জনশক্তি রপ্তানির নামে অর্থ আত্মসাৎ, দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদ দুদকের
মালয়েশিয়ায় শ্রমিক পাঠানোর প্রক্রিয়ায় কোটি কোটি টাকার অনিয়ম: দুদকের তদন্তে জিজ্ঞাসাবাদ
Bangladailypost.com – জনশক ত রপ ত ন র ন - মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে কর্মী পাঠানোর নামে প্রায় ১০০টি রিক্রুটিং এজেন্সির বিরুদ্ধে অতিরিক্ত অর্থ আদাও ও আত্মসাৎয়ের অভিযোগ তদন্তে নিয়োজিত আছে দুর্নীতি দমন কমিশন। এই তদন্তেরই অংশ হিসেবে সোমবার (১৭ জুলাই) রাজধানীর সেগুনবাগিচা অবস্থিত দুদকের প্রধান কার্যালয়ে দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত চলে জিজ্ঞাসাবাদের সেশন।
৫৪ কোটি টাকার অভিযোগে জিজ্ঞাসাবাদ
রিক্রুটিং এজেন্সি 'দি জিএমজি অ্যাসোসিয়েটস'-এর চেয়ারম্যান গোলাম মাওলাসহ আরও একজনকে জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি করা হয়। মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর প্রক্রিয়ায় প্রায় ৫৪ কোটি টাকা আত্মসাৎয়ের অভিযোগে দায়ের করা মামলার তদন্তেরই ধারাবাহিকতা হিসেবে এই জিজ্ঞাসাবাদ পরিচালিত হয়। সংস্থার উপপরিচালক আকতারুল ইসলাম জাগো নিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
নির্ধারিত ফি-র বাইরে কত টাকা নেওয়া হয়েছিল
দুদকের তথ্য অনুযায়ী, মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠাতে সরকার নির্ধারিত ব্যয় ছিল ৭৯ হাজার টাকা। কিন্তু সিন্ডিকেটের মাধ্যমে পাঠানোর ক্ষেত্রে এজেন্সিগুলো শ্রমিকদের কাছ থেকে এর চেয়ে কয়েক গুণ বেশি অর্থ আদায় করেছে। কিছু ক্ষেত্রে ৪ লাখ থেকে ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত অতিরিক্ত আদায়ের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এর আগে প্রায় ৮ হাজার কোটি টাকা লুটপাটের অভিযোগে ২৩২ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে দুদক। এসব মামলার তদন্তের অংশ হিসেবেই সংশ্লিষ্ট এজেন্সির কর্মকর্তাদের পর্যায়ক্রমে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
গোলাম মাওলার বক্তব্য
মালয়েশিয়াগামী শ্রমিকদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগে দুদক যে মামলা করেছে, সে বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদে অংশ নিতে এসেছি। তবে এসব মামলার ভিত্তি নেই।
জিজ্ঞাসাবাদ শেষে দুপুরে জাগো নিউজকে গোলাম মাওলা জানান, প্রয়োজনীয় তথ্য উপাত্ত দুদক কর্মকর্তার সামনে উপস্থাপন করা হয়েছে। অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা কি না—এ প্রশ্নে তিনি বলেন, সবই মিথ্যা নয়, কিছু বিষয়ে অনিয়ম হয়েছে। তবে সবাই অর্থ আত্মসাৎ করেছে—এমন ঢালাও অভিযোগের ভিত্তি নেই।
তদন্তের দিকনির্দেশ
দুদকের তদন্তে খতিয়ে দেখা হচ্ছে—মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর পুরো প্রক্রিয়ায় কোন কোন এজেন্সি কীভাবে যুক্ত ছিল, শ্রমিকদের কাছ থেকে কত টাকা আদায় হয়েছে, এবং নির্ধারিত ফি-র বাইরে নেওয়া অর্থ কোথায় প্রবাহিত হয়েছে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে দুদকের তদন্ত সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
Related Reading
Frequently Asked Questions
What is জনশক ত রপ ত ন র ন?জনশক ত রপ ত ন র ন is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.
Why does জনশক ত রপ ত ন র ন matter?জনশক ত রপ ত ন র ন matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.