Bangladailypost
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

দেশেই স্বল্প খরচে অঙ্গ প্রতিস্থাপন সম্ভব: রফিকুল ইসলাম

Published June 4, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Mary Williams - bangladailypost.com

Foto : Mary Williams - bangladailypost.com

বাংলাদেশে প্রতিস্থাপন প্রক্রিয়া সাধারণ স্বল্প খরচে সম্ভব

Bangladailypost.com – দ শ ই স বল প খরচ - বিএনপির স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. মো. রফিকুল ইসলাম একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে কথা বলেছেন, এখন আমাদের দেশে অঙ্গ প্রতিস্থাপনের সুযোগ স্বল্প খরচে পাওয়া সম্ভব। তিনি জানান, সামাজিক পরিবেশের ইতিবাচক আচরণ এবং জনসচেতনতার অভাব হল এ খাতে আরও উন্নতি সাধনের বড় বাধা।

বৃহস্পতিবার হাসপাতালে সফল কিডনি প্রতিস্থাপন সম্পন্ন হয়েছে

ডা. রফিকুল ইসলাম বলেন, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বিপুল খরচ করে বিদেশে চিকিৎসা নিতে যাওয়ার পর আবার ট্রান্সপ্ল্যান্ট কার্যক্রম চালু হয়েছে। এটি একটি জটিল প্রক্রিয়া হলেও ব্যাপক সাহস ও দক্ষতার ফলে এখন দেশে এ কার্যক্রম সম্ভব হয়েছে।

বিএনপির স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক বলেন, আজ যে রোগীর ট্রান্সপ্ল্যান্ট হয়েছে, তার চিকিৎসা ব্যয়ের অংশ সমাজকল্যাণ তহবিল থেকেও সহায়তা করা হচ্ছে।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, বাংলাদেশে ১৯৮২ সালে প্রথম কিডনি ট্রান্সপ্ল্যান্ট কার্যক্রম শুরু হয়। এরপর ধীরে ধীরে এ খাতে উন্নতি ঘটে এবং এখন লিভার, বোনম্যারো সহ মতো জটিল চিকিৎসা সম্ভব। উচ্চতর প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত চিকিৎসকদের অবদান অপরিহার্য।

জীবিত এবং মৃত দাতার প্রয়োজন

ডা. রফিকুল ইসলাম অঙ্গদাতা সংকট সম্পর্কে বলেন, ক্যাডাভেরিক অঙ্গদান বৃদ্ধির জন্য সমাজে সচেতনতা বাড়ানো জরুরি। তিনি জানান, একজন মানুষ মৃত্যুর পর তার অঙ্গগুলো দ্বারা পাঁচ থেকে ছয় জনের জীবন বাঁচানো সম্ভব।

তিনি আরও বলেন, ক্যাডাভেরিক ট্রান্সপ্ল্যান্ট নিয়ে সমাজে নানা ভুল ধারণা রয়েছে। এসব দূর করতে গণমাধ্যম, চিকিৎসক, সমাজকর্মী ও নাগরিকদের একযোগে কাজ করতে হবে।

তিনি বিদেশে চিকিৎসা নেওয়ার খরচের প্রতি আক্রোশ প্রকাশ করেন। বিদেশে ট্রান্সপ্ল্যান্ট করতে হয় সেখানে অস্ত্রোপচারের সাথে সাথে আবাসন ও অন্যান্য খরচ বহন করতে হয়। ফলে অনেক পরিবার আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পড়ে।

ডা. রফিকুল ইসলাম এসব প্রতিস্থাপনের পর রোগীদের নিয়মিত ওষুধ সেবনের বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন। ইমিউনোসাপ্রেসিভ ওষুধ দীর্ঘদিন গ্রহণ করতে হয়, যে কার্যক্রমে সরকারি সহায়তা বাড়লে রোগীদের আরও উপকৃত হবে।

তিনি জানান, ডায়ালাইসিস প্রক্রিয়াটি জটিল ও ব্যয়বহুল। সপ্তাহে একাধিকবার প্রক্রিয়া করতে হয়। অন্যদিকে কিডনি ট্রান্সপ্ল্যান্ট দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের পথ তৈরি করে।