ম খ ম খ ভ রত প – সমুদ্রভিত্তিক পারমাণবিক সক্ষমতা (Sea-based Deterrent) জোরদারে সাবমেরিন থেকে উৎক্ষেপণ যোগ্য ১২টি পারমাণবিক ওয়ারহেড অপারেশনালভাবে মোতায়েন করেছে ভারত। বিভিন্ন সামরিক বিশ্লেষণে এমন তথ্য উঠে আসায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে পাকিস্তান। এ ধরনের তথ্য দক্ষিণ এশিয়ার কৌশলগত স্থিতিশীলতার জন্য উদ্বেগজনক বলে জানিয়েছে ইসলামাবাদ। বিভিন্ন সূত্রে ভারতের সাবমেরিনভিত্তিক পারমাণবিক সক্ষমতা নিয়ে এসব দাবি সামনে এলেও এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য এখনো প্রকাশ করেনি দেশটির সরকার। তবে, ভারত বরাবরই দাবি করে আসছে, তাদের পারমাণবিক কর্মসূচির উদ্দেশ্য আঞ্চলিক প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে প্রতিরোধমূলক সক্ষমতা বজায় রাখা। এদিকে, নিজেদের কোনো কার্যকর SSBN না থাকায় এয়ার-ইন্ডিপেনডেন্ট প্রপালশন (AIP)-সজ্জিত আগোস্তা-শ্রেণির সাবমেরিন ব্যবহার করে সাবমেরিনবিরোধী সক্ষমতা জোরদারে মনোযোগ দিচ্ছে পাকিস্তান। পাশাপাশি আঞ্চলিক সমুদ্রপথে নজরদারি বাড়াতে চীনের সঙ্গে প্রতিরক্ষা ও পর্যবেক্ষণ সহযোগিতা আরও গভীর করছে। পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলছে, ভারতের পারমাণবিক শক্তিচালিত ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রবাহী সাবমেরিন (SSBN) কর্মসূচির এ ধরনের অগ্রগতির কারণে দক্ষিণ এশিয়ায় পারমাণবিক অস্ত্র প্রতিযোগিতা দ্রুত তীব্র হচ্ছে। পাশাপাশি ভারত মহাসাগর ক্রমেই পারমাণবিকীকরণের দিকে এগোচ্ছে। সাবেক কূটনীতিক ও প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ড. মালিহা লোধিসহ পাকিস্তানের বিশ্লেষকদের মতে, সাবমেরিনে অপারেশনাল পারমাণবিক ওয়ারহেড মোতায়েন ভারতের পারমাণবিক নীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের ইঙ্গিত বহন করছে। তাদের মতে, এটি দক্ষিণ এশিয়ার কৌশলগত ভারসাম্য আরও জটিল করে তুলবে এবং পারমাণবিক প্রতিরোধ ব্যবস্থার স্থিতিশীলতাকে প্রভাবিত করতে পারে। পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র বলেন, এ ধরনের তথ্য আঞ্চলিক শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য সম্ভাব্য হুমকি তৈরি করতে পারে। তিনি বিষয়টি নিয়ে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষণ এবং নজরদারির আহ্বান জানান। মুখপাত্রের ভাষায়, এ ধরনের পারমাণবিক অস্ত্রভান্ডারের তথ্য যদি সত্য হয় তবে তা ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে দিতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ে আরও সচ্ছতা ও সংলাপের আহ্বান জানিয়েছে পাকিস্তান। অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ ও হ্রাসে বহুপাক্ষিক আলোচনার ওপর জোর দিয়ে ইসলামাবাদ জানিয়েছে, দক্ষিণ এশিয়ায় কোনো ধরনের অস্ত্র প্রতিযোগিতা এড়ানো জরুরি। এ বিষয়ে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো এখনো উল্লেখযোগ্য কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি। বিশ্লেষকদের মতে, দাবিগুলোর সত্যতা যাচাই এবং এর সম্ভাব্য প্রভাব মূল্যায়নে নিরপেক্ষ তদন্ত ও কূটনৈতিক উদ্যোগ প্রয়োজন। সূত্র: ইন্ডিয়ান ডিফেন্স রিসার্চ উইং/টাইমস অব ইসলামাবাদ/ডিফেন্স ব্লগ
মুখোমুখি ভারত-পাকিস্তান / ভারত মহাসাগরে বাড়ছে পারমাণবিক যুদ্ধের শঙ্কা!
ম খ ম খ ভ রত প - সমুদ্রভিত্তিক পারমাণবিক সক্ষমতা (Sea-based Deterrent) জোরদারে সাবমেরিন থেকে উৎক্ষেপণ যোগ্য ১২টি পারমাণবিক ওয়ারহেড অপারেশনালভাবে মোতায়েন
Desk
International
Published
July 16, 2026
Reading time
1 minutes
Conversation
No comments