Bangladailypost
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

আগে ফাঁকা গুলি পরে পায়ে, অস্ত্র পাচ্ছেন মাদক নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তারা

Published June 24, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Elizabeth Martin - bangladailypost.com

Foto : Elizabeth Martin - bangladailypost.com

মাদক বিরোধী অভিযানে অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা অস্ত্র ব্যবহারের অনুমতি পেলেন

Bangladailypost.com – আগ ফ ক গ ল পর প - মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি) দেশের মানুষকে মাদকের হুমায়ুন রক্ষা করতে সর্বাধিক দায়িত্বপালন করে। তারা অস্ত্র না থাকার কারণে ঝুঁকি নিয়ে নিয়মিত অভিযান চালাচ্ছিলেন। এতে তাদের আহত ও নিহতের সংখ্যা বেশি ছিল। যে দাবি দীর্ঘদিন ধরে তাদের ছিল মাঠে দায়িত্বরত কর্মকর্তাদের অস্ত্র দেওয়া, সেটি এখন সরকার দ্বারা সায় দেওয়া হয়েছে।

অস্ত্র অনুমোদনের পরিণতি

পুলিশের সহযোগিতা নিয়ে অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা কয়েক মাসের মধ্যে আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করতে পারবেন। বর্তমানে তাদের সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকের ট্রেজারি রুম বা জেলা পুলিশ লাইনসে অস্ত্রাগার সুরক্ষিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ১৮ বছরে অধিদপ্তরের নিরস্ত্র কর্মকর্তারা অভিযানের সময় অবৈধ মাদক উদ্ধারের পাশাপাশি কয়েক ধরনের অস্ত্র সংগ্রহ করেছেন।

“মাদক সংক্রান্ত অপরাধের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের হিংস্র ও সংঘবদ্ধ হওয়ায় নিরস্ত্র কর্মকর্তাদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে অভিযান পরিচালনা করতে হয়।”

অস্ত্র ব্যবহারের নীতিমালা অনুযায়ী যতদূর সম্ভব ন্যূনতম বলপ্রয়োগে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। প্রয়োজন হলে কেবল দুটি ফাঁকা গুলি পরে পায়ে অস্ত্র ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। নিরস্ত্র কর্মকর্তাদের প্রতি আদেশ প্রদানের আগে লাঠিপেটা ও অস্ত্রের বাঁট দিয়ে আঘাত করার চেষ্টা করতে হবে। কোনোভাবেই অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ করা যাবে না।

প্রশিক্ষণ ও অস্ত্র সংগ্রহ

রাজশাহীর সারদা পুলিশ একাডেমিতে মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ৫৭৯ জন কর্মকর্তা অস্ত্র বহন ও চালানোর প্রশিক্ষণ নেন। এখন পর্যন্ত ২৬০ জন কর্মকর্তার প্রশিক্ষণ শেষ হয়েছে। পর্যায়ক্রমে বাকি কর্মকর্তারাও এ প্রশিক্ষণে অংশ গ্রহণ করবেন। অস্ত্র সংক্রান্ত সরকারের অনুমোদন পেয়েছে আধা-স্বয়ংক্রিয় পিস্তল কেনার জন্য। এ নিয়ে টেন্ডার প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে। সব ঠিক হলে আগামী কয়েক মাসের মধ্যে কর্মকর্তারা আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করতে পারবেন।

মাদক কারবারিরা গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল সংলগ্ন এলাকায় অভিযানে নেমেছিল। সেখানে তারা হঠাৎ গুলি চালাল। এতে পরিদর্শক সিদ্দিকুর রহমান আহত হন। তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা গ্রহণ করেন। মাদক অভিযান চালানোর সময় অধিদপ্তরের ১২৫ জন সদস্য গুরুতর আহত হয়েছেন। দুজন কর্মকর্তা প্রাণ হারান। এখন পর্যন্ত কর্মকর্তাদের আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

উন্নয়ন প্রক্রিয়া ও সংখ্যা

সরকার দ্বারা প্রশিক্ষণের পর আগ্নেয়াস্ত্র হাতে পাচ্ছেন কর্মকর্তারা। আপাতত ২৭৫টি ৯ মিমি অটোমেটিক পিস্তল কেনা হচ্ছে। অস্ত্র ব্যবহার করার জন্য নীতিমালায় বলা হয়েছে, সর্বশেষ পন্থা হিসেবে �