Bangladailypost
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

কেওড়াজল ও ক্ষতিকর রং মিশিয়ে খাদ্য তৈরি, জরিমানা ২০ হাজার টাকা

Published August 3, 2026 · Updated August 3, 2026 · By Mary Williams - bangladailypost.com

Foto : Mary Williams - bangladailypost.com

পাহাড়তলীতে ভোক্তা অধিকার অভিযান: দুটি প্রতিষ্ঠানের জরিমানা

Bangladailypost.com – ক ওড় জল ও ক ষত কর - চট্টগ্রাম নগরের পাহাড়তলী এলাকায় সম্প্রতি একটি কার্যকরী অভিযান পরিচালনা করে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। এই অভিযানের মাধ্যমে দুটি প্রতিষ্ঠানকে মোট ত্রিশ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। সোমবার, তিন আগস্ট তারিখে এই অভিযানটি সফলভাবে সম্পন্ন হয়। ভোক্তাদের স্বার্থে এ ধরনের তদারকি কাজ নিয়মিত চালিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

অভিযানটির নেতৃত্ব দেন অধিদপ্তরের চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয়ের উপ-পরিচালক ফয়েজ উল্যাহ। অভিযানে অংশগ্রহণকারী কর্মকর্তারা বিভিন্ন ধরনের লঙ্ঘন শনাক্ত করেন। বিশেষ করে খাদ্য পণ্যে ক্ষতিকর রাসায়নিক ও রং মিশানোর অভিযোগ উঠেছিল। এছাড়াও মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রির ঘটনাও সামনে আসে।

জরিমানার বিস্তারিত তথ্য

পাহাড়তলীর জাবেদ ফার্মেসি মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রির অপরাধে দশ হাজার টাকা জরিমানা প্রদান করে। অন্যদিকে, ওরশ বাড়ি নামের প্রতিষ্ঠানটি দুটি গুরুতর অভিযোগে আটকা পড়ে। প্রথমত, অপরিচ্ছন্ন পরিবেশে খাদ্য উৎপাদন এবং দ্বিতীয়ত, নিষিদ্ধ ক্ষতিকর রাসায়নিক কেওড়াজল ও রং মিশিয়ে মরিচ ব্যবহার করে খাদ্য প্রস্তুত করার অভিযোগে এটি আটকা পড়ে। এই দুটি কারণে ওরশ বাড়িকে বিশ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

এই অভিযানে দেখা যায় যে অনেক ক্ষুদ্র ও মাঝারি প্রতিষ্ঠানই ভোক্তাদের অধিকার লঙ্ঘন করছে। বিশেষ করে খাদ্য পণ্যে ব্যবহৃত কেওড়াজল ও ক ষত রং মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। এ ধরনের পণ্য নিয়মিত খেলে বিভিন্ন ধরনের রোগব্যাধি হতে পারে। তাই ভোক্তাদের সচেতন হওয়া জরুরি।

জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান নিয়মিত পরিচালিত হবে। ভোক্তাদের অধিকার রক্ষায় এমন তদারকি কাজ চলতে থাকবে।

উপ-পরিচালক ফয়েজ উল্যাহ জাগো নিউজকে এই কথাগুলো জানান। তিনি নিশ্চিত করেন যে ভোক্তাদের অধিকার রক্ষায় এমন তদারকি কাজ চলতে থাকবে। এছাড়াও তিনি জানান যে ভোক্তারা প্রয়োজনে সরাসরি অভিযোগ করতে পারেন।

ভোক্তাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

খাদ্য পণ্য ক্রয়ের সময় ভোক্তাদের অবশ্যই প্যাকেটের মেয়াদ ও উপাদান তালিকা পরীক্ষা করতে হবে। বিশেষ করে মরিচ ও অন্যান্য মশলায় কেওড়াজল ও ক ষত রং মিশানোর ঘটনা বারবার ঘটছে। তাই সতর্ক থাকতে হবে। এ ধরনের পণ্য ক্রয় করলে ভোক্তারা জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরে অভিযোগ করতে পারেন।

প্রশ্নোত্তর

ক ওড় জল ও ক ষত রং কী কী স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে? এই রাসায়নিকগুলো ক্যান্সার, ত্বকের রোগ, এবং হজমতন্ত্রের সমস্যা তৈরি করতে পারে। দীর্ঘমেয়াদে এগুলো মানবদেহের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর।

ভোক্তারা কোথায় অভিযোগ করতে পারেন? ভোক্তারা সরাসরি জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয়ে বা অনলাইনে অভিযোগ করতে পারেন।

জরিমানার টাকা কীভাবে ব্যবহৃত হয়? জরিমানার টাকা ভোক্তাদের অধিকার রক্ষা ও সচেতনতামূলক কর্মকাণ্ডে ব্যবহৃত হয়।

Related Reading

Frequently Asked Questions

What is ক ওড় জল ও ক ষত কর?

ক ওড় জল ও ক ষত কর is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.

Why does ক ওড় জল ও ক ষত কর matter?

ক ওড় জল ও ক ষত কর matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.