Bangladailypost
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দাবি এমপিরা ঋণখেলাপি নন, রুমিন ফারহানার পাল্টা জবাব

Published June 19, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Joseph Hernandez - bangladailypost.com

Foto : Joseph Hernandez - bangladailypost.com

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দাবি এমপিরা ঋণখেলাপি নন, রুমিন ফারহানার পাল্টা জবাব

বাজেট আলোচনায় সংসদে সরকারি ও বিরোধী দলের মধ্যে বিতর্ক উত্তপ্ত হয়েছে

Bangladailypost.com – স বর ষ ট রমন ত র - জাতীয় সংসদে আইনি বিষয়টি আলোচনার সময় সংসদ সদস্যদের 'ঋণখেলাপি' বলা নিয়ে উত্তপ্ত বিতর্ক চলছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ দাবি করেছেন যে আইনিভাবে বর্তমান সংসদে কোনো এমপি 'ঋণখেলাপি' নন, তারা বড়জোর ঋণগ্রস্ত হতে পারেন। তার এই বক্তব্যের প্রতিক্রিয়া স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা দিয়েছেন।

নির্বাচনের আগে সামান্য কিছু টাকা দিয়ে কীভাবে ঋণ পুনঃতফসিল করা হয় এবং উচ্চ আদালতে রিট করে স্থগিতাদেশ নিয়ে নির্বাচন করা হয়, তা সবারই জানা। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) বাজেট আলোচনার সময় এই পাল্টাপাল্টি যুক্তি প্রকাশ করা হয়।

ফজলুল হক মিলন বলেন, ‘প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই সবাই জানে যে এই সংসদ ব্যতিক্রমধর্মী হয়েছে। অনেক আন্দোলন-সংগ্রাম ও ত্যাগের বিনিময়ে সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে এই সংসদ গঠিত হয়েছে। তার মাধ্যমে দেশবাসী আমরা সম্মানিত হয়েছি। আমি অনুরোধ করি সংসদের মর্যাদা আকাশে রাখার জন্য সরকারি ও বিরোধীদলের সম্মান বাদ দেওয়া হোক না কেন, আমরা সংসদকে সার্বভৌম বলি।

‘ঋণখেলাপিদের সংসদ নিয়ে আমি অনুরোধ করব, আপনি এ শব্দটি এখান থেকে এক্সপাঞ্জ করুন। আর ভবিষ্যতে বক্তব্য রাখার সময় নিজেদের মানসম্মান হানি হয় না করার জন্য এই ধরনের কথা বলতে অনুরোধ করছি।’

নিজের বক্তব্যের শেষে বিষয়টি আলোচনা চলছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বিষয়টি আপত্তি দিয়ে নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘আমি প্রথম অধিবেশনেও অনেক সংসদ সদস্যের ঋণখেলাপি রয়েছে তা আমি উল্লেখ করেছিলাম। কিন্তু তাদের নাম প্রকাশ করিনি কারণ সম্মানের জন্য। এখন তাদের দল ঋণখেলাপি নমিনেশন দিয়ে সংসদে নিয়ে আসছে তার দায় হবে।’

‘এখন সংসদে ঋণখেলাপি থাকলে সাধারণ মানুষ সেটি বলতে অনুমতি দেবে। আমি অনুরোধ করছি সংসদকে আর বলা হোক না কেন, এ ধরনের শব্দ এক্সপাঞ্জ করার মতো কোনো বক্তব্য নয়।’

এর প্রতিক্রিয়ায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘নির্বাচনি আইন (আরপিও) ও অন্যান্য বিধিমালা অনুসারে, আদালত কর্তৃক কেউ ঋণখেলাপি সাব্যস্ত হলে তিনি নির্বাচনের অযোগ্য হন। তার নমিনেশন অবৈধ হয়ে যায়।’ তিনি আরো দাবি করেন, ‘যাদের বিরুদ্ধে ব্যাংক বা প্রাইভেট মামলা ছিল, কিন্তু সেগুলো সুপ্রিম কোর্ট বা হাইকোর্ট দ্বারা নিষ্পত্তি হয়েছে, তারা �