Bangladailypost
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

বেনজীরের মামলার নথিপত্র দুবাইয়ে পাঠানোর প্রস্তুতি দুদকের

Published June 16, 2026 · Updated July 21, 2026 · By John Jones - bangladailypost.com

Foto : John Jones - bangladailypost.com

দুদক বেনজীর আহমেদের দুবাইয়ে গ্রেফতার হওয়ার পরে তাকে বাংলাদেশে ফেরত আনার জন্য নথিপত্র তৈরি করছে

Bangladailypost.com – ব নজ র র ম মল র - বাংলাদেশের আইজিপি বেনজীর আহমেদকে দুবাইয়ে গ্রেফতার করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) তাকে দেশে ফেরত আনার প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। তার বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং প্রতারণার অভিযোগে পাঁচটি মামলা করেছে দুদক। নথিপত্র সংগ্রহ ও চূড়ান্ত প্রস্তুতির কাজ চলছে এবং সেগুলো কূটনৈতিক চ্যানেলের মাধ্যমে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে পাঠানো হবে বলে জানা গেছে।

দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আকতারুল ইসলাম বলেন, সমস্ত নথিপত্র তৈরি করে বেনজীর আহমেদকে দেশে ফিরিয়ে আনার কাজ চলছে। কূটনৈতিক চ্যানেলে পাঠানো হবে দুর্নীতি মামলার নথি যেখানে অপরাধের বিবরণ, আদালতের নির্দেশ, এবং সম্পদ তথ্য অনুসরণ করা হবে।

আন্তর্জাতিক আইনের ভিত্তিতে কূটনৈতিক চ্যানেলে আবেদন করা হবে

ইউএই আবুধাবির ন্যাশনাল সেন্ট্রাল ব্যুরো (এনসিবি) বেনজীর আহমেদের গ্রেফতারির বিষয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাত প্রতিষ্ঠান দ্বারা বাংলাদেশের এনসিবিকে চিঠি প্রেরণ করা হয়েছে। এনসিবি আবুধাবি জানিয়েছে যে ইউএই-র ফৌজদারি আইন নম্বর ৩৯/২০০৬ অনুযায়ী বাংলাদেশকে ৩০ দিনের মধ্যে আনুষ্ঠানিক আবেদন করতে হবে। আবেদনে সহায়তাকারী অন্যান্য তথ্য সহ অপরাধের বিস্তারিত বিবরণ, অভিযোগের ক্ষেত্রে আনুষ্ঠানিক গ্রেফতারি পরোয়ানা অন্তর্ভুক্ত করা হবে।

সামনে আগে দুদক দুই মামলায় আদালতের নির্দেশে ইন্টারপোলে রেড নোটিশ জারি করেছিল। ২০২৫ সালের ১০ এপ্রিল ইন্টারপোল বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে রেড নোটিশ প্রকাশ করে। তবে দুদক সূত্রে জানা যায়, বেনজীর আহমেদ সম্পদ বিবরণী জমা দেওয়ার আদেশ পেলে তিনি আইনজীবীর মাধ্যমে ২০২৪ সালের ২৭ আগস্ট তার সম্পদ তথ্য দাখিল করেছেন।

সম্পদ অর্জন ও গোপন করার অভিযোগ

২০২৪ সালের ১৪ অক্টোবর পরিচয় গোপন করে পাসপোর্ট নবায়ন ও জালিয়াতির অভিযোগে বেনজীর আহমেদসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। বিশেষ করে স্থাবর সম্পদ ও অস্থাবর সম্পদের তথ্য প্রদানের পর তদন্তে দেখা গেছে যে বেনজীর আহমেদ আয়ের বৈধ উৎস দেখাতে ব্যর্থ হয়েছেন। তিনি ২ কোটি ৬২ লাখ ৮৯