypost.com

Foto : Karen Wilson - bangladailypost.com

নিউজিল্যান্ডে মোট রপ্তানির দ্বিগুণ ব্যয় শুধু দুধ আমদানিতে

Bangladailypost.com – ন উজ ল য ন ড ম - বাংলাদেশ থেকে পোশাক, চামড়া ও প্লাস্টিক শ্রেণীর পণ্য রপ্তানি করা হয় নিউজিল্যান্ডে। তবে আশঙ্কা উঠেছে যে বাংলাদেশ যে পরিমাণ আয় করে নিউজিল্যান্ডে রপ্তানি করে, তার প্রায় দ্বিগুণ অর্থ দেশটি থেকে শুধু গুঁড়া দুধ ও দুগ্ধজাত পণ্য আমদানিতে খরচ হচ্ছে।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত অর্থবছরে বাংলাদেশ নিউজিল্যান্ডে মোট ৯ কোটি ৯৭ লাখ মার্কিন ডলার মূল্যের পণ্য রপ্তানি করেছে। যেখানে ওই বছরে নিউজিল্যান্ড থেকে বাংলাদেশ শুধু দুগ্ধজাত পণ্য আমদানি করেছে প্রায় ১৮ কোটি ডলারের পরিমাণ। প্রতিবেদন বলছে এ অর্থবছরে দেশের মোট আমদানি ব্যয় ছিল ৩৯ কোটি ৭৭ লাখ ডলার। ফলে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ঘাটতি হয়েছে ২৯ কোটি ৮০ লাখ ডলার।

নিউজিল্যান্ডের প্রতিষ্ঠান বিশ্বের সর্বোচ্চ রপ্তানিকারক

নিউজিল্যান্ডের সমবায়ভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ফন্টেরা বিশ্বের বৃহত্তম দুগ্ধজাত পণ্য রপ্তানিকারক কোম্পানি। বাংলাদেশের বাজারে বহুল পরিচিত কয়েকটি গুঁড়া দুধের ব্র্যান্ডের মূল সরবরাহকারী এই প্রতিষ্ঠান। দেবব্রত রায় জাগো নিউজকে বলেন, "শীর্ষ রপ্তানিকারকের পাশাপাশি কোয়ালিটি ও কমপ্লায়েন্সেও নিউজিল্যান্ড সেরা। আমাদের আমদানি পলিসিতে দুধের ক্ষেত্রে যেসব বিধিনিষেধ রয়েছে, নিউজিল্যান্ড সেগুলো নিশ্চিতভাবে মেনে ব্যবসা করে। যে কারণে দুধের জন্য দেশটি আমাদের কাছে সবচেয়ে সেরা সোর্শ।"

বাংলাদেশের খামারিরা অনেক সময় দুধের ন্যায্যমূল্য না পাওয়ার অভিযোগ করেন। প্রতিষ্ঠানগুলো তিন ধরনের দুধের গুঁড়া আমদানি করে: হোল মিল্ক পাউডার, স্কিমড মিল্ক পাউডার ও ফিল্ড মিল্ক পাউডার। এ আমদানি নিয়মিত হারে বাড়ছে। দেশে বিশেষ করে গুঁড়া দুধ বাজারে দেশীয় প্রতিষ্ঠানগুলো নিউজিল্যান্ডসহ কয়েকটি দেশ থেকে সরবরাহ করছে।

খাত সংশ্লিষ্ঠ কথা বলছেন

বাণিজ্য খাতের সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দেশে তরল দুধের বাইরে গুঁড়া দুধের চাহিদা বৃদ্ধি পেয়েছে। এ চাহিদা মেটাতে বাংলাদেশ প্রতি বছর আনুমানিক এক লাখ ৩০ হাজার থেকে এক লাখ ৪০ হাজার টন গুঁড়া দুধ আমদানি করে। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, দেশে বছরে আনুমানিক ৩০ কোটি ডলার মূল্যের দুগ্ধজাত পণ্য আমদানি করা হয়।

বাংলাদেশে মিল্ক পাউডারের বিশাল চাহিদা থাকায় সেগুলোর বৃহত্তম সরবরাহকারী নিউ