Bangladailypost
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

ইরানে ‘অভিযানের’ জন্য তাইওয়ানে অস্ত্র বিক্রি স্থগিত রাখছে যুক্তরাষ্ট্র

Published May 23, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Elizabeth Martin - bangladailypost.com

Foto : Elizabeth Martin - bangladailypost.com

ইরানে ‘অভিযানের’ জন্য তাইওয়ানে অস্ত্র বিক্রি স্থগিত রাখছে যুক্তরাষ্ট্র

Bangladailypost.com – ইর ন অভ য ন র জন - যুক্তরাষ্ট্র ইরানে সামরিক অভিযানের জন্য গোলাবারুদ সঞ্চয় করতে তাইওয়ানের কাছে ১.৪ বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র বিক্রি স্থগিত করেছে। বৃহস্পতিবার (২১ মে) সিনেটে শুনানি চলাকালে এ বিষয়টি ঘোষণা করেন যুক্তরাষ্ট্রের ভারপ্রাপ্ত নেভি সেক্রেটারি হাং কাও।

গত ৮ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করার পর থেকে সংঘাত আপাতত কমে গিয়েছে। কিন্তু যুদ্ধ বন্ধ হওয়া এখনো স্থায়ী কোনো চুক্তি হয়নি।

“এই মুহূর্তে আমরা সাময়িক বিরতি দিচ্ছি, যেন ইরানে ‘এপিক ফিউরি’ অভিযানের জন্য প্রয়োজনীয় গোলাবারুদ আমাদের হাতে থাকে।” বলেন হাং কাও।

যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের বহু দশক ধরে চীনের সঙ্গে অস্ত্র বিক্রি নিয়ে এমন আলোচনা করে না। কিন্তু অনুমোদন পেলে এই অস্ত্র প্যাকেজ হবে তাইওয়ানের ইতিহাসে যুক্তরাষ্ট্রের সরকারী অস্ত্র হস্তান্তরের সবচেয়ে বড় ঘটনা। এ ক্ষেত্রে তাইওয়ানের সমর্থনের বিরোধিতা করছে চীন।

তাইওয়ানের প্রধানমন্ত্রী চো জুং-তাই শুক্রবার (২২ মে) সাংবাদিকদের জানান, তার দেশ অস্ত্র কেনার প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখবে। এদিকে ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইসিস গ্রুপের উত্তর-পূর্ব এশিয়াবিষয়ক জ্যেষ্ঠ বিশ্লেষক উইলিয়াম ইয়াং সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে বলেন, এই স্থগিতাদেশ তাইওয়ানে যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন নিয়ে উদ্বেগ ও সন্দেহ আরও বাড়াবে। ফলে ভবিষ্যতে তাইওয়ান সরকারের জন্য প্রতিরক্ষায় অতিরিক্ত অর্থ চাওয়া কঠিন হয়ে পড়তে পারে।

“আমি এই অস্ত্র প্যাকেজ অনুমোদন ‘করতেও পারেন, আবার না-ও করতে পারেন’।” বলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ফক্স নিউজের সাক্ষাৎকারে।

ট্রাম্প আরও ইঙ্গিত দিয়েছেন, এই অস্ত্র চুক্তি হবে ‘আলোচনার হাতিয়ার’ হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে মার্কিন সরকার তাইওয়ানকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দিলেও না, ১৯৭৯ সালের তাইওয়ান রিলেশনস অ্যাক্ট অনুযায়ী তারা দ্বীপটিকে সুরক্ষায় সহায়তা দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

তাইওয়ানের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন চীনের বিরোধিতার কারণে চলছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদি মার্কিন প্রেসিডেন্ট তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট উইলিয়াম লাই চিং সঙ্গে কথা বলার বিষয়টি গ্রহণ করেন, তাহলে যুক্তরাষ্ট্রের গত চার দশকের কূটনৈতিক রীতি ভেঙে যাবে।

২০১৬ সালের নির্বাচনে জয় পেয়ার পর ট্রাম্প সাই ইং ওয়েন সঙ্গে ফোনে কথা বলেছিলেন। কিন্ত