Bangladailypost
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

ধর্ষণের পর শিশু হত্যা: আসামি মারা যাওয়ায় মামলার সমাপ্তি ঘোষণা

Published August 13, 2026 · Updated August 13, 2026 · By Joseph Hernandez - bangladailypost.com

Foto : Joseph Hernandez - bangladailypost.com

শেরপুরের শিশু হত্যা মামলায় আসামির মৃত্যুতে মামলা বন্ধ ঘোষণা

Bangladailypost.com – ধর ষণ র পর শ শ হত - শেরপুরের একটি গুরুত্বপূর্ণ শিশু হত্যা মামলার সমাপ্তি ঘোষণা করেছেন হাইকোর্টের বিচারপতিরা। মামলার আসামি কান্তি মারাক কারাগারে মৃত্যুবরণ করায় ধর ষণ র পর শ শ হত্যা মামলাটি বন্ধ ঘোষণা করা হয়। ২০১৩ সালের একটি ঘটনায় এক শিশুকে ধর্ষণ করে হত্যা করার অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হন কান্তি মারাক। বুধবার (১২ আগস্ট) ডেথ রেফারেন্স গ্রহণ করে বেঞ্চ এই সিদ্ধান্ত দেন।

মামলার বিবরণ ও আইনজীবীদের উপস্থিতি

আদালতে আসামির পক্ষে ছিলেন রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী হাফিজুর রহমান খান। অন্যদিকে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ইমাম হোসেন তারেক রাষ্ট্রপক্ষে উপস্থিত ছিলেন। বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এই রায়ে আসামির মৃত্যুদণ্ড প্রত্যাহার করে মামলাটি সমাপ্তির ঘোষণা করেন।

অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, ২০১৩ সালের বিকেলে শিশুটি খেলতে যাওয়ার সময় কান্তি মারাক তাকে কৌশলে ঘরে ডেকে নেন। ধর্ষণের পর শিশুটি ব্যথায় আত্মচিৎকার করতে চাইলে কান্তি তার নাক ও মুখ চেপে ধরে শ্বাসরোধে হত্যা করে। এই ঘটনাটি স্থানীয় সমাজে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল।

আদালতের সিদ্ধান্ত ও মামলার ইতিহাস

এই ঘটনায় দায়ের করা মামলায় ২০১৯ সালে শেরপুরের আদালত কান্তিকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেন। পরে ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে পাঠানো হয়। পাশাপাশি আসামি জেল আপিল করেন। বিচারিক আদালতের দেওয়া মৃত্যুদণ্ডাদেশ গত ১ জুলাই বহাল রেখেছিলেন হাইকোর্ট।

কিন্তু পরে জানা যায়, আসামি কারাগারে মারা গেছেন। বিষয়টি আদালতের নজরে আনা হয়। বুধবার হাইকোর্ট মৃত্যুদণ্ডের রায়ে প্রত্যাহার করে মামলাটির সমাপ্তি ঘোষণা করেন। আইনজীবীরা জানান, আসামির মৃত্যুর পর মামলাটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ হয়ে যায়।

আসামির মৃত্যুর পর মামলাটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ হয়ে যায় বলে আদালত ঘোষণা করেছে।

মামলার তাৎপর্য ও ভবিষ্যৎ প্রেক্ষাপট

এই মামলাটি শিশু নির্যাতন ও ধর্ষণের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থার কার্যকারিতা নিয়ে আলোচনা তৈরি করেছে। ধর ষণ র পর শ শ হত্যা মামলায় আসামির মৃত্যুদণ্ড প্রত্যাহার হলেও শিশুদের অধিকার রক্ষায় আইনের গুরুত্ব অক্ষুণ্ণ থাকে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, এই মামলা তাদের মধ্যে শিশুদের প্রতি সচেতনতা বাড়িয়েছে।

প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলী

শিশু হত্যা মামলায় আসামি মারা গেলে কী হয়? আসামি মৃত্যুবরণ করলে মামলাটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ হয়ে যায়। তবে শিশু নির্যাতনের মামলায় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে সময় লাগতে পারে।

ডেথ রেফারেন্স কী? মৃত্যুদণ্ডের রায় হাইকোর্টে পাঠানোর প্রক্রিয়াকে ডেথ রেফারেন্স বলে। এতে হাইকোর্ট রায়টি যাচাই করে।

মামলা বন্ধ হলে শিশুর পরিবারের ক্ষতিপূরণ কী হয়? মামলা বন্ধ হলেও শিশুর পরিবার ক্ষতিপূরণের জন্য আলাদাভাবে আবেদন করতে পারেন।

এই মামলার আসামি কারা? কান্তি মারাক শেরপুরের স্থানীয় ব্যক্তি যিনি ২০১৩ সালে শিশুটিকে ধর্ষণ ও হত্যা করার অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হন।

Related Reading

Frequently Asked Questions

What is ধর ষণ র পর শ শ হত?

ধর ষণ র পর শ শ হত is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.

Why does ধর ষণ র পর শ শ হত matter?

ধর ষণ র পর শ শ হত matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.