Bangladailypost
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

অস্ট্রেলিয়ায় মুসলিম অভিবাসন বন্ধ চান সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী

Published June 17, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Mary Jones - bangladailypost.com

Foto : Mary Jones - bangladailypost.com

অস্ট্রেলিয়ায় অভিবাসন বন্ধের আহ্বান জানিয়েছেন ওয়ান নেশন নেত্রী

Bangladailypost.com – অস ট র ল য য় ম - অস্ট্রেলিয়ায় বহুসাংস্কৃতিক নীতি বাতিলের দাবি জানিয়েছেন পলিন হ্যানসন। তিনি সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী হিসেবে মঙ্গলবার (১৬ জুন) ন্যাশনাল প্রেসক্লাবে বক্তব্য দেন এবং অভিবাসন সংক্রান্ত মতামত প্রকাশ করেন। তার দাবি, দেশে আবাসন সংকট ও সাংস্কৃতিক উত্তেজনা অতিরিক্ত অভিবাসনের কারণে ঘটেছে।

কট্টর ইসলামী দেশগুলো থেকে অভিবাসন বন্ধ করা আবশ্যক

হ্যানসন অভিবাসন বন্ধ করার আহ্বান জানান এবং তিনি বলেন, দেশটি অবশ্যই একক সাংস্কৃতিক পরিচয় রাখতে হবে। তার মতে, অস্ট্রেলিয়া বহুজাতিক হতে পারে, কিন্তু সব সংস্কৃতিকে সমমর্যাদা দেওয়া হচ্ছে। এর বিরোধিতা করাটা বর্ণবাদ নয়, বরং সাধারণ জ্ঞান।

তিনি স্পষ্ট করে বলেন, অস্ট্রেলিয়া নিজের পরিচয় ও মূল্যবোধ হারিয়ে ফেলছে। উদাহরণ হিসেবে তিনি ঘরে ইংরেজি ছাড়া অন্য ভাষায় কথা বলা অস্ট্রেলীয়দের উল্লেখ করেন।

বর্তমানে হ্যানসনের দল কট্টর ইসলামী দেশগুলো থেকে অভিবাসনের বিরোধিতা করে। তার ভাষায়, এসব দেশ থেকে আসা অভিবাসন বিপর্যয় সৃষ্টি করে। ক্ষমতাসীন লেবার পার্টি নিয়ে তার সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, অভিবাসনের ফলে সামাজিক সংহতি ক্ষীণ হয়ে আসছে।

শ্রমনীতি ও মানুষের পরিশোধ সংক্রান্ত মতামত

হ্যানসন শ্রমজীবী অস্ট্রেলীয়দের সমর্থন করেন এবং শ্রম আইনের সংস্কারের দাবি জানান। তিনি উল্লেখ করেন যে ব্যবসাগুলো পরিবর্তন চায়। কর্মীদের অলস আচরণের কারণে তার মতে মজুরি ব্যবধান বৃদ্ধি পেয়েছে।

তিনি বলেন, যদি কোনো নারী ছুটি নেন এবং কাজ করেন না, তাহলে সেই সময় মজুরি দেওয়া হবে না। এটাই স্বাভাবিক বলে তিনি জানান।

এছাড়া তিনি ট্রান্সজেন্ডার অধিকার ও গর্ভপাত নিয়ে স্পষ্ট দৃষ্টিভঙ্গি প্রকাশ করেন। তার মতে, ট্রান্সজেন্ডার মতাদর্শ সমাজকে দূষিত করছে। গর্ভপাতের বিষয়ে তিনি জন্মের ঠিক আগ মুহূর্তে বিরোধিতা করেন, কিন্তু মায়ের জীবন ঝুঁকিতে থাকলে দেরিতে সমর্থন বজায় রেখেছেন।

পূর্বের আইন লঙ্ঘনের কারণে তিনি দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন

পাকিস্তান বিতর্কে নারী পুরুষ মজুরি বৈষম্যের ধারণাকে চ্যালেঞ্জ করেন হ্যানসন। তিনি আরও বলেন, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলো শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি বৃদ্ধি করতে চায় না। সাম্প্রতিক সময়ে ক্ষমতাসীন লেবার পার্টি তার সমালোচনা করেছিল।

তিনি জানান, অন্য দিকটি দেখা দরকার। ব্যবসাগুলো কি সত্যিই সেই মজুরি দিতে সক্ষম? তার অভিযোগ, অনেক কর্মী মোবাইল ফোন নিয়ে ব্যস্ত থাকে এব�