চ ন র ত র ল ইট – কর্ণফুলীতে আটক ৪ ব্যক্তি লাইটার রিভলবার বলে বিক্রি করার অভিযোগে
চ ন র ত র ল ইট কর্ণফুলী উপজেলার চরফরিদ এলাকায় একটি গুরুতর অভিযোগ তোলা হয়েছে, যেখানে চীনে তৈরি একটি লাইটারকে রিভলবার আকারে বিক্রির চেষ্টা করা হয়েছে। রোববার (২৮ জুন) বিকেলে চরফরিদ এলাকার আফাজ আলী মুন্সিবাড়ির সামনে অভিযান চালিয়ে চার ব্যক্তি গ্রেফতার করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে এবং সেটি চ ন র ত র ল ইট বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তদন্ত করার পর উদ্ভূত হয়েছে।
একটি গোপন অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে
পুলিশ গোপন সংবাদ পেয়ে চ ন র ত র ল ইট সম্পর্কে অভিযান চালিয়েছে, যেখানে দুর্ব্যবহার করা হয়েছে। আটক করা চার ব্যক্তি হলো মো. আকিব হোসেন (১৮), মো. শহিদুল ইসলাম (২০), মো. ইকরাম হোসেন (১৯) এবং মো. রুবেল হোসেন হৃদয় (১৯)। তাদের কাছ থেকে একটি রিভলবারের মতো দেখতে এবং তৈরি করা হয়েছে চীনে লাইটার উদ্ধার করা হয়। পুলিশ জানায়, লাইটারটি চীনে নির্মিত এবং ব্যবহারের জন্য আগ্নেয়াস্ত্র হিসেবে বিক্রি করার চেষ্টা করছিল এবং এটি গ্যাসচালিত সাধারণ যন্ত্র কিন্তু আটক করা ব্যক্তিরা এটিকে আগ্নেয়াস্ত্র বলে প্রতারণা করেছিল।
তদন্তে জানা গেছে যে লাইটারটি বিশেষ রকম সংকেত দিয়ে রিভলবারের মতো দেখায় এবং এটি নিরাপত্তা বাড়ানোর উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হয়। পুলিশ অভিযোগে গোপন সংবাদ পেয়ে তাদের বিক্রি প্রক্রিয়া বন্ধ করার জন্য অভিযান চালিয়েছে। কর্ণফুলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. ইফতেখার উদ্দিন বলেন, লাইটারটি চীনে তৈরি করা হয়েছে এবং এটি আটক করা ব্যক্তিরা গ্যাস চালিত যন্ত্র হিসেবে বিক্রি করছিল।
এই ঘটনার পর বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে কারণ চীনে তৈরি লাইটারগুলি বিশেষ ভাবে রিভলবারের মতো দেখতে এবং ব্যবহার করতে পারে। তারা আটক করা লাইটারটি আগ্নেয়াস্ত্র হিসেবে বিক্রি করার চেষ্টা করছিল যা বিশেষ ভাবে স্বাধীন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে এবং চ ন র ত র ল ইট সম্পর্কে প্রতিবেদন করা হচ্ছে।
চীনে তৈরি লাইটারগুলি সাধারণত গৃহ বা ব্যবসার জন্য ব্যবহৃত হয় কিন্তু বিশেষ ক্ষেত্রে এগুলি রিভলবার হিসেবে বিক্রি করার চেষ্টা করা হয়েছে। চার ব্যক্তি লাইটারটি চীনে তৈরি করেছিল এবং এটি চীনের উপকরণ থেকে তৈরি করা হয়েছে। পুলিশ অভিযোগ অনুযায়ী, তারা লাইটারটিকে আগ্নেয়াস্ত্র বলে প্রতারণা করেছিল এবং এটি সম্পূর্ণ রিভলবারের মতো দেখতে এবং ব্যবহার করতে পারে।
গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিদের নাম হলো মো. আকিব হোসেন, মো. শহিদুল ইসলাম, মো. ইকরাম হোসেন এবং মো. রুবেল �