Bangladailypost
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

আরজি করের ঘটনায় ৩ পুলিশ কর্মকর্তা বরখাস্ত

Published May 17, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Daniel Williams - bangladailypost.com

Foto : Daniel Williams - bangladailypost.com

আরজি করের ঘটনায় তিন পুলিশ কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করা হয়েছে

Bangladailypost.com – আরজ কর র ঘটন য় ৩ প - শুভেন্দু অধিকারী মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেয় এবং আরজি করের ঘটনার পর প্রশাসনিক পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। তিনি তিন পুলিশ কর্মকর্তাকে ধর্ষণ এবং খুনের ঘটনায় দায়িত্বে গাফিলতির অভিযোগে সাময়িক বরখাস্ত করেন। বরখাস্ত হওয়া কর্মকর্তারা হলেন কলকাতার তৎকালীন পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েল, তৎকালীন ডেপুটি পুলিশ কমিশনার (মধ্য) ইন্দিরা মুখোপাধ্যায় এবং তৎকালীন ডেপুটি প্রশাসন বা ডেপুটি পুলিশ কমিশনার (উত্তর) অভিষেক গুপ্তা। মুখ্যমন্ত্রী নির্দেশ দেন যে তিন আইপিএস কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত শুরু করা হবে।

তদন্তের কার্যক্রম ও স্পষ্ট ঘোষণা

গত শুক্রবার (১৫ মে) নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “আপনারা জানেন, আরজি করের ঘটনার পর আমি মুখ্যমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব নিয়ে মাননীয় মুখ্য সচিব এবং স্বরাষ্ট্র সচিবের কাছে লিখিত জানতে চেয়েছিলাম কলকাতা পুলিশ কীভাবে ঘটনাটি সামাল দিয়েছিল। মুখ্য সচিব ও স্বরাষ্ট্র সচিব গত দুইদিনে প্রাথমিক প্রতিবেদন জমা দিয়েছেন। সেটি দেখার পরই আজ আমরা প্রশাসনিক পদক্ষেপ নিলাম। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে আমি ঘোষণা করছি, ওই সময় ঘটনাটিকে “মিসহ্যান্ডেল” বা ভুলভাবে সামলানো হয়েছিল এবং এফআইআর দায়েরের বিষয়টি নিয়ে সঠিক তদন্ত করা হয়নি।”

“সবচেয়ে বড় বিষয়টি হলো, সংবাদমাধ্যমের মাধ্যমে আমাদের কাছে নির্যাতিতার মায়ের পক্ষ থেকে অনেক তথ্য এসেছে। দুজন পুলিশ কর্মকর্তা নাকি তাদের টাকা দিতে চেয়েছিলেন। এই বিষয়টি তদন্ত করতে হবে। আমরা মনে করি, এই তদন্তগুলো করতে গেলে যেসব পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে, তাদের বরখাস্ত রেখে তদন্ত করা উচিত। নইলে তদন্ত কখনো নিরপেক্ষ ও সঠিক হতে পারে না।”

আরজি করের ঘটনার প্রতিক্রিয়া ও দীর্ঘমেয়াদি প্রতিবাদ

২০২৪ সালের ৯ আগস্ট কলকাতার আরজি কর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে নৃশংসভাবে ধর্ষণ ও খুনের শিকার হন এক চিকিৎসক ছাত্রী। গোটা ভারত জুড়ে তীব্র আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছিল। দোষীদের কঠোরতম শাস্তির দাবিতে নাগরিক সমাজ রাত দখল কর্মসূচ