Bangladailypost
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

জ্বালানি পরিবহনে ইরানের সঙ্গে পাকিস্তান-ইরাকের চুক্তি

Published May 13, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Karen Wilson - bangladailypost.com

Foto : Karen Wilson - bangladailypost.com

জ্বালানি পরিবহনে ইরানের সঙ্গে পাকিস্তান-ইরাকের চুক্তি

Bangladailypost.com – জ ব ল ন পর বহন ইর - ইরান হরমুজ প্রণালিতে তাদের নিয়ন্ত্রণ আরও বৃদ্ধি করছে। এ বিষয়ে তেহরানের সহযোগিতার ফলে ইরাক ও পাকিস্তান জ্বালানি পরিবহনের জন্য সমঝোতা গ্রহণ করেছে। এটি উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে তেল ও এলএনজি পরিবহনের জন্য সংক্ষিপ্ত কর্মসূত্রগুলির মতে সম্পন্ন হয়েছে।

আন্তর্জাতিক সংঘাতের কারণে মধ্যপ্রাচ্য থেকে জ্বালানি রপ্তানি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ইরানের অভিযোগ পরিবহন পথ আবিষ্কৃত হয়েছে। এ অঞ্চল বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ অপরিশোধিত তেল ও এলএনজি প্রদানের মূল স্থান হিসেবে পরিচিত।

হরমুজ প্রণালির স্থিতিশিলতা ইরানের প্রতিষ্ঠিত করিডরে পরিণত হয়েছে। বাগদাদ ও তেহরানের গোপন সমঝোতার মাধ্যমে ইরাকের দুটি বৃহৎ তেলবাহী জাহাজ এ প্রণালি পার হয়েছে। যেখানে প্রতিটি জাহাজে প্রায় ২০ লাখ ব্যারেল অপরিশোধিত তেল বহন করা হয়েছে।

“হরমুজ আর নিরপেক্ষ নৌপথ নয়, এটি এখন ইরানের নিয়ন্ত্রিত প্রণালি হয়েছে।”

অক্সফোর্ড ইনস্টিটিউট ফর এনার্জি স্টাডিজের ক্লদিও স্টয়ার এই মন্তব্য করেছেন। ইরাকের তেল মন্ত্রণালয় কর্মকর্তা জানিয়েছেন যে ভবিষ্যতে আরও জাহাজ চলাচলের জন্য ইরানের সাথে আলোচনা চলছে। যেহেতু দেশটির বাজেটের প্রায় ৯৫ শতাংশ তেল আয়ের ওপর নির্ভরশীল, এটি ইরানের স্বার্থেও অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

পাকিস্তানের জন্য এলএনজি চালান ইরানের সঙ্গে আলাদা চুক্তির মাধ্যমে পরিচালিত হয়েছে। কাতারের দুটি এলএনজি বহনকারী জাহাজ পাকিস্তানের দিকে যাওয়ার জন্য রওনা দিয়েছে। প্রতিটি জাহাজ চালান ইরানের সংখ্যার পরিবর্তন নিয়ে মন্তব্য করেছেন প্রতিবেদনকারীরা।

যুদ্ধের আগে প্রতি মাসে হরমুজ প্রণালিতে প্রায় ৩,০০০ জাহাজ বেড়েছে। কিন্তু সংঘাত শুরুর পর থেকে সংখ্যা প্রায় ৫ শতাংশ কমে গেছে। ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম ইরানের সংঘাতের কারণে প্রায় ৫০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। ইউরোপ ও এশিয়ায় এলএনজির দামও প্রায় ৩৫ থেকে ৫০ শতাংশ বেড়েছে।

“যদি আরও দেশ ইরানের সঙ্গে এমন চুক্তি করে, তাহলে হরমুজ প্রণালিতে ইরানের দীর্ঘমেয়াদি নিয়ন্ত্রণ স্বাভাবিক বিষয় হয়ে উঠতে পারে।”

এমএসটি মারকির গবেষণা প্রধান সল কেভোনিক এই ধারণা জানিয়েছেন। ইরান জানিয়েছে যে যুদ্ধ শেষ হলেও প্রণালির নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে চায়। তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট