Bangladailypost
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

পোশাক কারখানা বন্ধের প্রতিবাদে কচুক্ষেতে সড়ক অবরোধ

Published June 9, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Joseph Hernandez - bangladailypost.com

Foto : Joseph Hernandez - bangladailypost.com

পোশাক কারখানা বন্ধের প্রতিবাদে কচুক্ষেতে সড়� অবরোধ

শ্রমিকদের প্রতিবাদ ও সড়ক অবরোধের প্রকৃতি

Bangladailypost.com – প শ ক ক রখ ন বন - পোশাক কারখানা বন্ধের প্রতিবাদে কচুক্ষেতে শ্রমিকদের বিক্ষোভ আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে। কারখানার বন্ধ হওয়া ঘটনার পর শ্রমিকরা সড়কে সোয়া ঘণ্টা ব্যাপক যান চলাচল বন্ধ করে দেয়। প্রথম পর্যায়ে তারা একপাশে অবস্থান নেয় এবং মানববন্ধন করে। কিন্তু খানিকক্ষণ পর তারা দুই পাশে অবরোধ করে দেয়, যার ফলে সড়কে যানজট সৃষ্টি হয়। এই ঘটনার প্রতিবাদ করে শ্রমিকদের নিয়মিত কাজের সুযোগ বিঘ্নিত হয়, কারখানার নিকট মূল রাস্তার সারা দিন চলা চালানো কঠিন হয়। পোশাক কারখানা বন্ধ হওয়া ঘটনা স্থানীয় কর্মকর্তাদের বিরোধিতা করে এবং বিভিন্ন প্রতিবেদনে এটি বিশেষ দৃষ্টি আকর্ষণ করে।

অবরোধের প্রকৃতি এতে শ্রমিকদের অর্থনৈতিক ও সামাজিক সংকট প্রকাশ পেয়েছে। তারা কারখানা বন্ধ হওয়ার পর যান চলাচল বন্ধ করে দেয় যাতে দুই পাশে সড়ক অবরোধ করা হয়। এই অবরোধ করার পিছনে ছিল শ্রমিকদের বিক্ষোভের একটি বিশেষ সম্পর্ক, যা কারখানার স্থায়ী বন্ধ হওয়ার সংকেত দেয়। পোশাক কারখানার শ্রমিকরা নিজেদের দাবি পূরণের জন্য সড়ক অবরোধে ভাগ নেয় যাওয়ার ফলে সড়কে ভিড় জমে। কিছু কর্মকর্তারা ঘটনার পর শ্রমিকদের সাথে আলোচনা করে কারখানা বন্ধ হওয়ার কারণ খুঁজে বার করে।

আপত্তিকারক কর্মকর্তার বিবৃতি

মঙ্গলবার (৯ জুন) সকাল সোয়া ৯টা থেকে সাড়ে ১০টা পর্যন্ত পোশাক কারখানা বন্ধের প্রতিবাদ চালানো হয়। ট্রাফিক পুলিশের পল্লবী জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি) তানিয়া সুলতানা এ বিষয়ে জানান যে শ্রমিকদের বুঝিয়ে সড়ক থেকে সরিয়ে দিলে যান চলাচল আবার শুরু হয়। তিনি আরও বলেন যে বিক্ষোভের সমাধান না হওয়া পর্যন্ত সড়ক অবরোধ চলতে থাকবে। পোশাক কারখানা বন্ধের ঘটনার পর যান চলাচল বন্ধ হওয়ায় স্থানীয় বাসিনদের সমস্যার সমাধান জন্য পুলিশ এবং অন্যান্য কর্মকর্তাদের নেতৃত্বে আলোচনা চলছে।

তিনি বলেন, শ্রমিকদের বুঝিয়ে সড়ক থেকে সরিয়ে দিলে যান চলাচল আবার শুরু হয়; পরিস্থিতি বর্তমানে স্বাভাবিক রয়েছে।

কচুক্ষেতে সড়ক অবরোধের প্রতিবাদ আগে থেকে অনেক দিন ধরে চলছে। কারখানার শ্রমিকরা নিয়মিত বৈঠকে অংশ নেয় কারখানা বন্ধের বিষয়ে আলোচনা করে। এই কারখানা আগে থেকে স্থানীয় পরিবেশ এবং অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কারখানার বন্ধ হওয়ার কারণ হতে পারে বেতন ও সুবিধা না পেয়া, স্থায়ী কর্ম বিক্ষোভ এবং কর্মসংস্থান সমস্যার প্রতিবাদ। পোশাক কারখানার শ্রমিকদের বিক্ষোভ কিছু সময় আগে থেকে হয়ে ওঠে, যেখানে দুই পাশে সড়ক অবরোধে অবস্থান নেয়। তারা কারখানার প্রতিবাদের জন্য নিজেদের ক্ষোভ প্রকাশ করে বাস্তব পরিস্থিতি সমাধানের জন্য দাবি করে।

আপত্তিকারক কর্মকর্তাদের মধ্যে