বেবিচকের দুই প্রকৌশলীর ‘মামলা নেই’ চিঠি সংশোধন করলো দুদক
ব ব চক র দ ই প - দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সাম্প্রতিক সময়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ সংশোধনী চিঠি প্রদান করেছে। ওই চিঠিতে বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের
Table of Contents
দুদকের সংশোধিত চিঠিতে বেবিচকের দুই প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে মামলার তথ্য ফিরে এলো
Bangladailypost.com – ব ব চক র দ ই প – দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সাম্প্রতিক সময়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ সংশোধনী চিঠি প্রদান করেছে। ওই চিঠিতে বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) দুই প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে চলমান মামলার সঠিক তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে। এর আগে দুদক যে চিঠিতে উল্লেখ করেছিল যে ওই প্রকৌশলীদের বিরুদ্ধে কোনো মামলা নেই, সেই তথ্য এখন সংশোধন করা হয়েছে। তবে আগের চিঠির তারিখ ও স্মারক নম্বর অপরিবর্তিত রেখেই নতুন চিঠিটি পাঠানো হয়েছে।
প্রকৌশলীদ্বয়ের পরিচয় ও মামলার বিবরণ
সংশোধিত চিঠিতে উল্লিখিত দুই প্রকৌশলী হলেন মোহাম্মদ আমিনুল হাসিব ও মইদুর রহমান মো. মওদুদ। আমিনুল হাসিব বেবিচকের সিভিল সার্কেল প্রকল্পের নির্বাহী প্রকৌশলী হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন। অন্যদিকে, মওদুদ ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নির্বাহী প্রকৌশলী ছিলেন।
২০২৫ সালের জানুয়ারি মাসে একাধিক বিমানবন্দর প্রকল্পে ৮১২ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতিরক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা তারিক আহমেদ সিদ্দিকসহ মোট ১৯ জনের বিরুদ্ধে দুদক চারটি মামলা দায়ের করে। ওই মামলাগুলোর মধ্যে কক্সবাজার বিমানবন্দরের প্রকল্পে ১৫০ কোটি টাকা আত্মসাতের মামলায় আমিনুল ৯ নম্বর আসামি হিসেবে অভিযুক্ত। এছাড়াও, ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সম্প্রসারণ প্রকল্পে ২১২ কোটি টাকা আত্মসাতের মামলায় মওদুদ ৯ নম্বর আসামি। দুটি মামলার তদন্ত কাজ দুদকের মানিলন্ডারিং শাখা পরিচালনা করছে, যার মহাপরিচালক হলেন মো. মোকাম্মেল হক।
চিঠির ইতিহাস ও সংশোধন প্রক্রিয়া
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের ২০২৫ সালের ১৮ নভেম্বরের একটি স্মারকের জবাবে চলতি বছরের ১১ মার্চ দুদক প্রথম চিঠিটি পাঠিয়েছিল। ওই চিঠিতে আমিনুল ও মওদুদের বিরুদ্ধে কোনো মামলা তদন্তাধীন বা বিচারাধীন নেই বলে জানানো হয়েছিল। দুদকের পরিচালক মোহাম্মাদ নাজমুল হাসান ওই চিঠিতে স্বাক্ষর করেন। চিঠির অনুলিপি মন্ত্রিপরিষদ সচিব এবং দুদকের চেয়ারম্যান, কমিশনার ও সচিবের একান্ত সচিবদেরও দেওয়া হয়েছিল।
সেই সময়ে দুদকে কোনো কমিশন ছিল না। মোহাম্মদ আবদুল মোমেনের নেতৃত্বাধীন কমিশন ৩ মার্চ পদত্যাগ করে। এর ৮ দিন পর ‘মামলা নেই’ বলে চিঠিটি দেওয়া হয়েছিল। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর বিভিন্ন মাধ্যমে সমালোচনা শুরু হয়।
আগের চিঠিতে ভুল তথ্য থাকার কথা স্বীকার করেন দুদক সচিব সাইদুর রহমান খান। তিনি বলেন, একই তারিখ ও স্মারকের আগের চিঠির স্থলে প্রকৃত তথ্য দিয়ে একটি প্রতিস্থাপন চিঠি পাঠানো হবে। নতুন চিঠিতে কোন কর্মকর্তা কোন মামলার আসামি, তা উল্লেখ থাকবে।
দুদক সচিব আরও জানান, এটি ভুলক্রমে হয়েছে নাকি সচেতনভাবে করা হয়েছে—তা নিশ্চিত হওয়ার পর সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ওই দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা তদন্তাধীন থাকার তথ্য বেবিচককেও জানানো হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
প্রতিস্থাপন চিঠির বিস্তারিত তথ্য
বুধবার দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা আকতারুল ইসলাম জানান, একই তারিখ ও স্মারকে প্রতিস্থাপন করে চিঠি পাঠানো হয়েছে। নতুন চিঠিতেও আগের স্মারক নম্বর ও ১১ মার্চ ২০২৬ তারিখ রাখা হয়েছে। তবে পরিচালক মোহাম্মাদ নাজমুল হাসানের স্বাক্ষরের নিচে ১২ আগস্ট ২০২৬ তারিখ লেখা হয়েছে।
প্রতিস্থাপন চিঠিতে বলা হয়েছে, আমিনুল হাসিব দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়, ঢাকা-১-এর ৮৫ নম্বর মামলার এজাহারভুক্ত ৯ নম্বর আসামি। ২০২৫ সালের ২৭ জানুয়ারি করা মামলাটি তদন্তাধীন। মওদুদ একই কার্যালয়ের ৮৪ নম্বর মামলার এজাহারভুক্ত ৯ নম্বর আসামি। ওই মামলাও ২০২৫ সালের ২৭ জানুয়ারি করা হয়েছিল। সেটির তদন্তও চলছে। প্রথম চিঠিতে সই করা পরিচালক মোহাম্মাদ নাজমুল হাসানই প্রতিস্থাপন চিঠিতে সই করেছেন।
এর আগে ‘মামলা নেই’ বলে দেওয়া চিঠির পর আমিনুল নির্বাহী প্রকৌশলী থেকে তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী পদে পদোন্নতি পান বলে বেবিচকের একটি সূত্র জানিয়েছে।
Related Reading
Frequently Asked Questions
What is ব ব চক র দ ই প?
ব ব চক র দ ই প is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.
Why does ব ব চক র দ ই প matter?
ব ব চক র দ ই প matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.