কড়াকড়ি শিথিল হতেই ঢাবি ক্যাম্পাসে বহিরাগতদের ঢল
ঢাবি ক্যাম্পাসে বহিরাগতদের ঢল: কড় কড়ি শিথিল হতেই পরিবর্তন
Bangladailypost.com – কড় কড় শ থ ল হত ই - ফিফা বিশ্বকাপ-২০২৬ ফুটবল ফাইনাল ম্যাচ ঘিরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কড় কড়ি শিথিল হয়েছে। শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার স্বার্থে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত বহিরাগতদের প্রবেশ নিয়ন্ত্রণের প্রস্তাব দেয়া হয়। এ প্রস্তাবের আওতায় শাহবাগ, দোয়েল চত্বর, শিববাড়ি ক্রসিং, ফুলার রোড ও নীলক্ষেত প্রবেশপথগুলোতে অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা প্রবৰ্তিত হয়। কড় কড়ি শিথিল হতে শুরু হওয়ার পর থেকে এসব প্রবেশপথে নিরাপত্তাকর্মী ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের সংখ্যা কমে গেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টিকারযুক্ত যানবাহন ও জরুরি সেবার যানবাহন ছাড়া অন্য যানবাহনের প্রবেশ সীমিত রাখা হয়।
কড় কড়ি শিথিল হওয়ার পর ক্যাম্পাসে উপস্থিতি বৃদ্ধি
রাত সাড়ে ১১টার পর পরিস্থিতি আরও পরিবর্তন হয়। কড় কড়ি শিথিল হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে টিএসসি, স্বোপার্জিত স্বাধীনতা চত্বর, রাজু ভাস্কর্য সংলগ্ন এলাকা ও বড় পর্দায় খেলা দেখানোর বিভিন্ন স্থানে দর্শকদের ভিড় আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। কেউ রিকশায়, কেউ মোটরসাইকেলে, আবার অনেকে ব্যক্তিগত গাড়ি নিয়ে ক্যাম্পাসে প্রবেশ করছে। টিএসসি এলাকায় রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দর্শকদের উপস্থিতি আরও বাড়ছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন কেন্দ্র করে ক্যাম্পাসে খেলা উপভোগ ও বিজয় উদযাপনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
কড় কড়ি শিথিল হয়েছে কারণ শিক্ষার্থীদের সার্বিক নিরাপত্তার স্বার্থে প্রথমে সব বহিরাগত প্রবেশ বন্ধ করা হয়। এতে প্রথম দিন কিছু সমস্যা ছিল বটে, কিন্তু পরে শিক্ষার্থীদের সহযোগিতার কারণে সব চূড়ান্ত প্রবেশপথে নিয়ন্ত্রণ আরও আরামবোধক হয়ে গেছে। এ বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে প্রশাসনের কোনো বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি, তবে বিশ্বকাপের ফাইনাল ঘিরে পুরো ক্যাম্পাসে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে।
“কড় কড়ি শিথিল হতে শুরু হওয়ার পর আমরা সহজেই ক্যাম্পাসে আসতে পারছি। বড় পর্দায় খেলা দেখার আলাদা আনন্দ আছে।” বলেন টিএসসি এলাকায় খেলা দেখতে আসা মো. রাকিব হাসান।
অন্য দর্শনার্থী সাব্বির আহমেদ বলেন, “বিশ্বকাপের ফাইনাল ঘিরে ঢাবি ক্যাম্পাস সবসময়ই উৎসবমুখর থাকে। তাই বন্ধুদের নিয়ে আমরা এখানে এসেছি।” এ প্রসঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মেহেদী হাসান বলেন, শুরুতে কড় কড়ি শিথিল হয়েছিল তবে পরে বহিরাগতদের অনেককেই প্রবেশ করতে দেখেছি। এতে মানুষের উপস্থিতি আরও বেড়ে গেছে।
তবে কড় কড়ি শিথিল হতে শুরু হওয়ার আগে ক্যাম্পাসে নিরাপত্তা বেশ কঠোর ছিল। শনিবার বিকেলে প্রশাসন জানানো হয় যে ফাইনাল ম্যাচের জন্য শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচার