Bangladailypost
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

শিশুধর্ষণ ও হত্যা / মৃত্যুদণ্ডের রায় কার্যকরের আগে পেরোতে হয় একাধিক ধাপ

Published June 8, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Elizabeth Martin - bangladailypost.com

Foto : Elizabeth Martin - bangladailypost.com

শিশু ধর্ষণ ও হত্যার মামলার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়ার পূর্বে একাধিক ধাপ পেরে যাওয়া প্রয়োজন

Bangladailypost.com – শ শ ধর ষণ ও হত য - রাজধানী ঢাকার পল্লবী এলাকায় ধর্ষণ এবং হত্যার সামনে এক শিশুকে বিচার করেছে ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনাল। আদালতের পক্ষ থেকে দুই আসামিকে মৃত্যুদণ্ড বরাদ্দ করা হয়েছে। এই রায়ের সাথে আইনি প্রক্রিয়া কার্যকর করার জন্য বিচার পর্যায়ে আরও বাধ্যতামূলক ধাপ অতিক্রম করতে হবে।

পুলিশ কর্তৃক নিরাপত্তার ব্যবস্থা করে আদালতে সোহেল রানাকে প্রবেশ করানো হয়েছিল। রোববার (৭ জুন) আদালত রায় ঘোষণা করেন বিচারক মাসরু সালেকীন। এতে প্রধান আসামি সোহেল রানা এবং তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। মৃত্যুদণ্ডের বিষয়টি নিশ্চিত করার জন্য সাত দিনের মধ্যে আপিল বিভাগে আবেদন করা যাবে।

ঘটনার পর দেশজুড়ে তীব্র বিতাড়িত হয়। শিশুটি দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। তাকে নিজ বাসার পাশে একটি ফ্ল্যাটে নির্যাতন ও হত্যার শিকারী হয়েছিল। কোনো সময় আদালত ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ গঠন করে। প্রতিটি ধাপে সাক্ষ্যগ্রহণ, প্রমাণ সংগ্রহ এবং বিচার উপস্থাপন করা হয়।

ডেথ রেফারেন্স এবং প্রতিবাদের প্রক্রিয়া

অ্যাডভোকেট ফাহমিদা আক্তার রিংকি জানান, ট্রাইব্যুনালের রায় চূড়ান্ত নয়। সাজার বিষয়টি উচ্চ আদালতে পর্যালোচনার জন্য প্রয়োজন। ডেথ রেফারেন্স শুনানিতে হাইকোর্ট বিচার পর্যায়ে সম্পূর্ণ তদন্ত করে। তার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে জবানবন্দি, ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন এবং জব্দ আলামত।

‘ট্রাইব্যুনালে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হলেও এটি চূড়ান্ত রায় নয়। উচ্চ আদালতের অনুমোদন ছাড়া এ রায় কার্যকর করা যায় না।’

ট্রাইব্যুনালের রায় প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর আসামি যদি আপিল করে তবে সে মামলাটি উচ্চতর পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া হবে। বাংলাদেশে নিম্ন আদালত বা ট্রাইব্যুনালে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হলে সেই রায় স্বয়ংক্রিয়ভাবে হাইকোর্ট বিভাগে পাঠানো হয়। ডেথ রেফারেন্স শুনানিতে হাইকোর্ট মামলার পূর্ণ বিচারিক কার্যক্রম পর্যালোচনা করে।

অ্যাডভোকেট ফাহমিদা আক্তার রিংকি উল্লেখ করেন, মৃত্যুদণ্ডের রায় পর্যালোচনার পর আসামির পক্ষে যেকোনো সিদ্ধান্ত সম্ভব। হাইকোর্ট সাজার অপরাধ প্রমাণের ঘাটতি দেখলে খালাসের আদেশও দিতে পারে। প্রতিটি মামলার পেছনে রয়েছে একটি শিশুর যন্ত্রণা এবং পরিবারের ন্যায়বিচারের অপেক্ষা।