Bangladailypost
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

সংকটে যুক্তরাজ্যের রাজনীতি, প্রধানমন্ত্রী বদলালেই কি মিলবে সমাধান?

Published June 23, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Mary Williams - bangladailypost.com

Foto : Mary Williams - bangladailypost.com

যুক্তরাজ্যের রাজনৈতিক সংকট এবং প্রধানমন্ত্রী পরিবর্তন

Bangladailypost.com – স কট য ক তর জ য - ২২ জুন সকালে লন্ডনের ডাউনিং স্ট্রিটে সুপ্রাচীন আবহাওয়ার মধ্যে কিয়ার স্টারমার সাংবাদিকদের সামনে হাজির হন। তিনি তার কর্মী এবং স্ত্রীকে পাশে নিয়ে বলেন যুক্তরাজ্যকে পরিচালনা করার জন্য তিনি অযোগ্য হন। গত দশকে পদত্যাগ করা ষষ্ঠ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তিনি প্রাপ্ত হন। কিয়ার স্টারমারের আগে প্রধানমন্ত্রীদের মধ্যে রয়েছে স্থায়ী নেতৃত্ব প্রদানের সর্বোচ্চ হার কিন্তু তিনি এই প্রথম ক্ষমতার সম্পূর্ণ মেয়াদ পূরণ করতে পারেননি।

স্টারমারের অপর সম্ভাব্য উত্তরসূরি অ্যান্ডি বার্নহাম সম্পর্কে বলেন যদি তিনিও প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ব্যর্থ হন, তাহলে যুক্তরাজ্যের ভবিষ্যৎ অনেক অন্ধকার হতে পারে। অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার প্রতীক ছিল এই দেশ কিন্তু আরও কম দিনে এটি স্থায়ী হওয়ার পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে পারেনি।

আর্থিক সংকট এবং নীতির ব্যর্থতা

গত দশকে সরকারি ব্যয়সংকোচন নীতি কার্যকর করা হয়েছিল। কিন্তু এই নীতি সমস্যার সমাধানে সহায়তা করতে পারেনি। দেশের ঋণ জিডিপির প্রায় ১০০ শতাংশে পৌঁছে গেছে কিন্তু জাপান, ইতালি, যুক্তরাষ্ট্র ও ফ্রান্সের ঋণ-জিডিপি অনুপাত আরও বেশি। কারণ যুক্তরাজ্যে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের ওপর নির্ভরশীলতা ও উচ্চ মূল্যস্ফীতি তৈরি করেছে বাজেট ঘাটতি।

সাবেক সরকারি উপদেষ্টা স্যাম ফ্রিডম্যান বলেন, যুক্তরাজ্য অত্যন্ত কেন্দ্রীয়কৃত রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে। তার মতে, রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানগুলো সীমিত সক্ষমতা সম্পন্ন যে তারা বর্তমান চ্যালেঞ্জ সামাল দিতে পারছে না।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এবং রাজনৈতিক বিভাজন

২০০৮ সালের আর্থিক সংকট দেশটির অর্থনীতিকে আঘাত করে। অবৈধ অভিবাসন নিয়ন্ত্রণের ব্যর্থতা সমাজে গভীর বিভাজন তৈরি করেছে। অ্যান্থনি সেলডন বলেন, স্টারমার, লিজ ট্রাস ও বরিস জনসন মিলিয়ে জনগণের কাছে আস্থা ও বিশ্বাস তৈরির জন্য কোনো স্পষ্ট জাতীয় রূপরেখা উপস্থাপন করতে পারেননি। তার আগে বিশ্বাস করা হত যে সমাজের ক্রমবর্ধমান অসন্তোষ থামাতে তারা সফল হবেন।

২০১৬ সালে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় যুক্তরাজ্য। এই বিপর্যয় স্কটল্যান্ডের স্বাধীনতা আন্দোলনকেও উসকে দেয়। স্কটল্যান্ডের অধিকাংশ ভোটার ইউরোপীয় ইউনিয়নে থাকার পক্ষে ভোট দিয়েছিল। তবে করোনার মহামারি ও ইউক্রেন সংক্রান্ত পদক্ষেপের কারণে সম্পূর্ণ মেয়াদ সম্পন্ন করতে পারেননি কোনো সরকার।

অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক সমস্যার মূল কারণ

জিল রাটার মনে করেন, সংকটের মূল কারণ ২০০৮ সালের আর্থিক বিপর্যয় থেকে। তিনি বলেন মানুষের মধ্যে একটি সাধারণ অনুভূতি তৈরি হয়েছে যে জীবন আগের চ