Bangladailypost
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

কোরবানির বর্জ্য অপসারণে মাঠে থাকবেন ডিএনসিসির ১৬ হাজার কর্মী

Published May 26, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Sandra Rodriguez - bangladailypost.com

Foto : Sandra Rodriguez - bangladailypost.com

ডিএনসিসির ১৬ হাজার কর্মী কোরবানির বর্জ্য আপসারণে মাঠে থাকবেন

Bangladailypost.com – ক রব ন র বর জ য - এবারের ঈদের দিনগুলোতে কোরবানির পশু থেকে উৎপন্ন বর্জ্য দ্রুত পরিচ্ছন্ন করার জন্য ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) ১৬ হাজার কর্মী ব্যবস্থাপনা কাজে নিয়োগ করা হয়েছে। সাথে অপসারণ কাজে নিয়োগ করা হয়েছে অতিরিক্ত ৭৫০টি বর্জ্য বাহী গাড়ি। বর্জ্য ঈদের দিন দুপুর ১২টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত (১২ ঘণ্টার মধ্যে) আমিনবাজার ল্যান্ডফিলে ডাম্প করা হবে।

আয়োজিত সভায় কোরবানি বিষয়ে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে

মঙ্গলবার (২৬ মে) রাজধানীর গুলশান এলাকার নগর ভবনে আয়োজিত সভায় ডিএনসিসি প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান এসব ব্যবস্থা নিয়ে আলোচনা করেন। সভায় উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। অতিথির মতামত অনুসারে সরকার কোরবানি পশু থেকে বর্জ্য আপসারণের জন্য আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকে বিশেষ নির্দেশনা দিয়েছেন। সেই নির্দেশনার আলোকে সিটি করপোরেশনগুলোকে ১২ ঘণ্টার মধ্যে বর্জ্য সংগ্রহ কাজে নিয়োগ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, আমাদের সাজে সময়ের আগেই বর্জ্য পরিচ্ছন্ন করে নগরবাসীদের সুবিধাজনক পরিবেশ তৈরি করতে প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। ইনশাআল্লাহ অপসারণ কাজ প্রস্তুত করে সরকারের নির্ধারিত সময়ের আগে কাজ শেষ করা সম্ভব।

স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী বলেন, কোরবানি বিষয়ে সরকার বিশেষ পরিকল্পনা গ্রহণ করেছেন যাতে প্রতিদিনের জলাবদ্ধতা নিরসনে ড্রেনেজ ব্যবস্থা সচল থাকবে। অতিবৃষ্টির সময় সাময়িক জলজট হলেও কিউআরটি ও ড্রেনেজ টিম প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

এছাড়া আমিনবাজার ল্যান্ডফিলে দ্রুত বর্জ্য খালাস নিশ্চিত করতে নতুন সড়ক ও ট্রেঞ্চ নির্মাণ করা হয়েছে। রিয়েল-টাইম ট্রিপ মনিটরিংয়ের জন্য ডিজিটাল ওয়েব্রিজ ব্যবহার করা হয়েছে।

বর্জ্য অপসারণের জন্য নগরবাসীদের মধ্যে প্রচার কার্যক্রম চালু রাখা হয়েছে। এর মধ্যে মাইকিং, ডিজিটাল বিলবোর্ড ও মোবাইল এসএমএসের মাধ্যমে জনসচেতনা বৃদ্ধি করা হচ্ছে। তার সাথে মসজিদের ইমামদের মাধ্যমে জুমার খুতবায় পরিচ্ছন্নতা সম্পর্কে উদ্বুদ্ধকরণ চালু রয়েছে।

১৬ লাখ ৩০ হাজার পলিব্যাগ বিতরণ করা হয়েছে। পাশাপাশি ৩ হাজার ৬০০ বস্তা ব্লিচিং পাউডার, ১ হাজার ৩৪৮ ক্যান ফিনাইল ও ৩ হাজার ৯০০ ক্যান স্যাভলন বিতরণ করা হয়েছে। এসব পদার্থ ব্যবহার করে কোরবানি পরবর্তী সময়ে পরিবেশ দুর্গন্ধমুক্ত ও জীবাণুমুক্ত করা যাবে।