Bangladailypost
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

পানিতে ডুবে শিশু মৃত্যু প্রতিরোধে টেকসই অর্থায়নের ওপর গুরুত্বারোপ

Published July 20, 2026 · Updated July 21, 2026 · By John Jones - bangladailypost.com

Foto : John Jones - bangladailypost.com

পানিতে ডুবে শিশু মৃত্যু প্রতিরোধে টেকসই অর্থায়নের ওপর গুরুত্বারোপ

Bangladailypost.com – প ন ত ড ব শ শ - পানিতে ডুবে শিশু মৃত্যু প্রতিরোধে টেকসই অর্থায়ন অপরিহার্য হয়ে উঠেছে। বাংলাদেশে প্রতি দিন গড়ে ৪০ জন শিশু পানিতে ডুবে মারা যাচ্ছে এবং এ বিষয়ে প্রতি বছর দেশে পানিতে ডুবে মৃত্যুর হার দুর্ঘটনাগুলো সকাল ৯টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত হারিয়ে যায়। কার্যক্রমের স্থায়িত্ব নিশ্চিত করতে বেসরকারি খাত, উন্নয়ন সহযোগী এবং স্থানীয় সরকারের সহযোগিতা আবশ্যক। রোববার (১৯ জুলাই) রাজধানীর ডেইলি স্টার সেন্টারে অনুষ্ঠিত অংশীজন সংলাপে বিশিষ্টজনরা বেসরকারি খাত, গণমাধ্যম এবং অন্যান্য সংস্থার একত্রিত সহযোগিতার আহ্বান জানিয়েছেন।

প্রকল্প সম্পর্কিত তথ্য

সমষ্টি ফাউন্ডেশনের আয়োজনে এবং যুক্তরাষ্ট্রের গ্লোবাল হেলথ অ্যাডভোকেসি ইনকিউবেটরের সহযোগিতায় এ আলোচনায় সরকারি কর্মকর্তা, উন্নয়ন সহযোগী, বেসরকারি খাতের প্রতিনিধি এবং বিশেষজ্ঞরা অংশ নিয়েছেন। সমষ্টির নির্বাহী পরিচালক মীর মাসরুরুজ্জামান জানান, প্রতি বছর দেশে পানিতে ডুবে মৃত্যুর হার বেশি হলেও টেকসই অর্থায়ন ছাড়া কার্যক্রমের দীর্ঘমেয়াদি সফলতা কঠিন হয়ে আসছে। এ লক্ষ্য অর্জনে নির্দিষ্ট অর্থ এবং বাজেট কাঠামো প্রয়োজন। সমষ্টির গবেষণা ও যোগাযোগ পরিচালক রেজাউল হক বলেন, জাতীয় কর্মপরিকল্পনা অনুযায়ী ২০৩০ সালের মধ্যে পানিতে ডুবে মৃত্যু হার প্রায় ৫০ শতাংশ কমানোর লক্ষ্য রয়েছে। বর্তমানে দেশে প্রতি বছর ১৮ হাজারের বেশি মানুষ পানিতে ডুবে মারা যাচ্ছে। যার মধ্যে শিশুদের সংখ্যা দুর্দম নয়। গবেষণার মতে প্রতি বছর দেশে বেশিরভাগ পানিতে ডুবে মৃত্যু শিশুদের জন্য ঘটে।

পানিতে ডুবে শিশু মৃত্যু প্রতিরোধে সংস্থাগুলো সহযোগিতা করার প্রয়োজন আছে। সমষ্টি ফাউন্ডেশনের পরিচালক বলেন, সংকট দুর্ঘটনাগুলো প্রাথমিক পরিচালনা বিষয়ে সংস্থাগুলোকে বেসরকারি খাতের সহযোগিতা অপরিহার্য। কারণ পানিতে ডুবে মৃত্যু প্রতিরোধে জনগণের মধ্যে সচেতনতা তৈরি করতে বেসরকারি খাতের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। উন্নয়ন সহযোগীরা এ বিষয়ে সম্প্রতি কিছু প্রকল্প চালু করেছেন।

অর্থায়ন সংক্রান্ত বিষয়গুলো

আইসিবিসি প্রকল্পের দ্বিতীয় পর্যায় অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. কাজী মারুফুল ইসলাম বলেন, পানিতে ডুবে মৃত্যু প্রতিরোধকে শুধু একটি প্রকল্প হিসেবে নয়, বরং ধারাবাহিক সামাজিক সেবা হিসেবে বিবেচনা করতে হবে। পানিতে ডুবে শিশু মৃত্যু প্রতিরোধে সময়ের সাথে সাথে টেকসই অর্থায়নের সংস্থাগুলো �