AMP
Bangladailypost
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

ঝালকাঠিতে হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হাইকোর্টে খালাস

Published July 1, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Karen Wilson - bangladailypost.com

Foto : Karen Wilson - bangladailypost.com

ঝালকাঠি হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হাইকোর্টে খালাস

পটভূমি এবং ঘটনার বিবরণ

Bangladailypost.com – ঝ লক ঠ ত হত য ম - ঝালকাঠি হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হাইকোর্টে খালাস পেয়েছেন। কাঁঠালিয়া উপজেলার শৌলজালিয়া গ্রামে বসবাস করত নাসির উদ্দিন। তার স্ত্রী পারুল বেগম এবং তার সঙ্গে পরকীয়া সম্পর্কে জড়িত বলে অভিযোগ পেশ করা হয়েছিল খোকন হাওলাদার। মামলার প্রাথমিক অভিযোগ অনুযায়ী, খোকন হাওলাদার নাসির উদ্দিনকে গলাকেটে ও কুপিয়ে হত্যা করে বলে দাবি করা হয়। মৃত নাসির উদ্দিনের ভাই সোহরাব হাওলাদার ঘটনার পরদিন কাঁঠালিয়া থানায় মামলা দায়ের করেন। ঘটনাটি ঝালকাঠি হত্যা মামলার মূল ভূমিকা নিয়ে আলোচিত হয়েছিল এবং সেই বছরের মার্চ মাসে প্রথম বিচার ঘটে।

তদন্ত এবং আসামি গ্রেফতারী

ঝালকাঠি হত্যা মামলায় তদন্ত কর্মকর্তা আবদুস সালাম কাঁঠালিয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) হিসেবে পরিচিত ছিলেন। ঘটনার পর তিনি মামলার তদন্ত গ্রহণ করেন এবং ক্রমশ প্রমাণ সংগ্রহ করেন। তদন্তের ফলে ওই বছরের ৭ ফেব্রুয়ারি পারুল বেগম এবং খোকন হাওলাদারকে গ্রেফতার করা হয়। ঘটনার সত্যিকার প্রক্রিয়ায় দুই আসামির বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। মামলার অগ্রগতি বিচার কর্মকর্তাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে বিবেচিত হয়েছিল।

ঝালকাঠি হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তারা সাক্ষী এবং প্রমাণ সংগ্রহ করেন। তদন্তের প্রক্রিয়ায় একটি গুরুত্বপূর্ণ দলিল হিসেবে নাসির উদ্দিনের আঘাত প্রাপ্ত হওয়ার বিস্তারিত বিবরণ দাখিল করা হয়। পুলিশ দ্বারা সংগ্রহ করা হয়েছিল সাক্ষীদের মূল সাক্ষ্য। ঘটনার পর বিচারপতি দ্বারা অভিযোগ গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু হয়।

হাইকোর্টের রায় এবং আপিল প্রক্রিয়া

বুধবার (১ জুলাই) হাইকোর্টে গঠিত বেঞ্চ দুজনকে মুক্তি দেয়। বিচারপতি গোবিন্দ চন্দ্র ঠাকুর এবং বিচারপতি মো. নুরুল ইসলাম এই রায় ঘোষণা করেন। ডেথ রেফারেন্স খারিজ করে দুই আসামির আপিল মঞ্জুর করে বিচার করেন। ঝালকাঠি হত্যা মামলায় এই রায় সামাজিক সংবাদে সর্বাধিক গুরুত্ব প্রদান করেছে।

ঝালকাঠি হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হাইকোর্টে খালাস পেয়েছেন। মামলার বিচারক মোহাম্মদ শিশির মনির আসামি পক্ষে শুনানি করেন। বিচারপতি দ্বারা প্রদত্ত প্রাথমিক রায়ে খোকন হাওলাদারকে মৃত্যু দণ্ড এবং পারুল বেগমকে জীবন জেল দেওয়া হয়। মামলার আপিল করার পর হাইকোর্ট বেঞ্চ দুজনকে মুক্তি দেয়। রায়ে ঘটনার বিশেষ স্বাক্ষর এবং আসামির স্থানে সাক্ষ্যের সংগ্রহের প্রক্রিয়া বিশ্লেষিত হয়।

ঝালকাঠি হত্যা মামলার আপিলে সাক্ষীদের বিবরণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। হাইকোর্টে আপিলে প্রমাণ গুলি