Bangladailypost
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

দেওয়ানগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশন / বৃষ্টিতে ছাতা মাথায় অফিস, দাঁড়িয়ে সময় কাটে যাত্রীদের

Published May 15, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Elizabeth Martin - bangladailypost.com

Foto : Elizabeth Martin - bangladailypost.com

দেওয়ানগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশন / বৃষ্টিতে ছাতা মাথায় অফিস, দাঁড়িয়ে সময় কাটে যাত্রীদের

Bangladailypost.com – দ ওয় নগঞ জ র লওয় স - ব্রিটিশ আমলের ইতিহাসে জড়িত রয়েছে দেওয়ানগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশনটি। রাজধানী ঢাকার সাথে যুক্ত হওয়ার জন্য জামালপুর এবং তার আশপাশের তিনটি জেলার পাঁচটি উপজেলা থেকে স্টেশনটি ব্যবহার করে যায়। ২০২১ সালে এই স্টেশনের পুরনো ভবনটি ভেঙে ফেলা হয়েছিল নতুন নির্মাণের আশায়, কিন্তু এখনো কাজ শুরু হয়নি।

বৃষ্টি হলে ছাদ ফুঁড়ে পড়ে পানি আসে এবং গরমে টিনের ঘরগুলি আগুনের মতো উত্তপ্ত হয়। হাড়কাঁপানো শীতে কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের দায়িত্ব পালন করতে হয় বিপর্যস্ত অবস্থায়। স্টেশনে বসার জায়গা এবং প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির যাত্রীদের জন্য বিশ্রামাগার নেই। অতএব নারী যাত্রীদের জন্য নিরাপদ টয়লেট ব্যবস্থাও প্রস্তুত হয়নি।

অতীতে দেওয়ানগঞ্জ স্টেশনটি উত্তরাঞ্চলের মানুষের গর্বের নাম ছিল। ১৯১৯ সালে প্রতিষ্ঠিত এই স্টেশনটি দুটি আন্তঃনগর ট্রেন, দুটি কমিউটার ট্রেন এবং একটি মেইল ট্রেন দ্বারা সেবা করেছিল। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) দেওয়ানগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশনে সার্বিক অবস্থা পর্যালোচনা করা হয়, যেখানে টিনের চালা ভাঙা ও জরাজীর্ণ হয়ে গেছে।

বৃষ্টির দিন যাত্রীদের দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। নারীদের জন্য আলাদা টয়লেট নেই এবং বসার জায়গাও নেই। এই ঐতিহ্যবাহী স্টেশনের পরিস্থিতি খুবই কষ্টকর।

শিশু নিয়ে আসা মায়েদের জন্য ব্যবস্থা নেই। ট্রেন আসা পর্যন্ত অসুস্থ রোগীদেরও দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করতে হয়। শিক্ষার্থী মামুন জামালপুর শহরে থাকতে পারেন না আর্থিক সংকটের কারণে, তাই প্রতিদিন সকালে ব্রহ্মপুত্র ট্রেনে যাত্রা করে ক্লাস শেষে তিস্তা ট্রেনে বাড়ি ফিরে আসেন। তিনি জাগো নিউজকে বলেন, 'বৃষ্টির দিন স্টেশনে দাঁড়ানো মাত্র একটি ব্যবস্থা নেই। টিনের চালা থেকে পানি বাধা দেয় না এবং আশপাশের হোটেলে বসতে হয়। সেখানেও বিভিন্ন কথা শুনতে হয়।'

স্টেশনের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা দুর্ভোগে আছেন। বৃষ্টি হলে ছাতা মাথায় দিয়ে অফিস করতে হয়। স্টাফ মুসলিম মিয়া বলেন, 'অফিস করার মতো পরিবেশ নেই এবং কাজ চালিয়ে যেতে হয়।'

দেওয়ানগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশনের স্টেশন মাস্টার মো. আব্দুল বাতেন জাগো নিউজকে বলেন, 'ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানানো হয়েছে এবং তারা আশ্বাস দিয়েছেন খুব শিগগির কাজ শুরু হবে। কিন্তু কবে হবে তা আমার জানা নেই।'