Bangladailypost
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

রোহিঙ্গাদের জন্য ইইউর আরও ১ কোটি ৪০ লাখ ইউরো সহায়তা ঘোষণা

Published June 19, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Daniel Williams - bangladailypost.com

Foto : Daniel Williams - bangladailypost.com

ইউরোপীয় ইউনিয়ন রোহিঙ্গাদের জন্য আরও ১ কোটি ৪০ লাখ ইউরো সহায়তা ঘোষণা

Bangladailypost.com – র হ ঙ গ দ র জন - ২০ জুন বিশ্ব শরণার্থী দিবসের আগে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) এবং জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা (ইউএনএইচসিআর) কক্সবাজারে আশ্রয় নেওয়া ১২ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জন্য মানবিক সহায়তা এবং উন্নয়নের সম্মিলিত প্রচেষ্টা ঘোষণা করেছে। এই তহবিলের মাধ্যমে কক্সবাজারের প্রায় ৭০ হাজার বাংলাদেশি আশ্রয়দাতা জনগোষ্ঠীর সদস্যদের সহায়তা করা হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে যে ইইউর আগের সহায়তা ধারাবাহিকতার ভিত্তিতে এই আরও বড় পরিমাণের অর্থ দেওয়া হচ্ছে। সংস্থাদ্বয় রোহিঙ্গাদের শিক্ষা ও কাজের দক্ষতা বৃদ্ধি, তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) ব্যবহারের সুযোগ বাড়ানো এবং সুরক্ষার প্রয়োজনীয় সেবা প্রদানের জন্য এই অর্থ ব্যবহার করবে।

‘বাংলাদেশে রোহিঙ্গা শরণার্থী ও আশ্রয়দাতা জনগোষ্ঠীর পাশে থাকতে ইউরোপীয় ইউনিয়ন প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এই সংকট দীর্ঘদিন ধরে চলছে। তাই শুধু জরুরি মানবিক সহায়তা নয়, শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন ও আয়ের সুযোগ তৈরির দিকেও আমাদের নজর দিতে হবে,’ বলেছেন ইইউ রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার।

সংস্থা দুটি ঘোষণা করেছে যে রোহিঙ্গারা দীর্ঘ সময় ধরে সামাজিক দুর্ভোগের মধ্যে থাকায় তাদের সদৃশ সহায়তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই তহবিল তাদের নিরাপত্তা, মৌলিক প্রয়োজনীয়তা পূরণ এবং ভবিষ্যতে সম্মানের সঙ্গে মিয়ানমারে ফিরে আসার সুযোগ তৈরির জন্য ব্যবহার করা হবে।

‘দীর্ঘ সময় ধরে চরম দুর্ভোগের মধ্যে থাকা রোহিঙ্গা পরিবারগুলোর জন্য নিরবচ্ছিন্ন সহায়তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই সহায়তা তাদের প্রয়োজনীয় সুরক্ষা সেবা নিশ্চিত করতে এবং একটি নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ ভবিষ্যতের আশা ধরে রাখতে সাহায্য করবে,’ বলেছেন ইউএনএইচসিআরের প্রতিনিধি ইভো ফ্রেইসেন।

পরিকল্পনার অংশ হিসেবে ইউএনএইচসিআর চলতি ২০২৬ সালের সংকট মোকাবিলার জন্য যৌথ সাড়াদান পরিকল্পনা (জেআরপি) বাস্তবায়নে বাংলাদেশ সরকার, মানবিক সংস্থা এবং দাতাদের সাথে সহযোগিতা করছে। সংস্থাটি এই পরিকল্পনার বাস্তবায়নে নতুন আগত শরণার্থীদের সহায়তা করার জন্য বৈশ্বিক দাতাদের কাছে ৭১ কোটি মার্কিন ডলার তহবিল চেয়েছে।

বিশেষ করে নারী ও শিশুদের জন্য এলপিজি সিলিন্ডার প্রদানের ফলে জ্বালানি কাঠ সংগ্রহের জন্য ক্যাম্পের বাইরে যেতে হবে না। এটি তাদের নিরাপত্তা বাড়াবে এবং স্বাস্থ্য ঝুঁকি ও বনায়ন ধ্বংস থেকে পরিবেশকে রক্ষা করবে। মিয়ানমারে নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসন নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত জরুরি সেবা চালু রাখতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের এই উদার সহায়তা অপরিহার্য।