Bangladailypost
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

ঢাকায় ইন্টারন্যাশনাল সিকিউরিটি অ্যান্ড সেফটি এক্সপো শুরু ১৭ সেপ্টেম্বর

Published September 11, 2026 · Updated September 11, 2026 · By Elizabeth Martin - bangladailypost.com

Foto : Elizabeth Martin - bangladailypost.com

সেপ্টেম্বরে ঢাকায় নিরাপত্তা ও কর্মক্ষেত্র সুরক্ষার দুই আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী

Bangladailypost.com – ঢ ক য় ইন ট রন য - নিরাপত্তা প্রযুক্তি, অগ্নিঝুঁকি নিয়ন্ত্রণ এবং কর্মক্ষেত্রে সুরক্ষাব্যবস্থা নিয়ে দেশি-বিদেশি প্রতিষ্ঠানগুলোর অংশগ্রহণে ঢাকায় বসছে দুটি আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী। আগামী ১৭ থেকে ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত রাজধানীর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরা (আইসিসিবি)-তে অনুষ্ঠিত হবে দ্বিতীয় ইন্টারন্যাশনাল সিকিউরিটি এক্সপো-২০২৬ এবং অকুপেশনাল সেফটি, হেলথ অ্যান্ড ফায়ার এক্সপো-২০২৬।

তিন দিনের এ আয়োজন যৌথভাবে করছে প্রযুক্তিপণ্য ও সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান আই-স্টেশন লিমিটেড এবং তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবসায়ীদের সংগঠন বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতি (বিসিএস)। প্রদর্শনী দুটি একই ভেন্যুতে চলবে ১৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত।

নিরাপত্তা প্রযুক্তির নতুন সমাধান এক ছাদের নিচে

ইন্টারন্যাশনাল সিকিউরিটি এক্সপোতে আধুনিক নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনার নানা প্রযুক্তি ও পণ্য প্রদর্শনের কথা রয়েছে। এর মধ্যে সার্ভেইল্যান্স ও মনিটরিং ব্যবস্থা, সাইবার সিকিউরিটি, অ্যাকসেস কন্ট্রোল, বায়োমেট্রিক প্রযুক্তি, নিরাপত্তা সফটওয়্যার, নেটওয়ার্কিং সুইচ এবং ডিজিটাল ভল্ট থাকবে। সরকারি ও বেসরকারি খাতের উপযোগী বিভিন্ন নিরাপত্তা সরঞ্জাম এবং সমন্বিত সমাধানও সেখানে তুলে ধরা হবে।

বর্তমানে প্রতিষ্ঠান, শিল্পকারখানা ও বিভিন্ন অবকাঠামো ব্যবস্থাপনায় স্মার্ট এবং সংযুক্ত প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ছে। এর সঙ্গে ডিজিটাল ও বাস্তব নিরাপত্তাঝুঁকির বিষয়টিও গুরুত্ব পাচ্ছে। প্রদর্শনীটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও সংশ্লিষ্ট পেশাজীবীদের জন্য নতুন প্রযুক্তি সরাসরি দেখার পাশাপাশি নিজেদের বিদ্যমান নিরাপত্তা কাঠামো মূল্যায়নের সুযোগ তৈরি করতে পারে।

নিরাপদ ও প্রযুক্তিনির্ভর আগামীর জন্য শক্তিশালী ও আধুনিক নিরাপত্তাব্যবস্থা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। বর্তমান সময়ে প্রযুক্তির দ্রুত বিকাশের সঙ্গে সঙ্গে নিরাপত্তাঝুঁকিও বাড়ছে।

বিসিএস সভাপতি মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম বলেন, ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান ও রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে কার্যকর সুরক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলার পাশাপাশি আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো প্রয়োজন। তার ভাষ্য, প্রদর্শনীতে অংশ নেওয়া দেশি ও বিদেশি প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের উদ্ভাবনী পণ্য ও সর্বাধুনিক প্রযুক্তি তুলে ধরবে। ফলে দর্শনার্থীরা এসব প্রযুক্তির ব্যবহার ও সম্ভাবনা সম্পর্কে সরাসরি ধারণা নিতে পারবেন।

কর্মক্ষেত্র, স্বাস্থ্য ও অগ্নিনিরাপত্তায় গুরুত্ব

একই সময়ে আয়োজিত অকুপেশনাল সেফটি, হেলথ অ্যান্ড ফায়ার এক্সপো-২০২৬-এ শিল্প ও কর্মক্ষেত্রের নিরাপত্তাসংক্রান্ত প্রযুক্তি প্রাধান্য পাবে। পার্সোনাল প্রোটেকটিভ ইকুইপমেন্ট বা পিপিই, শিল্প নিরাপত্তাব্যবস্থা, অগ্নি শনাক্তকরণ ও সুরক্ষা প্রযুক্তি, জরুরি পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার উপকরণ, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা এবং কর্মক্ষেত্রের স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তাবিষয়ক সমাধান সেখানে থাকবে। আন্তর্জাতিক সেফটি ও কমপ্লায়েন্স মানদণ্ড-সংশ্লিষ্ট পণ্য ও প্রযুক্তিও প্রদর্শনের পরিকল্পনা রয়েছে।

দেশে শিল্পায়ন, নগরায়ণ এবং অবকাঠামো উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করার প্রয়োজন আরও সামনে এসেছে। অগ্নিঝুঁকি প্রতিরোধ, জরুরি প্রস্তুতি, কর্মীদের ব্যক্তিগত সুরক্ষা এবং ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা—এসব বিষয় কার্যকরভাবে সমন্বয় করতে আধুনিক প্রযুক্তি ও পরিকল্পিত ব্যবস্থাপনা গুরুত্বপূর্ণ। এ প্রদর্শনী শিল্পখাতের প্রতিনিধিদের জন্য প্রয়োজনভিত্তিক প্রযুক্তি ও সমাধান খুঁজে দেখার একটি কার্যকর ক্ষেত্র হতে পারে।

ইন্টারন্যাশনাল সিকিউরিটি এক্সপো ২০২৬-এ নিরাপত্তা ও সুরক্ষা ব্যবস্থাপনার সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ও পণ্য প্রদর্শিত হবে।

আই-স্টেশন লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মধু সুদন সাহা বলেন, স্মার্ট ও সংযুক্ত প্রযুক্তির ব্যবহার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও অবকাঠামো ব্যবস্থাপনায় দ্রুত বাড়ছে। তার মতে, এ আয়োজনের মাধ্যমে ব্যবসায়ী ও প্রতিষ্ঠানগুলো আধুনিক নিরাপত্তা প্রযুক্তি সম্পর্কে জানার সুযোগ পাবেন এবং নিজেদের সুরক্ষাব্যবস্থা আরও কার্যকর করার পথ খুঁজতে পারবেন।

১০ দেশের প্রায় ১৫০ ব্র্যান্ডের অংশগ্রহণের প্রত্যাশা

আয়োজকদের প্রত্যাশা, দুই প্রদর্শনীতে প্রায় ১০টি দেশের ১৫০টির মতো শীর্ষস্থানীয় ব্র্যান্ড অংশ নেবে। ট্রেড ভিজিটরের সংখ্যা প্রায় পাঁচ হাজার হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। প্রস্তুতকারক, প্রযুক্তি সরবরাহকারী, ডিস্ট্রিবিউটর, শিল্পপ্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি, সেফটি প্রফেশনাল, ব্যবসায়ী এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণকারীদের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগের সুযোগ থাকবে এ আয়োজনে।

এ ধরনের মিলনমেলা শুধু পণ্য প্রদর্শনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। নতুন প্রযুক্তি সম্পর্কে ধারণা নেওয়া, সম্ভাব্য ব্যবসায়িক অংশীদার খোঁজা, সুরক্ষা ব্যবস্থাপনার প্রয়োজন নির্ধারণ এবং বিভিন্ন খাতের বাস্তব অভিজ্ঞতা বিনিময়ের ক্ষেত্রও তৈরি হয়। দেশি ও বিদেশি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে প্রযুক্তি বিনিময় এবং ব্যবসায়িক সম্পর্ক গড়ে ওঠার সুযোগও এতে বাড়তে পারে।

সেমিনারে থাকবে জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের সুযোগ

দুটি প্রদর্শনীর পাশাপাশি নিরাপত্তা, কর্মক্ষেত্র সুরক্ষা, প্রযুক্তির ব্যবহার এবং শিল্পখাতের ভবিষ্যৎ নিয়ে দুটি সেমিনার আয়োজনের কথা রয়েছে। এসব আলোচনায় নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ, প্রযুক্তি খাতের প্রতিনিধি এবং সুরক্ষা ব্যবস্থাপনার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের মধ্যে জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের সুযোগ তৈরি হবে।

দর্শনার্থীরা সর্বশেষ উদ্ভাবন সরাসরি দেখার পাশাপাশি সিকিউরিটি ও সেফটি খাতের পরিবর্তনশীল প্রবণতা সম্পর্কে জানতে পারবেন। আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে প্রতিষ্ঠানগুলো কীভাবে আরও নিরাপদ, সুরক্ষিত এবং ঝুঁকি-সচেতন কর্মপরিবেশ তৈরি করতে পারে, সে বিষয়ে বাস্তবভিত্তিক ধারণাও মিলবে এ আয়োজন থেকে।

Related Reading

Frequently Asked Questions

What is ঢ ক য় ইন ট রন য?

ঢ ক য় ইন ট রন য is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.

Why does ঢ ক য় ইন ট রন য matter?

ঢ ক য় ইন ট রন য matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.