Bangladailypost
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

তুরস্কে ‘গ্লোবাল ইসলামিক ইকোনমি সামিট’ শুরু, সুদমুক্ত বিনিয়োগে ঘাটতি

Published June 4, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Daniel Williams - bangladailypost.com

Foto : Daniel Williams - bangladailypost.com

তৃতীয় গ্লোবাল ইসলামিক ইকোনমিক সামিট ইস্তানবুলে শুরু হয়েছে

সম্মেলনের মূল পরিচয়

Bangladailypost.com – ত রস ক গ ল ব ল - তুরস্কের ইস্তানবুল শহরে আয়োজিত তৃতীয় গ্লোবাল ইসলামিক ইকোনমিক সামিট শুরু হয়েছে। চার দিন ব্যাপী সম্মেলনটি ইস্তানবুল ফিনান্সিয়াল সেন্টারে অবস্থিত হাল্কব্যাংকের সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত হবে। আল-বারাকা ইসলামিক ইকোনমিক ফোরামের উদ্যোগে এবং আল-বারাকা সামিটস তুর্কির আয়োজনে এ সম্মেলন ৬ জুন পর্যন্ত চলবে।

অংশগ্রহণকারীরা এবং আলোচনার মুখ্য বিষয়গুলো

আনাদোলু এজেন্সি জানিয়েছে যে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নীতিনির্ধারক, ব্যাংকের গভর্নর, বিনিয়োগকারী, আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি, শিক্ষাবিদ এবং শিল্পপতিদের অংশ নিয়েছে। এ সম্মেলনের বিষয় হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে ইসলামি অর্থনীতিতে পুঁজির ব্যবহার, টেকসই উন্নয়ন এবং পুঁজির ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা করা হচ্ছে।

প্রথম দিনে সুদমুক্ত ও নৈতিক বিনিয়োগের সম্ভাব্য অসুবিধার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। সম্মেলনের বিভিন্ন অধিবেশনে আলোচনার মুখ্য বিষয়গুলো হিসেবে এআই, ডিজিটাল রূপান্তর, ডিজিটাল পুঁজি, আর্থিক উদ্ভাবন এবং ইসলামিক ফিনটেক রয়েছে।

সম্মেলনের মুখ্য প্রতিপাদ্য

তৃতীয় গ্লোবাল ইসলামিক ইকোনমিক সামিটের প্রতিপাদ্য হলো ‘ইসলামি অর্থনীতিতে পুঁজি: টেকসই উন্নয়নের জন্য সম্পদের কাঠামো নির্মাণ।’ এতে নৈতিক অর্থায়ন এবং টেকসই উন্নয়নের ক্ষেত্রে আলোচনা করা হচ্ছে।

বিশেষ আলোচনার মুখ্য বিষয়গুলো

বিনিয়োগের জন্য সুদমুক্ত ব্যবস্থার ক্ষেত্রে বিশ্বব্যাপী এখনও বড় ঘাটতি রয়েছে বলে জুনায়েদ ওয়াহেদিনা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, ‘অর্থকে কেবল ঋণ দেওয়ার মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করার ধারণা কোনো দৃষ্টিকোণ থেকেই আদর্শ নয়। তার কারণে ওয়াহেদ সাইটটি প্রথম দিনে একটি সাধারণ প্রোটোটাইপ ওয়েবসাইট হিসেবে চালু করা হয়।’

সুদমুক্ত ও নৈতিক বিনিয়োগ সুবিধা পাওয়ার ক্ষেত্রে বিশ্বজুড়ে এখনও একটি বড় ঘাটতি রয়েছে।

অন্যদিকে মাহমুদ মহিউদ্দিন বলেন, ‘যুদ্ধ, নেতৃত্বের সংকট এবং প্রয়োজনীয় সংস্কারের অভাবের কারণে বিশ্ব বর্তমানে বড় ধরনের অস্থিরতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে।’

এ কারণে জাতিসংঘের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনগুলো দেখাচ্ছে যে বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধি সম্ভাবনার নিচে রয়েছে এবং মূল্যস্ফীতি প্রত্যাশার চেয়ে বেশি।

জলবায়ু ও অর্থনৈতিক সংকট নিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘আমরা ঋণ সংকট সৃষ্টি করে জলবায়ু সংকটের সমাধান করতে পারি না।’ তিনি