Bangladailypost
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

দামুড়হুদায় গলায় মাংস আটকে মাদরাসাছাত্রীর মৃত্যু

Published May 29, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Daniel Williams - bangladailypost.com

Foto : Daniel Williams - bangladailypost.com

দামুড়হুদায় গলায় মাংস আটকে মাদরাসাছাত্রীর মৃত্যু

Bangladailypost.com – দ ম ড়হ দ য় গল য় - দামুড়হুদার একটি ঘটনা চুয়াডাঙ্গার লোকনাথপুর এলাকায় সংঘটিত হয়েছিল যেখানে পঞ্চম শ্রেণীর শিক্ষার্থী আঁখি (১১) নামে একটি ছোট মেয়ের জীবন যায়গায় আটকে ফেলা হয়েছিল। যে ঘটনা ঈদের দিন সকালে ঘটেছিল, তা দামুড়হুদা মডেল থানার আশেপাশে অবস্থিত তেল পাম্পের কাছাকাছি সংঘটিত হয়েছিল। আঁখি ছিল আব্দুল্লাহ নামে একটি পরিবারের সদস্য, যার পরিবার তার মৃত্যুর সামনে দুঃখে ভারাভার হয়ে আছে। ঘটনার পর স্থানীয় সূত্রে প্রকাশ পেয়েছিল যে আঁখির গলায় মাংস আটকে শ্বাসরোধ ঘটেছিল এবং তার হাসপাতালে নেওয়ার পথেই তার মৃত্যু হয়েছিল। এটি একটি গুরুতর দুঃখজনক ঘটনা যেটি পরিবার এবং স্থানীয় মানুষের মনে গভীর ছাপ ছেড়েছিল।

ঈদের উপলক্ষে ঘটনা

ঈদের দিন বৃহস্পতিবার (২৮ মে) সকাল ১০টার দিকে দামুড়হুদা মডেল থানার পাশে অবস্থিত তেল পাম্পের কাছে ঘটনাটি ঘটেছিল। আঁখির পরিবার তার বাবা এবং মা সঙ্গে খাবার খাওয়ার সময় তার গলায় মাংস আটকে ফেলে দেখা গেছিল। প্রতিবেদন অনুযায়ী, এটি ছিল একটি গুরুতর ক্ষতি ঘটানো হয়েছিল যেখানে আঁখির গলার মাংস সামনে আটকে দেখা গেছিল এবং তার শ্বাসপ্রাণ হারিয়ে ফেলেছিল। ঘটনার পর পরিবার এবং স্থানীয় বাসিনদের দুঃখ বোধ করেছিল এবং এটি স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের প্রধান খবর হিসেবে প্রকাশিত হয়েছিল।

পরিবারের দুঃখজনক অবস্থা

আঁখি ছিল তার পরিবারের গৃহপালনা এবং শিক্ষার সামগ্রিক ভার বহন করেছিল। তার মা সুনামী নামে একটি পরিবারের সদস্য বলেছিলেন যে ঘটনার আগে তার স্বাস্থ্য কোনও গুরুতর সমস্যা ছিল না। তার পরিবার আঁখির মৃত্যুর পর ঘটনার দুঃখে ভারাভার হয়েছিল। তাদের বলা হয়েছিল যে ঘটনার সময় কোনও আলাদা চিহ্ন দেখা যায়নি এবং তার মৃত্যু তার বয়স সত্ত্বেও অত্যন্ত স্পীডে ঘটেছিল। এই ঘটনা স্থানীয় মানুষদের মনে একটি গভীর ছাপ ছেড়েছিল এবং কোনও কারণে এটি দামুড়হুদার কাছাকাছি ঘটেছিল।

দামুড়হুদা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শেখ মেসবাহ উদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেছিলেন যে এটি খুব দুঃখজনক একটি ঘটনা। তিনি পরিবারের সদস্যদের বলেছিলেন যে আঁখি নিজে চোখে কোনও ক্ষতি দেখেনি কিন্তু অসুস্থতা ঘটেছিল। ঘটনার পর তার পরিবার আটকে ফেলে দেখেছিল যে গলায় মাংস আটকে এটি ঘটেছিল। তাদের দাবি হয়েছিল যে স্থানীয় চিকিৎসকদের মধ্যে কোনও বিশেষ তদন্বন হয়নি এবং তার মৃত্যু ঘটেছিল আটকে না বাঁচানোর সামগ্রিক ব্যবস্থা ছিল না।

দামুড়হুদা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শেখ মেসবাহ উদ্দিন ঘটনার বিশেষ আলোচনা করে বলেছিলেন যে এটি খুব দুঃখজনক একটি ঘটনা ছিল। তিনি আঁখির পরিবার থে