Bangladailypost
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

ঈদুল আজহা কী ও মুসলমানরা কেন কোরবানি করে? যা বললেন মুফতি মেনক

Published May 27, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Mary Williams - bangladailypost.com

Foto : Mary Williams - bangladailypost.com

ঈদুল আজহা কী ও মুসলমানরা কেন কোরবানি করে? যা বললেন মুফতি মেনক

Bangladailypost.com – ঈদ ল আজহ ক ও ম সলম - ঈদ উৎসব মুসলমানদের জন্য বার্ষিক দুটি বড় উৎসবের মধ্যে একটি। এই আনন্দ প্রাপ্ত হয় প্রতিটি মাসের বিশেষ সাধনা ও উপলব্ধির পর। যেমন প্রথম ঈদ হলো ‘ঈদুল ফিতর’ যা হিজরি বর্ষের নবম মাস রমজানের শেষে আসে। মুসলমানদের রোজা রাখার সময় দিনের আলোতে খাবার, পানি ও বৈবাহিক সম্পর্ক থেকে বিরত থাকা প্রথম ঈদ হিসেবে পরিচিত। এই উৎসবের প্রধান উদ্দেশ্য হলো আল্লাহর নৈকট্য অর্জন করা এবং নিজের আত্মশুদ্ধি ও শৃঙ্খলা নির্মাণ করা। কারণ ইসলাম শিক্ষা দেয় মানুষের সামাজিক ও ধার্মিক ক্রমবর্ধমান শৃঙ্খলা রক্ষা করা।

দ্বিতীয় ঈদ হলো ‘ঈদুল আজহা’ যা হিজরি বর্ষের শেষ মাস জিলহজে উপস্থিত হয়। মাসের প্রথম দিন থেকে দশম দিন পর্যন্ত মুসলমানদের বিশেষ ইবাদত ও বন্দেগি করার বিষয়ে তারা প্রশিক্ষণ পান। নবী কারীম (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইরশাদ করেছেন, জিলহজের প্রথম দশ দিনের ইবাদত সাল্লাহ আলাইহি ওয়া সাল্লামের মুসলমানদের সাধারণ দিনের ইবাদতের চেয়ে বেশি প্রিয়। নফল রোজা, নামাজ ও জিকিরের এই দিনগুলোতে বিশেষ ফজিলত রয়েছে।

ঈদুল আজহার মূল আমল

দশম দিনে ঈদুল আজহা উদযাপিত হয়। এই দিনে কোরবানি করা হয় হজরত ইব্রাহিম (আ.) এর ত্যাগের স্মরণ করে। তিনি স্বপ্নের মাধ্যমে পুত্র ইসমাইল (আ.) কে কোরবানি করার নির্দেশ পেন। কিন্তু তাঁর জন্য আল্লাহ তায়ালা জান্নাত থেকে দুম্বা পাঠিয়ে তাঁকে রক্ষা করেন। এই ঘটনার পুনরাবৃত্তি করে আল্লাহ তাআলা কোরবানি করাকে ইবাদত হিসেবে নির্ধারণ করেন।

নবী কারীম (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইরশাদ করেছেন: "জিলহজের প্রথম দশ দিনের ইবাদত আল্লাহর নিকট অন্য কোনো বছরের দিনের ইবাদতের চেয়ে বেশি প্রিয়।"

কোরবানির মাধ্যমে মানুষ আল্লাহর উপর আত্মসমর্পণ করেন। হজরত ইব্রাহিম (আ.) তাঁর পুত্রকে কোরবানি করার ঘটনার মাধ্যমে আত্মনিয়ন্ত্রণ ও উপরের কিছু ছাড়া মৃত্যুর কারণে মানুষের মনস্তত্ত্ব দুর্বল হয়ে যেতে পারে। তাই আল্লাহ তাআলা মানুষকে শিক্ষা দিয়েছেন যে, জীবনের চূড়ান্ত মালিকানা কেবল তাঁরই।

ঈদুল আজহার মূল উদ্দেশ্য হলো সমাজের দরিদ্র ও অভাবীদের পাশে দাঁড়ানো। কোরবানির মাংস তিন ভাগে ভাগ করে এক ভাগ নিজেকে, এক ভাগ পরিবার ও আত্মীয়দের জন্য রাখা এবং বাকি ভাগ দরিদ্রদের মাঝে বিলিয়ে দেওয়া। এটি ইসলামের একটি গুরুত্বপূর্ণ আমল যে সবাইকে একত্র হয়ে বন্ধুত্ব ও সহায়তা করার উপদেশ দেয়।

পবিত্র কোরআন ঘোষণা অনুযায়ী কোরবানির পশু থেকে মাংস ও রক্ত আল্লাহর কাছে আসে না, বরং মানুষের ভেতরের তাকওয়া ও খোদাভীতি তাঁর দরবারে কবুল হয়। এই উৎসব আজকের পৃথিবীতে মানুষের মধ্যে শ্রদ্ধাবোধ ও সামাজিক বন্ধন গভীর করে। কোনো ধর্মের বাইরে মা�