Bangladailypost
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

আমের লাভ গিলে খাচ্ছে ক্যারেট

Published June 5, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Mary Jones - bangladailypost.com

Foto : Mary Jones - bangladailypost.com

আমের লাভ গিলে খাচ্ছে ক্যারেট

Bangladailypost.com – আম র ল ভ গ ল খ - সাতক্ষীরার আম বাগানগুলো ফলের ভারে ভরে উঠেছে। গাছগুলোতে ঝুলছে পাকা আম, সংগ্রহ, সরিয়ে আনা ও বিক্রির কাজ অব্যাহত চলছে। কিন্তু এই চরম ব্যস্ততার মাঝে কৃষকদের মুখে স্বস্তির হাসি নেই। যদিও ফলন ভালো হয়েছে, তার পরিপ্রেক্ষিতে লাভ আকাশছোঁয়া হয়ে উঠেছে।

প্রায় ৪ হাজার ১৪০ হেক্টর জমিতে আম চাষ করা হচ্ছে। লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৭০ হাজার ৯০০ মেট্রিক টন। এখন আম দেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে পৌঁছাচ্ছে যাতে অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে প্রতিটি কৃষকের চাহিদা পূরণ হতে পারে। পাইকারি বাজারে জাত ও মানের ভিন্নতা রয়েছে, যেখানে প্রতি মণ আম বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ৫০০ টাকায়।

খরচ অকালে মুখে নেই স্বস্তি

আম উৎপাদনের চেয়ে বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে বিক্রি করার প্রক্রিয়া। ঢাকায় আম পাঠাতে প্যাকেজিং ও পরিবহন খরচ মিলিয়ে প্রতি কেজি ১৩ থেকে ১৭ টাকা খরচ হচ্ছে। হোম ডেলিভারি নিতে হলে সেই হিসাব বেড়ে যাচ্ছে প্রতি কেজি ২৫-৩০ টাকা পর্যন্ত।

সাতক্ষীরা সদর উপজেলার আম চাষি মনিরুল ইসলাম বলেন, বছরজুড়ে সার ও কীটনাশকের খরচ বহন করি। কিন্তু মৌসুমে এসে দেখি আমের দাম কমে গেছে এবং প্যাকেজিং খরচ বেড়েছে। এক মণ আম বিক্রি করে যে টাকা পাই, তার বড় অংশ ক্যারেট, বস্তা, কাগজ ও পরিবহনে চলে যাচ্ছে।

সমস্যার অন্য দিক থেকে কবিরুল ইসলাম জানান, আমের ফলন ভালো হয়েছে। কিন্তু বাজারদর আশানুরূপ নয়। এখন এক মণ আম বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ৫০০ টাকায়। অনলাইন ও কুরিয়ারে আম পাঠাতে ক্যারেটসহ খরচ বেড়ে যাওয়ায় লাভ করা কঠিন হয়ে পড়েছে।

নাজমুল হোসেন বলেন, আগে দুই মণ আম প্যাকেজিং করতে খরচ হত ১০ টাকা। এখন সেই খরচ প্রায় সেই পরিমাণ এক মণে লাগছে। কারণ ফ্যাক্টরি থেকে পাইকারি দাম ও পরিবহন খরচ দুটোই বেড়েছে।

বিষয়টি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন চাষি ও ব্যবসায়ীরা। তাদের মতে এখন আমের চেয়ে ক্যারেটের দামই বেশি। বড় বাজারের বস্তা ব্যবসায়ী শরিফুল ইসলাম বলেন, প্রতি মণ আম বিক্রির খরচ এখন তুলনা করে প্রতি কেজি ১৩ থেকে ১৬ টাকা হিসেবে বাড়েছে। আবার বাসা পর্যন্ত ডেলিভারি দিতে অতিরিক্ত খরচ যোগ হয়।

রনজু বলেন, সারা বছর দুইটা-পাঁচটা ক্যারেট কিনে জমিয়ে রাখি আম মৌসুমে লাভ আশা করে। কিন্তু এবার প্রতিটি ক্যারেটের দাম ১০০ টাকার বেশি হয়েছে। ফলে আম কিনতে নিজেদের বেশি দামে বাধ্য হচ্ছি।

বর্তমানে জ্বালানি ও পরিবহন খরচ বেড়ে গেছে। �