Bangladailypost
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

ন্যাটো সম্মেলনে গ্রিনল্যান্ড বিতর্ক, ট্রাম্পকে কড়া বার্তা ইউরোপের

Published July 8, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Jennifer Garcia - bangladailypost.com

Foto : Jennifer Garcia - bangladailypost.com

ন্যাটো সম্মেলনে গ্রিনল্যান্ড বিতর্ক, ট্রাম্পকে কড়া বার্তা ইউরোপের

Bangladailypost.com – ন য ট সম ম লন গ - ন্যাটো সম্মেলনে গ্রিনল্যান্ড বিতর্ক তুলে ধরা হয়েছে, যা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রতি ইউরোপীয় নেতাদের কড়া কড়া বার্তা প্রেরণের কারণ হয়ে উঠেছে। সম্মেলনে যোগদানের পর ট্রাম্প গ্রিনল্যান্ডের স্বায়ত্তশাসনের ক্ষেত্রে ইউরোপের মতামত সম্পর্কে উল্লেখ করেন, যার ফলে ন্যাটো সম্মেলনের ঐক্যের বার্তাকে কিছুটা ধ্বংস করা হয়েছে। এ বিতর্কে একটি স্পষ্ট প্রতিক্রিয়া আনতে ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন এবং অন্যান্য সদস্য দেশের নেতারা মন্তব্যের প্রতি মনোনয়ন প্রকাশ করেছেন।

গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে সংঘটিত বিতর্ক

ট্রাম্প গত বছরের জানুয়ারিতে গ্রিনল্যান্ড অধিগ্রহণের আবেদন করেছিলেন, যেখানে তিনি তুরস্কের সাথে একত্রে ন্যাটো সম্মেলনে এই প্রস্তাব পেশ করেন। প্রসঙ্গত, তিনি ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ অভিযানে যোগ দেওয়ার জন্য বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনী ব্যবহার করে শক্তি প্রয়োগের কথা জানিয়েছিলেন। ন্যাটো সম্মেলনে যোগদানের পর এই ইস্যু আবারও তুলে ধরা হয়েছে, যেটি মার্কিন সামরিক সাম্প্রতিক প্রাধান্য সম্পর্কে নিন্দার পরিচয় দিয়েছে।

ট্রাম্প জানান, "গ্রিনল্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ ডেনমার্কের নয়, যুক্তরাষ্ট্রের হাতে থাকা উচিত।" তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ভূমি ক্ষেত্রে সামরিক ক্ষমতার স্থান নিয়ে আলোচনা করেন এবং এর ফলে ন্যাটো সম্মেলনে তাঁর ভূমিকার প্রতি ব্যাপক সন্দেহ জন্মায়।

এ প্রস্তাবে ইউরোপীয় দেশগুলি যেন কোনও ধরনের হস্তক্ষেপ গ্রহণ করা হবে না বলে আপত্তি প্রকাশ করেছে। এখন পর্যন্ত ন্যাটো সম্মেলনে বিভিন্ন সদস্য দেশের নেতাদের মধ্যে বিতর্ক সাম্প্রতিক সময়ে গুরুতর হয়ে ওঠে।

ইউরোপের আপত্তি ও গুরুত্বপূর্ণ প্রতিক্রিয়া

ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন জানান, "ন্যাটো সম্মেলনে যোগ দিতে আমরা আগ্রহী, কিন্তু গ্রিনল্যান্ড বিতর্কে ডেনমার্কের নিজস্ব স্বায়ত্তশাসন বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে।" বিশেষজ্ঞদের মতে, ন্যাটো সম্মেলনে ট্রাম্পের বিতর্ক কিছুটা ন্যাটো সদস্যদেশের সম্পর্কে স্বাধীনতার ধারণাকে বিপাকে ফেলতে পারে। যুক্তরাষ্ট্র কোনও মুহূর্তে ন্যাটো সদস্যদেশের প্রতি সম্পূর্ণ প্রাধান্য বিস্তার করতে চাইছেন, যেখানে গ্রিনল্যান্ড সম্পর্কে তাঁর বিতর্ক ন্যাটো সম্মেলনে নতুন পরিচয় দিয়েছে।

গত বছরের জানুয়ারিতে ট্রাম্প গ্রিনল্যান্ড অধিগ্রহণের প্রস্তাব করেন, যেটি সম্পূর্ণ ভাবে ডেনমার্কের স্বায়ত্তশাসিত ভূখণ্ডের অধিকার ঘোষণা করে। ন্যাটো সম্মেলনে এই প্রস্তাবের প্রতিক্রিয়ায় ইউরোপীয় দেশগুলি যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি সম্পূর্ণ সামরিক প্রাধান্য সম্পর্কে অসন্তুষ্টি প্রকাশ করেছে। বিশেষ করে ডেনমার্ক ন্যাটো সম্মেলনে গ্রিনল্যান্ড সম্পর্কে আপত্তি প্রকাশ করেছে, যেখানে তাঁদের বিশ্বাস হয় যে এটি সম্পূর্ণ ভাবে ইউরোপীয় সদস্যদেশগুলির স্বায়ত্তশাসনের ধরনটি গৃহীত হবে।

ন্যাটো সম্মেলনে তুরস্ক ও ডেনমার্কের �