Bangladailypost
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

ডিএমপির সংবাদ সম্মেলন / ধর্ষণের পর হত্যা করা হয় শিশু লামিসাকে, মরদেহ লুকাতেই মাথা বিচ্ছিন্ন

Published May 20, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Joseph Hernandez - bangladailypost.com

Foto : Joseph Hernandez - bangladailypost.com

ড এমপ র স ব দ প্রতিবেদন: লামিসার ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনা

Bangladailypost.com – ড এমপ র স ব দ সম - গত মঙ্গলবার রাতে রাজধানী ঢাকার মিরপুর এলাকার পল্লবীতে ডিএমপির সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার এস এন নজরুল ইসলাম ঘটনার বিস্তারিত বর্ণনা দেন। তিনি ঘটনার সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া নিয়ে কথা বলেন, যেখানে সাত বছর বয়সী শিশু লামিসাকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছিল। মরদেহ লুকানোর জন্য তার মাথা বিচ্ছিন্ন করা হয়েছিল।

ধর্ষণ ও হত্যার বিস্তারিত প্রক্রিয়া

পুলিশ তদন্তে জানায় যে লামিসাকে পাশের ফ্ল্যাটের বাথরুমে ধর্ষণ করা হয়েছিল। তারপর তাকে হত্যা করা হয়েছিল এবং মরদেহ লুকানোর জন্য অপরাধীদের প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়। শিশুর মা সকালে তার খুঁজতে থাকেন। কিন্তু ঘটনার প্রারম্ভে তিনি মাথা বিচ্ছিন্ন করে দেয়া হয়। সেই সাথে তার পাশে একটি জুতা পড়ে থাকতে দেখেন তিনি।

পুলিশ ঘটনাস্থলে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে সোহেল রানাকে এবং মিরপুর ১১ নম্বরে বাসা থেকে তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে গ্রেফতার করেছে। কমিশনার এস এন নজরুল ইসলাম বলেন, শিশু লামিসার সঙ্গে আসামির যৌন ক্রিয়া ঘটেছিল এবং তার পর মৃত শিশুটির হত্যার প্রস্তুতি করা হয়। সিআইডি কর্মকর্তারা আলামত সংগ্রহ করেন এবং সেই সাথে মরদেহ লুকানোর জন্য নিরাপত্তি ব্যবস্থা গ্রহণ করেন।

আসামি ও ঘটনার তদন্ত

লামিসার মাথা বিচ্ছিন্ন করা হয়েছিল বলে জানা যায়। পুলিশ ঘটনার বিস্তারিত তদন্ত করে কমিশনার বলেন, সোহেল রানা ছাড়াও অন্য আসামি বিষয়টি তদন্তে স্থান পেয়েছিল। শিশু লামিসার মৃত দেহ উদ্ধার করার পর পল্লবী থানা ও সিআইডি কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। তারা ঘটনার চূড়ান্ত বিবরণ জানান।

গ্রেফতার হওয়া আসামিরা এখন ডিএমপির সংবাদ সম্মেলনে তদন্ত করছেন। লামিসার মরদেহ লুকানোর জন্য তাদের প্রস্তুতি সম্পূর্ণ হয়েছিল। কিন্তু মায়ের চিৎকার শুরু হওয়ার সময় সোহেল রানা জানালার গ্রিল কেটে পালিয়ে যান। স্বপ্না আক্তার তার চারদিকে ঘিরে দাঁড়ান। পুলিশ ঘটনার জন্য তাদের বিশ্লেষণ চালিয়ে যাচ্ছে।

তদন্ত প্রক্রিয়ায় পুলিশ আরও খুঁজছে যে কে শিশু লামিসার মৃত দেহ লুকাতে সাহায্য করেছিল। ঘটনার পর মরদেহ অবশ্যই সংরক্ষণ করা হয়েছিল। সেই প্রসঙ্গে কমিশনার বলেন, হত্যা প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হয়নি। সকালে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে এবং ডিএমপির সংবাদ সম্মেলনে তার জন্�