Bangladailypost
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

চাকরির প্রলোভনে ১৬ লাখ টাকা আত্মসাৎ, কারাগারে জিয়া পরিষদ নেতা

Published June 2, 2026 · Updated July 21, 2026 · By John Jones - bangladailypost.com

Foto : John Jones - bangladailypost.com

চাকরির প্রলোভনে ১৬ লাখ টাকা আত্মসাৎ, কারাগারে জিয়া পরিষদ নেতা

Bangladailypost.com – চ কর র প রল ভন ১৬ - জিয়া পরিষদের নেতা ও পূর্বে কলেজ শিক্ষক হিসেবে কাজ করা শামীম আল মামুনকে চাকরির প্রলোভনে আত্মসাৎ করার অভিযোগে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। রংপুরের জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২ বদরগঞ্জ এর বিচারক সোহেল রানা তাঁকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন। সোমবার (১ জুন) বিকেলে শামীম আল মামুনের জামিন নামঞ্জুর করা হয়েছে। আদালতের পূর্বে তিনি আইনজীবী মাধ্যমে জামিনের আবেদন করেন।

অভিযোগের পটভূমি

রংপুর জেলা কোর্ট ইন্সপেক্টর আমিনুল ইসলাম জানান, শিক্ষা অধিদপ্তরের এসএসডিপি প্রকল্পে চাকরি দেওয়ার নামে চেকের মাধ্যমে ১৬ লাখ টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগে মামলাটি গত ৫ অক্টোবর দায়ের করা হয়েছিল। মামুন সাহেব বদরগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণ বাওচন্ডি থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। তাঁকে চাকরির প্রলোভনে বিভিন্ন মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহ করার অভিযোগ করেন মো. ফয়সাল হক। প্রতিবেদন অনুযায়ী, মামুন সাহেব এই বিষয়ে নিষ্ক্রিয় হয়েছেন।

পূর্বে শামীম আল মামুনের বিরুদ্ধে অন্য অভিযোগ রয়েছে। বিশেষত, ২০১১ সালে তৃতীয় শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় ভুয়া নাম ও রোল নম্বর ব্যবহার করে জাল সনদে বদরগঞ্জ ডিগ্রি কলেজে প্রভাষক পদে যোগদান করার অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। এই অভিযোগ এনটিআরসিএ-এর তদন্তে প্রমাণিত হয়। তদন্ত করেছে রাজনৈতিক আদালত বা সাধারণ সম্পাদকের কাছে হতে পারে। তবে তা এখন পর্যন্ত কোনও প্রমাণে পরিচয় পেয়েছে কিনা তা অনিশ্চিত।

বিচারকের মন্তব্য

বদরগঞ্জ সরকারি ডিগ্রি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ভূপেন্দ্রনাথ সরকার জানান, শিক্ষক শামীম আল মামুনের কারাগারে যাওয়ার খবর তিনি শুনেছেন। চাকরির প্রলোভনে অর্থ আত্মসাৎ করার সংকটের প্রতি সার্বিক প্রতিক্রিয়া হয়েছে। কারাগারে পাঠানোর বিষয়ে তিনি সম্মতি জানিয়েছেন। আসামির বিরুদ্ধে সরকারি চাকরি বিধিমালা অনুযায়ী বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান অধ্যক্ষ।

চাকরির প্রলোভনে আত্মসাৎ করার অভিযোগ বিষয়ে আদালতে তদন্ত চলছে। আদালতে সাক্ষ্যদানকারী পক্ষ সম্প্রতি কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন। তাঁর বিরুদ্ধে চাকরির প্রলোভন এবং অর্থ আত্মসাৎ করার সাথে সাথে আইনজীবী সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়েছে। কেউ বলেন, আসামি সাহেব বিষয়টি আগে থেকে আয়োজন করেছিলেন। আত্মসাৎ করার প্রতিক্রিয়া হিসেবে সরকারি ব্যবস্থা অবিলম্বে নেওয়া হবে।

সম্প্রতি চাকরির প্রলোভনে আত্মসাৎ করার ঘটনা তুলে ধরার মাধ্যমে কেন্দ্রীয় সরকার তাঁকে কারাগারে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। মামলার প্রসঙ্গে বিচারকের মন্তব্যে বলা হয়েছে যে অপরাধ