আপিল বিভাগের রায়
আপ ল ব ভ গ র র – বাংলাদেশের সরকারি চাকরিজীবীদের বিষয়ে পেনশন সুবিধা পাওয়ার শর্ত বিষয়ে আপিল বিভাগ নতুন রায় ঘোষণা করেছে। রায়ে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে, যে কোনো কর্মচারী যদি ২৫ বছর পর্যন্ত চাকরি করতে পারেন না এবং স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করে তবে তাদের পেনশন সুবিধা পাওয়া যাবে না। এ রায় দেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ এবং এটি গত বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) আদালতের শুনানিতে প্রকাশ করা হয়।
শৃঙ্খলা ও স্থিতিশীলতা রক্ষার উদ্দেশ্যে রায়
আপিল বিভাগ বিষয়টি তুলে ধরেছেন, সরকারি চাকরি কেবল সাময়িক অর্থনীতি বরং একটি সুসংগঠিত পেশাজীবন। যেখানে ধারাবাহিকতা, জবাবদিহি এবং অবিচল প্রাতিষ্ঠানিক আনুগত্য অপরিহার্য। অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ আরশাদুর রউফ, ব্যারিস্টার অনীক আর হক ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ রাষ্ট্রপক্ষের আবেদন পেশ করেছিলেন। আপিল বিভাগ বলেছেন, যদি কর্মকর্তারা নির্ধারিত সময়ের আগে চাকরি ছেড়ে দিয়ে পূর্ণ পেনশন ও অন্যান্য অবসর-সুবিধা ভোগ করতে পারেন তবে তা সরকারি কর্মপ্রণালীকে কঠিন করতে পারে। অতএব সংশ্লিষ্ট সিদ্ধান্ত রূপে দীর্ঘমেয়াদি অঙ্গীকার, শৃঙ্খলা ও প্রাতিষ্ঠানিক স্থিতিশীলতা রক্ষার জন্য গৃহীত।
“যদি কর্মকর্তারা নির্ধারিত ২৫ বছরের যোগ্যতাসম্পন্ন চাকরিকাল পূর্ণ হওয়ার আগেই চাকরি থেকে পদত্যাগ করে পূর্ণ পেনশন ও অবসর-সুবিধা ভোগ করতে পারেন তবে কেউ কেউ সরকারি চাকরিকে কেবল অভিজ্ঞতা, প্রশিক্ষণ, মর্যাদা বা আর্থিক নিরাপত্তা অর্জনের জন্য সাময়িক মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন।”
আপিল বিভাগের রায় নিয়ে হাইকোর্ট এবং সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের নেতৃত্বে তিন সদস্যের বেঞ্চ বাতিল ঘোষণা করেছিলেন। প্রথমে হাইকোর্ট এক রায় দেন যার বিরুদ্ধে সরকারের আপিল মঞ্জুর হয়। এ রায় নিয়ে আপিল বিভাগ বলেছেন, আগের চাকরিকাল গণনাযোগ্য হবে না এমন সিদ্ধান্ত সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।
প্রথম খণ্ডের বিধি-৩০০ অংশটুকু বাতিল
আপিল বিভাগ আরও বলেছেন, বিএসআর প্রথম খণ্ডের বিধি-৩০০ (এ) অংশটুকু আইনের স্বাক্ষরিত বিধান হিসেবে গণনা করা হবে। পেনশনার চাকরিকাল যদি ২৫ বছর পূর্ণ হয় না তবে পেনশনের জন্য কোনো আবেদন করা যাবে না। এ বিষয়ে হাইকোর্ট রায় দেন যার পর সরকার আপিল করে। আপিল বিভাগ সেই রায় �