Bangladailypost
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

ডিএসসিসি: তেল চুরির অভিযোগে পরিবহন তত্ত্বাধায়ক আরিফ চৌধুরীকে অব্যাহতি

Published June 17, 2026 · Updated July 21, 2026 · By John Jones - bangladailypost.com

Foto : John Jones - bangladailypost.com

ডিএসসিসি: তেল চুরির অভিযোগে পরিবহন তত্ত্বাধায়ক আরিফ চৌধুরীকে অব্যাহতি

Bangladailypost.com – ড এসস স নিয়ে চলমান বিতর্কের মধ্যে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) পরিবহন তত্ত্বাধায়ক আরিফ চৌধুরী পরিবহন তত্ত্বাবধায়কের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি পেয়েছেন। তাঁর বিরুদ্ধে তেল চুরি এবং জালিয়াতির অভিযোগ বিভিন্ন তদন্ত বিষয়ে প্রমাণ পেয়েছে। আরিফ চৌধুরীকে তার মূল কর্মস্থল অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিকে (কেন্দ্রীয় পরিবহন পুলে) ফেরত পাঠানো হয়েছে। এই পদ ছাড়ের পরিণতি নিয়ে আরও বিশদ বিশ্লেষণ করা হচ্ছে যাতে পরবর্তী কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করা যায়।

তেল চুরির অভিযোগ ও তদন্ত প্রক্রিয়া

আরিফ চৌধুরীর বিরুদ্ধে কোটি টাকার জ্বালানি তেল চুরি ও জালিয়াতির অভিযোগ তিনি মূলত নিজস্ব তদন্তের মাধ্যমে প্রমাণিত হয়েছে। পরিবহন বিভাগের সম্প্রতি প্রকাশিত রিপোর্ট অনুযায়ী কোটি টাকার জ্বালানি সম্পর্কে নূন্যতম তিনটি সাক্ষ্য পাওয়া গেছে যার মধ্যে চালান তালিকার ভিত্তিতে প্রমাণ জমা দেয়া হয়েছে। এছাড়া দুর্নীতি দমন কমিশনের তদন্ত চলছে যাতে তিনি বিএনপির শ্রমিক দল সংগঠনের একটি অংশের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

তালার আন্দোলন এবং তার প্রভাব

ডিএসসিসি তালার আন্দোলন চালিয়েছিল যার মূল কারণ হলো পরিবহন কর্মকর্তার কার্যপ্রণালী ও দুর্নীতির আরোপ। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে তিনি প্রাপ্তি মূল্যে বেশি তেল সরবরাহ করেছেন এবং অতিরিক্ত সংখ্যক চালান প্রক্রিয়া করেছেন। এই আন্দোলনের ফলে আরিফ চৌধুরী পরিবহন তত্ত্বাধায়ক হিসেবে তার মূল কর্মস্থলে নামিয়ে দেয়া হয়েছে যার পরিণতি নিয়ে আরও ক্রমবর্ধমান আলোচনা চলছে।

তদন্ত প্রক্রিয়া ও বিতর্ক

তেল চুরি অভিযোগের প্রমাণ পেয়ে ডিএসসিসি কর্তৃপক্ষ আরিফ চৌধুরীকে তার দায়িত্ব থেকে বরখাস্ত করেছে। তিনি প্রাথমিক তদন্ত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এ অভিযোগের তারতম্য বুঝতে সক্ষম হন। তবে বিতর্ক চলছে যে তেল চুরি অভিযোগে নিরপেক্ষতা কিংবা কোনো অপরাধের প্রমাণ কি সঠিক ভাবে জমা দেয়া হয়েছে। আরিফ চৌধুরী এই বিষয়ে দুদক ও ডিএসসিসি এর তদন্ত প্রক্রিয়াকে আলোচনা করেছেন যে কোনো অতিরিক্ত খরচ অবিচ্ছিন্ন হয়ে থাকে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছাকাছি আন্দোলন

পরিবহন তত্ত্বাধায়ক আরিফ চৌধুরীর বিরুদ্ধে তেল চুরি অভিযোগ প্রাথমিক চালানের মাধ্যমে প্রমাণিত হয়েছে। তিনি কেন্দ্রীয় পরিবহন পুলে প্রশাসন করেছেন যার মধ্যে বিএনপির শ্রমিক দল সংগঠন সহায়তা করেছে। এই আন্দোলন পরিবহন ব্যবস্থার ওপর কার্যকারী কর্মকর্তার অপরাধ প্রমাণের প্রস্তাব অবতরণ করেছে।

অব্যাহতি এবং আগামী পদক্ষেপ