AMP
Bangladailypost
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

সোনা কিনছেন, কিন্তু গহনা নয়: বদলে যাচ্ছে ক্রেতাদের পছন্দ

Published August 17, 2026 · Updated August 17, 2026 · By Mary Jones - bangladailypost.com

Foto : Mary Jones - bangladailypost.com

ভারতীয় সোনা-বাজারে ক্রেতাদের নতুন প্যাটার্ন: ভারী গহনা থেকে সরে হালকা অলংকারের দিকে

Bangladailypost.com – স ন ক নছ ন ক ন - সাম্প্রতিক বাজার-বিশ্লেষণে একটি পরিষ্কার চিত্র浮ে উঠেছে — সোনার দোকানে পদার্পণ করছেন ক্রেতা, হাতে বাজেটও আছে, কিন্তু আগের মতো ভারী গহনার দিকে ঝুঁকছেন না। কেউ দাম আরও নামার অপেক্ষায় বসে আছেন, কেউ একই অর্থ-সীমার মধ্যে ছোট ও হালকা অলংকার বেছে নিচ্ছেন, আবার অনেকে গহনার বদলে সোনার বার বা কয়েনের মতো বিনিমোগ-পণ্যের দিকে ঘুরে যাচ্ছেন।

ডব্লিউজিসি-প্রতিবেদনের সংখ্যা

ওয়ার্ল্ড গোল্ড কাউন্সিলের (ডব্লিউজিসি) তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের এপ্রিল-জুন প্রান্তিকে ভারতে সোনার গহনার চাহিদা পূর্ববর্তী বছরের একই সময়ে তুলনায় ১৫ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। এক বছর আগের তুলনায় সর্বশেষ ত্রৈমাসিকে দেশটির গহনা-চাহিদা নেমে এসেছে মাত্র ৭৫ টনে। ডব্লিউজিসি জানিয়েছে, দীর্ঘ সময়ে সোনার দামের উচ্চমাত্রায় থাকাই এই চাহিদা-হ্রাসের মূল কারণ।

দামের চাপে বহু ক্রেতা কেনাকাটা পিছিয়ে দিচ্ছেন। যারা কিনছেন, তাদের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ ভারী গহনার বদলে হালকা অলংকার বেছে নিচ্ছেন। অর্থাৎ সোনা থেকে সম্পূর্ণ মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন না ক্রেতারা — বরং কেনার ধরন বদলে ফেলছেন। একই বাজেটে কম ওজনের গহনা কেনা এখন তুলনামূলক স্বস্তিদায়ক হয়ে উঠেছে তাদের কাছে।

প্রথম ছয় মাসের হিসাব

চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে ভারতে সোনার গহনার চাহিদা ছিল ১৪১ টন, যা এক বছর আগের একই সময়ে তুলনায় ১৭ শতাংশ কম। তবে এই সময়ে গহনা কেনার মোট ব্যয় বেড়েছে ২৬ শতাংশের বেশি। প্রথম ছয় মাসে কেনা গহনার মূল্য প্রায় ২১ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে। পরিমাণে কম সোনা কিনেও ভারতীয় ক্রেতাদের বেশি অর্থ খরচ করতে হয়েছে — এর পেছনে রয়েছে সোনার উচ্চ দাম।

ত্রৈমাসিক ঘূর্ণি ও বৈশ্বিক প্রেক্ষাপট

এপ্রিল-জুন প্রান্তিকে ভারতের গহনা-বাজার আগের তিন মাসের তুলনায় কিছুটা ঘুরে দাঁড়িয়েছে। জানুয়ারি-মার্চের তুলনায় দ্বিতীয় প্রান্তিকে গহনার চাহিদা বেড়েছে ১৪ শতাংশ। তবে এক বছর আগের একই সময়ে তুলনা করলে বাজার এখনো দুর্বল অবস্থায় আছে।

বিশ্ববাজারের চিত্রও বিশেষ স্বস্তিদায়ক নয়। এপ্রিল-জুন প্রান্তিকে বিশ্বজুড়ে সোনার গহনার চাহিদা ছিল ২৭৮ টন — কোভিড-১৯ মহামারির পর এটি দ্বিতীয় সর্বনিম্ন ত্রৈমাসিক চাহিদা।

বিনিমোগ-পাশে কী হচ্ছে

গহনার চাহিদা কমলেও সোনার বিনিমোগে আগ্রহ পুরোপুরি নিভেনি। এপ্রিল-জুন প্রান্তিকে গোল্ড এক্সচেঞ্জ-ট্রেডেড ফান্ড, বার ও কয়েনে বিনিমোগের পরিমাণ ছিল ২৬২ টন, যদিও এই প্রান্তিকে বিনিমোগ কিছুটা কমেছে। আবার ২০২৬ সালের প্রথম ছয় মাসের হিসাব ধরলে সোনার বার ও কয়েনে বিনিমোগ এক বছর আগের তুলনায় ২১ শতাংশ বেশি।

সোনার প্রতি আগ্রহ থাকলেও তার ব্যবহার ও কেনার ধরন বদলে যাচ্ছে।

ভারত বৈশ্বিক বাজারে সোনা আমদানি ও ব্যবহারে অন্যতম শীর্ষস্থানীয় দেশ। বিশেষ করে গহনা ও ব্যক্তিগত বিনিমোগের জন্য দেশটিতে মানুষ প্রচুর সোনা কেনে — এই বৈশিষ্ট্য বদলায়নি, বদলেছে কেবল কেনার রূপ।

Related Reading

Frequently Asked Questions

What is স ন ক নছ ন ক ন?

স ন ক নছ ন ক ন is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.

Why does স ন ক নছ ন ক ন matter?

স ন ক নছ ন ক ন matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.