Bangladailypost
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

চট্টগ্রাম বিভাগ / বন্যা-পাহাড়ধসে ৬ দিনে ৪৩ প্রাণহানি, ক্ষতিগ্রস্ত ৮ লাখ ৬৭ হাজার মানুষ

Published July 12, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Joseph Hernandez - bangladailypost.com

Foto : Joseph Hernandez - bangladailypost.com

Bangladailypost.com – চট টগ র ম ব ভ গ - ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি, পাহাড়ি ঢল ও পাহাড়ধসে গত ছয় দিনে চট্টগ্রাম বিভাগে অন্তত ৪৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন প্রায় ৮ লাখ ৬৭ হাজার মানুষ। এছাড়া টানা বর্ষণে চট্টগ্রাম অঞ্চলের ২৪২ কিলোমিটার সড়ক পানির নিচে তলিয়ে গেছে। শনিবার (১১ জুলাই) রাতে চট্টগ্রাম বিভাগীয় প্রশাসনের প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। বিভাগীয় প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, বন্যা ও পাহাড়ধসে চট্টগ্রাম জেলায় ১১ জন, কক্সবাজারে ২৩ জন (এর মধ্যে ১৩ জন রোহিঙ্গা), রাঙামাটি জেলায় ৩ জন এবং বান্দরবানে ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। সব মিলিয়ে প্রাণহানির সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪৩ জনে। এছাড়া চট্টগ্রামে ১২ জন, কক্সবাজারে ২৪ জন (এর মধ্যে পাঁচজন রোহিঙ্গা), খাগড়াছড়িতে একজন এবং বান্দরবানে দুইজন আহত হয়েছেন। মোট আহতের সংখ্যা ৩৯ জন। চলমান বন্যায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে চট্টগ্রাম জেলা। এ জেলায় ৬ লাখ ৬২ হাজার মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। কক্সবাজারে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন এক লাখ ৫৮ হাজার ২৭ জন, খাগড়াছড়িতে ৩৪ হাজার ৪১৭ জন, বান্দরবানে ৮ হাজার ৩৫০ জন এবং রাঙামাটিতে ৩ হাজার ৮২০ জন। সব মিলিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮ লাখ ৬৬ হাজার ৬১৪ জনে। দুর্গত মানুষের আশ্রয়ের জন্য বিভাগজুড়ে এক হাজার ৭২৭টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। এর মধ্যে চট্টগ্রামে ৬৭০টি, কক্সবাজারে ৬৪০টি, রাঙামাটিতে ৪৭টি, খাগড়াছড়িতে ১৫০টি এবং বান্দরবানে ২২০টি আশ্রয়কেন্দ্র রয়েছে। এসব কেন্দ্রে বর্তমানে ৩৭ হাজার ৫৫ জন আশ্রয় নিয়েছেন। ত্রাণ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে চট্টগ্রাম জেলায় ৫৪০ টন চাল, ৪৩ লাখ টাকা, ৩০ হাজার ৭০০ প্যাকেট শুকনো খাবার এবং ১৭ হাজার ২৫০ প্যাকেট রান্না করা খাবার বিতরণ করা হয়েছে। এছাড়া কক্সবাজারে ১৮১ টন চাল, ১৭ লাখ ৭ হাজার ৫০০ টাকা ও শুকনো খাবার, রাঙামাটিতে ২৩৫ টন চাল ও ২০ লাখ টাকা, খাগড়াছড়িতে ৬৭ দশমিক ৬ টন চাল, ৮ লাখ টাকা এবং বিভিন্ন ধরনের খাদ্য সহায়তা বিতরণ করা হয়েছে। বান্দরবানের সাত উপজেলায় ২ লাখ ৪০ হাজার টাকা, ২ হাজার ৯৫৩ প্যাকেট শুকনো খাবার, ২৩৫ প্যাকেট শিশুখাদ্য, ডায়াপার ও স্যানিটারি ন্যাপকিন বিতরণ করা হয়েছে। পাশাপাশি ব্র্যাক, ওয়ার্ল্ড ভিশন, গ্রাউস ও সোনেসহ বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থার সহযোগিতায় বিতরণ করা হয়েছে আরও এক হাজার ৮৪৫ প্যাকেট শুকনো খাবার। এছাড়া জেলার জন্য অতিরিক্ত ৬৮ টন চাল ও ১০ লাখ ৫০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।