News

আইনের বেড়াজালে আটকে গেছে নদী দখল উচ্ছেদ

og_1778915382_6a081836c9376

আইনের বেড়াজালে আটকে গেছে নদী দখল উচ্ছেদ

Bangladailypost.com – আইন র ব ড় জ ল আটক – যশোরের ভাতুড়িয়ায় মুক্তেশ্বরী নদী উদ্ধার অভিযান আদালতের নিষেধাজ্ঞার বেড়াজালে আটকে গেছে। একটি চক্র দ্বারা নদী দখল করা হয়েছে দক্ষিণপাড়া ও ভাতুড়িয়া পূর্বপাড়ার মাঝ দিয়ে প্রবাহিত নদীর অংশ। বর্ষা সামনে রেখে এই নিষেধাজ্ঞার কারণে হরিণার বিলপাড়ে বাস করা মানুষ উদ্বিগ্ন হয়ে উঠেছেন।

অভিযোগ উঠেছে রাষ্ট্রপক্ষের দুর্বল অবস্থান জেলা প্রশাসনকে দখলমুক্তির উদ্যোগকে জটিল করেছে। তদন্ত কমিটি গঠনের পর নদী দখল বিষয়ে স্পষ্ট তথ্য প্রকাশ করেছে। কমিটির প্রতিবেদন অনুসারে, চাঁচড়া ইউনিয়নের জমি বিষয়ে সিএস রেকর্ডে রাজা বরদাকান্ত রায়ের নামে ১৯৭৮ ও ১৯ৈ০ নম্বর দাগে একটি অংশ দখলের কারণে রেকর্ড পরিবর্তন হয়েছে।

আরএস রেকর্ডে ওই জমি মোস্তফা কামাল উদ্দিন, মোস্তফা জালাল উদ্দিন ও মোস্তফা আওয়াল উদ্দীনের নামে ‘পুকুর’ ও ‘ধানী’ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। গত দিনে সিভিল জজ আদালতে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে, কিন্তু বাড়ছে স্থানীয়দের উদ্বেগ।

“জেলা প্রশাসনের তদন্ত প্রতিবেদনসহ অনেক কাগজপত্র আদালতে যথাযথভাবে উপস্থাপন করা হয়নি।”

জেলা প্রশাসনের একজন শীর্ষ কর্মকর্তা বলেন, আদালতে প্রমাণ পর্যাপ্ত হাজির করা হয়নি। তবে তহশিলদার বিষয়বস্তু আদালতে উপস্থাপনের চেষ্টা করেছেন। অতীতে ওই জমির ব্যবহারের সুযোগ ছিল, কিন্তু বর্তমানে তা ব্যক্তিগত মালিকানায় রেকর্ড হয়েছে।

আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, পানি উন্নয়ন বোর্ডকে দখল উচ্ছেদের ব্যবস্থা করতে হবে। গত সপ্তাহে বৃষ্টি হয়েছে যেখানে জলাবদ্ধতা বৃদ্ধি পেয়েছে। নদী দখল উচ্ছেদ না হলেও বর্ষা মৌসুমে এই এলাকার প্রায় চার হাজার বিঘা জমি জলে ভাসতে বাধ্য হবে।

“ওই জমির কেয়ারটেকার মোস্তফা জালাল উদ্দিন আদালতে মামলা করেছেন।”

সাইনবোর্ড টাঙানো হয়েছে নদী দখল করে প্লট বিক্রির জন্য। অধিকাংশ কৃষকের খামার জলে ভাসবে বলে আশা ছিল, কিন্তু আইনি লড়াইয়ে এখন তা বাদ পড়েছে। গত ৮৩ সালে মামলার প্রক্রিয়া আরও জটিল হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *