Bangladailypost
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

ঈদের ছুটিতে যেভাবে চলবে চিকিৎসাসেবা

Published May 26, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Mary Williams - bangladailypost.com

Foto : Mary Williams - bangladailypost.com

ঈদের ছুটিতে চিকিৎসাসেবা চলবে স্বাভাবিক ভাবে

Bangladailypost.com – ঈদ র ছ ট ত য ভ - পবিত্র ঈদুল আজহার উপলক্ষে দেশে দীর্ঘ ছুটি বর্তমান। হাম আক্রান্ত রোগীদের জন্য চিকিৎসাসেবা বন্ধ হবে না বলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও হাসপাতালের পরিচালকদের পরিচালনায় স্বস্তির খবর পেয়েছেন। ছুটিতে সব হাসপাতাল ও ক্লিনিক সার্বক্ষণিক সেবা প্রদান করবে।

অনলাইনে যুক্ত থাকবেন কনসালট্যান্ট ও বিভাগীয় প্রধানরা। প্রয়োজনে তাঁদের পরামর্শ প্রদান করা হবে। তবে সার্বক্ষণিক ল্যাব ও স্ক্যান সেবা বজায় রাখা হবে। জরুরি বিভাগ ও ইমার্জেন্সি কেন্দ্র সকাল থেকে রাতে পর্যন্ত খোলা থাকবে।

ঈদেও আমাদের বিভিন্ন ধরনের পরীক্ষা ও সেবা চালু থাকবে। সার্বক্ষণিক সেবা দেওয়ার প্রস্তুতি আছে আমাদের।

হাসপাতালের পরিচালক ডা. মেজবাউর রহমান বলেন, ঈদের ছুটির মধ্যেও সব ধরনের পরীক্ষা ও চিকিৎসাসেবা অব্যাহত থাকবে। তিনি আরও জানান যে সার্বক্ষণিক ল্যাব ও স্ক্যান সেবা চালু থাকবে।

ঈদের ছুটির সময়ে দেশের সব হাসপাতালে চিকিৎসাসেবা অব্যাহত রাখার লক্ষ্যে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিশেষ নির্দেশনা প্রয়োগ করা হয়েছে। সে নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে যে ছুটির সময়ে কোনো হাসপাতাল ৭২ ঘণ্টা বেশি সময় বন্ধ থাকতে পারে না।

২৬ ও ৩০ মে হাসপাতালের সব বিভাগ খোলা থাকবে। প্রয়োজনীয় সেবা নিশ্চিত করতে হবে। পরিচালক ডা. ইরতেকা রহমান জানান যে দুই দিন বহির্বিভাগ সকাল ৮টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত খোলা থাকবে। এছাড়া ছুটির দিনসহ প্রতিদিন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক সকাল ও বিকালে রাউন্ড দেবেন।

২৭ মে ও ৩০ মে বহির্বিভাগের চিকিৎসা কার্যক্রম সফল করার জন্য হাসপাতালের পরিচালক কুর্মিটোলা মাল্টিকেয়ার স্পেশালাইজড হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সাঈদ নুর জাগো নিউজকে বলেন, ঈদের ছুটিতে সার্বক্ষণিক চিকিৎসাসেবা চালু থাকবে। ইনডোর ও জরুরি বিভাগ খোলা থাকবে।

ছুটির সময়ে সব হাসপাতাল ও ক্লিনিক নিরবচ্ছিন্ন চালু রাখার জন্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনা অনুযায়ী সেবা কার্যক্রম বজায় রাখা হবে। ছুটির দিন অবশ্যই নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হবে।

সব হাসপাতালে পর্যাপ্ত ওষুধ ও সামগ্রী মজুত রাখা হবে। ছুটির সময় সব স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে অগ্নিনির্বাপণ বিষয়ক সতর্কতা অবলম্বন করা হবে। এছাড়া হাসপাতালের স্টোর কিপার অথবা ছুটিকালীন দায়িত্বপ্রাপ্ত স্টাফ নিজ জেলায় অবস্থান করবেন।

সব ছুটি যোগাযোগ ও অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস নিরবচ্ছিন্ন থাকবে। জেলাভিত্তিক জনবল সমন্বয় করা হবে। প্রতিষ্ঠান প্রধানরা