যুগ্ম সচিব পদোন্নতি ঘিরে সামাজিক বিতর্ক বৃদ্ধি পেয়েছে
য গ ম সচ ব পদ ন – বিএনপি সরকার গঠন করার পর থেকে চলতি বছরের ৯ জুলাই জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় পৃথক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ১৭৯ জন উপসচিবকে যুগ্ম সচিব পদে পদোন্নতি দেয়া হয়। এটি সরকারের প্রথম বড় প্রশাসনিক ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার প্রদানের ঘোষণা। তবে তালিকায় অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, সাময়িক বরখাস্ত কর্মকর্তা এবং অতীতে দুর্নীতির মামলায় আসন পেয়েছিলেন কর্মকর্তাদের নাম অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় বিতর্ক তৈরি হয়েছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রশাসনিক ক্ষেত্রে বিভিন্ন মহলে আলোচনা ও সমালোচনা চলছে।
পদোন্নতি প্রক্রিয়া স্বচ্ছতা বিষয়ে সন্দেহ তুলেছে
পদোন্নতির ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে সুপিরিয়র সিলেকশন বোর্ড (এসএসবি)। মন্ত্রিপরিষদ সচিবের নেতৃত্বে গঠিত এ বোর্ড সাবেক আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা ছাদেকুর রহমানের নাম প্রকাশিত হয়েছে। গত ঈদুল আজহার পর রাজধানীতে কোরবানি বর্জ্য অপসারণে অবহেলার অভিযোগে প্রধানমন্ত্রী তাকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করা হয়। পরে অসদাচরণের অভিযোগে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। কিন্তু তদন্ত শেষ হওয়ার আগেই তাকে যুগ্ম সচিব পদে পদোন্নতি দেওয়া হয়।
তিনি বলেন, ‘১৯৯৪ সালে আমি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সিনিয়র সহকারী সচিব ছিলাম। তখন আমরা ৪৫০ কর্মকর্তাকে সিলেকশন গ্রেড দিয়েছিলাম। প্রক্রিয়া প্রায় একই ছিল। আল্লাহর রহমতে একটি ভুলও হয়নি।’
বিষয়টি পৃথক আইনি প্রক্রিয়াধীন অবস্থায় রয়েছে। এ কারণে তার পদোন্নতিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মহলে সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। বগুড়ার সাবেক জেলা প্রশাসক সাইফুল ইসলামের নাম তালিকায় রয়েছে। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় তার প্রশাসনিক ভূমিকা ও রাজনৈতিক পক্ষপাতিত্ব নিয়ে অভিযোগ উঠেছিল।
অপর পক্ষে কিশোরগঞ্জে ভূমি অধিগ্রহণের ক্ষতিপূরণ সংক্রান্ত মামলায় তৎকালীন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক দুলাল চন্দ্র সূত্রধর আত্মসাত করা অর্থ ভাগ-বাঁটোয়ারার দাবি করেছিলেন। তিনি সাবেক ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণ প্রকল্পের উপপ্রকল্প পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।