Bangladailypost
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

এপিবিএনকে সাইবার অপরাধ তদন্তের ক্ষমতা দিয়ে নতুন আইন

Published September 7, 2026 · Updated September 7, 2026 · By Joseph Hernandez - bangladailypost.com

Foto : Joseph Hernandez - bangladailypost.com

এপিবিএনের হাতে নতুন করে গড়ে উঠছে সাইবার তদন্ত ও মানবতাবিরোধী অপরাধ দমনের প্রশস্ত ক্ষমতা

Bangladailypost.com – এপ ব এনক স ইব র অপর - সাইবার জগতে ছড়িয়ে পড়া অপরাধ থেকে শুরু করে গুম, ভূমিদস্যুতা, মানবপাচার ও সংঘবদ্ধ অপরাধ — এই সব ক্ষেত্রে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নকে (এপিবিএন) আরও গভীর ভূমিকা দিতে যাচ্ছে একটি নতুন আইনি কাঠামো। ১৯৭৯ সালের পুরনো অর্ডিন্যান্সের বদলে 'আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) বিল, ২০২৬' নামে প্রস্তাবিত এই আইন এপিবিএনের সাংগঠনিক গঠন, দায়িত্ব, তদন্ত ক্ষমতা, শৃঙ্খলা বিধান এবং বিচার-দণ্ড ব্যবস্থাকে সম্পূর্ণ নতুনভাবে পুনর্গঠিত করছে।

সংসদীয় প্রক্রিয়ায় বিলের যাত্রা

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি গত ৬ সেপ্টেম্বর তার বৈঠকে এই বিলকে পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পরীক্ষা করে। পরদিন, ৭ সেপ্টেম্বর সোমবার, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের অধিবেশনে কমিটির সুপারিশ করা সংশোধিত বিলটি উপস্থাপন করেন বরিশাল-৩ আসনের সংসদ সদস্য জিন্নুল আবেদীন। কমিটি বিলের বিভিন্ন দিক বিশ্লেষণ করে একটি সংশোধনী সর্বসম্মতিক্রমে সুপারিশ করেছে।

বিলের দফা-৪-এর উপদফা (১)-এর দ্বিতীয় লাইনে 'ব্যাটালিয়ন' শব্দের পর '(এপিবিএন) প্রতিষ্ঠা,' শব্দগুলো, বন্ধনী ও কমা সন্নিবেশের সুপারিশ করা হয়েছে। এই ছোট্ট ভাষা-সংশোধনও আইনের পরিধি স্পষ্ট করার উদ্দেশ্যে।

দায়িত্বের নতুন পরিধি: সন্ত্রাস থেকে মানবতাবিরোধী অপরাধ

প্রস্তাবিত আইনে এপিবিএনের কার্যাবলির সীমানা উল্লেখযোগ্যভাবে প্রশস্ত করা হয়েছে। জননিরাপত্তা রক্ষা, রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীসহ সরকার ঘোষিত ভিআইপি ব্যক্তিদের নিরাপত্তা, সংশ্লিষ্ট বাহিনীকে সহযোগিতা, গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও বিমানবন্দরের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ — এসবই এপিবিএনের মূল দায়িত্বের মধ্যে থাকবে।

এছাড়া সন্ত্রাস ও সংঘবদ্ধ অপরাধ দমন, বেআইনি অস্ত্র-গোলাবারুদ-বিস্ফোরক উদ্ধার, মাদকবিরোধী কার্যক্রম, সাইবার অপরাধের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা, গুম ও ভূমিদস্যুতায় হস্তক্ষেপ, নারী ও শিশু নির্যাতন-ধর্ষণ-মানবপাচার-অপহরণসহ মানবতাবিরোধী কাজে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া এবং আইনশৃঙ্খলা-সংক্রান্ত গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ — সবগুলোই এপিবিএনের ওপর নতুনভাবে বহন করা হচ্ছে। আদালত, সরকার বা পুলিশ মহাপরিদর্শকের নির্দেশে এসব অপরাধের তদন্তে এপিবিএন সরাসরি জড়িত হতে পারবে।

সাইবার সেল ও সাংগঠনিক গঠন

প্রস্তাবিত আইনে এপিবিএনের অধীনে স্পেশাল সিকিউরিটি অ্যান্ড প্রটেকশন ব্যাটালিয়ন (এসপিবিএন), পার্বত্য ব্যাটালিয়ন, বিমানবন্দর ব্যাটালিয়নসহ অন্যান্য ইউনিট অন্তর্ভুক্ত থাকবে। কার্য সম্পাদনের সুবিধার্থে প্রতিটি ইউনিটে সাইবার সেল গঠনের সুযোগ রাখা হয়েছে। একই সঙ্গে অপরাধ তদন্তের জন্য হাজতখানা, মালখানা ও জিজ্ঞাসাবাদ কক্ষ রাখার বিধানও বিলে আছে।

এপিবিএনের প্রধান হিসেবে অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক পদমর্যাদার একজন কর্মকর্তা দায়িত্ব পালন করবেন। তিনি ইউনিটের প্রশাসনিক, আর্থিক ও অপারেশনাল ক্ষমতা প্রয়োগ করবেন। প্রশাসনিক ও আইনি বিষয় সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের জন্য আইনজীবী, মনোবিদ, চিকিৎসক, বিচারবিভাগীয় সদস্যসহ প্রয়োজনীয় নন-পুলিশ কর্মকর্তা ও কর্মচারী সরাসরি অথবা প্রেষণে নিয়োগের সুযোগও রাখা হয়েছে।

তদন্ত, গ্রেফতার ও জব্দের ক্ষমতা

ফৌজদারি কার্যবিধি ও বিদ্যমান অন্যান্য আইন অনুসরণ করে কোনো স্থানে প্রবেশ, তল্লাশি, জব্দ ও গ্রেফতারের ক্ষমতা এপিবিএনকে দেওয়া হচ্ছে। তবে কোনো সদস্য কাউকে গ্রেফতার করলে বা কোনো আলামত জব্দ করলে তা অনতিবিলম্বে নিকটবর্তী থানার হেফাজতে সোপর্দ বা হস্তান্তর করতে হবে। এ বিষয়ে যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে প্রতিবেদনও দিতে হবে।

আদালত, সরকার বা পুলিশ মহাপরিদর্শক যেকোনো সময়ে এপিবিএনের অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শককে কোনো ফৌজদারি অপরাধ তদন্তের নির্দেশ দিতে পারবেন। তবে পুলিশ উপপরিদর্শক পদমর্যাদার নিচে এমন কোনো সদস্যকে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া যাবে না।

দুই ধরনের বিশেষ আদালত ও দণ্ড ব্যবস্থা

বিলে এপিবিএন সদস্যদের অপরাধের বিচারের জন্য দুই ধরনের আদালত গঠনের বিধান রাখা হয়েছে — বিশেষ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন আদালত এবং সংক্ষিপ্ত আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন আদালত।

বিশেষ আদালতে বিদ্রোহ সংগঠন, বিদ্রোহে প্ররোচনা, বিদ্রোহের ষড়যন্ত্র, বিদ্রোহ দমনে যথাযথ চেষ্টা না করা, বিদ্রোহীদের সহায়তা করা এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার ওপর অপরাধজনক বলপ্রয়োগের মতো অপরাধের বিচার হবে। এসব অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হলে সর্বোচ্চ যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড অথবা অনূন্য পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং আর্থিক ক্ষতির ক্ষেত্রে সমপরিমাণ অর্থদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।

অন্যদিকে অস্ত্র, গোলাবারুদ, পোশাক বা যানবাহনের অংশবিশেষ নষ্ট করা বা হারিয়ে ফেলা, কর্তব্যরত অবস্থায় মাতাল হওয়া, ডিউটি পোস্ট বা টহল পরিত্যাগ, প্রহরারত অবস্থায় ঘুমিয়ে পড়া, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার আইনানুগ আদেশ অমান্য, চাঁদা আদায়, সম্পত্তি লুট বা ধ্বংসসহ বিভিন্ন অপরাধের বিচার হবে সংক্ষিপ্ত আদালতে। এসব অপরাধে সর্বোচ্চ তিন বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং আর্থিক ক্ষতির ক্ষেত্রে সমপরিমাণ অর্থদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।

আপিল, বরখাস্ত ও গণমাধ্যম বিধিনিষেধ

কোনো এপিবিএন সদস্য ৯০ দিনের বেশি কারাদণ্ডে দণ্ডিত হলে তাকে তাৎক্ষণিকভাবে চাকরি থেকে বরখাস্ত বলে গণ্য করা হবে। বিশেষ আদালতের দণ্ডের বির

Related Reading

Frequently Asked Questions

What is এপ ব এনক স ইব র অপর?

এপ ব এনক স ইব র অপর is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.

Why does এপ ব এনক স ইব র অপর matter?

এপ ব এনক স ইব র অপর matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.