Bangladailypost
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

অনেকেরই লেবাননে ‘ফিরে যাওয়ার মতো কোনো বাড়ি নেই’

Published June 24, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Sandra Rodriguez - bangladailypost.com

Foto : Sandra Rodriguez - bangladailypost.com

অনেকেরই লেবাননে ‘ফিরে যাওয়ার মতো কোনো বাড়ি নেই’

Bangladailypost.com – অন ক রই ল ব নন ফ তালুকে ইসরায়েলের হামলার ফলে লেবাননে অনেক মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়ে পড়েছেন। তাদের জন্য লেবাননের সাম্প্রতিক সংঘাত শুধুমাত্র ভবনের ধ্বংস হিসেবে সীমাবদ্ধ নয়, বরং পরিবারগুলির অন্তর্বর্তী আবাসন হিসেবে ব্যবহার করা স্থানগুলি আরও গুরুতর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। জাতিসংঘের মহাসচিবের মুখপাত্র স্টিফেন দুজারিক নিউইয়র্কে সাংবাদিকদের জানান, দক্ষিণ লেবাননে সাম্প্রতিক সংঘাতে নির্মিত ভবনগুলির মধ্যে একটি সমীক্ষা দেখিয়েছে যে সেগুলি সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস হয়ে গেছে। তিনি আরও বলেন যে আরও প্রায় ২ হাজার ২০০ ভবন আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যা পরিবারগুলির সামাজিক এবং আর্থিক স্থিতিশীলতা ধ্বংস করেছে। এই সংঘাত শুরু হয়েছে ২০২৪ সালের মার্চে, কিন্তু এখনও অব্যাহত অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে।

অন ক রই ল ব ননের সাম্প্রতিক সংঘাত

অন ক রই ল ব ননের সাম্প্রতিক সংঘাতে একটি ক্ষতিকারক হামলা দক্ষিণ লেবাননে প্রায় ৩ হাজার কর্মী ও সাধারণ মানুষের জীবন হারিয়েছে। আঘাতে পড়া সংখ্যা প্রতিদিন বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা লেবাননে জনগণের আশাহত ও দুঃখ বৃদ্ধির সাথে সাথে তাদের ফিরে যাওয়ার জন্য নিরাপদ স্থান খুঁজে বাস্তুতে দাঁড়ানো অসম্ভব হয়ে উঠছে। এই হামলার ফলে আংশিক ধ্বংস হয়েছে প্রায় ৬ হাজার ভবন, যা পরিবারগুলির গৃহ ও আবাসনের প্রান্তিক পরিস্থিতি খুব হতাশার সৃষ্টি করেছে। এটি বাস্তুচ্যুত মানুষদের সংখ্যা কমাতে সাহায্য করছে না, বরং সেই সংখ্যার বৃদ্ধি ঘটছে।

অব্যাহত অনিশ্চয়তা ও প্রত্যাবর্তনের প্রতিবাদ

অন ক রই ল ব নন ফ তালুকে হামলার পর প্রত্যাবর্তনের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে, কিন্তু মানুষ সেই আমন্ত্রণকে বিশ্বাস করছে না। সম্প্রতি জাতিসংঘের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে দক্ষিণ লেবাননে সংঘাতে বেঁচে থাকা মানুষদের ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া বাড়ছে এবং তাদের প্রতিক্রিয়াও হামলার পর হামলার চাপে বৃদ্ধি পেয়েছে। অনেক পরিবার বাড়িতে ফিরে যাওয়ার জন্য অব্যাহত অনিশ্চয়তার জন্য অপেক্ষা করছে, কারণ সম্প্রতি হামলার সাথে সাথে নতুন বিপদের আশংকা রয়েছে। তাদের বাড়ি স্থান সম্পর্কে কোনো নিশ্চয়তা না থাকার কারণে অনেকে আশ্রয়কেন্দ্রে থাকতে চাইছে।

এই অবস্থায় অন ক রই ল ব ননের মানুষের জন্য আশা ও দুঃখ দুটি প্রায় একই প্রতিফলন করে। অব্যাহত সংঘাত ও প্রতিক্রিয়া প্রতিটি দিনে সেগুলির চাপ বৃদ্ধি করে। এর ফলে প্রতিটি পরিবারের পক্ষে ফিরে যাওয়ার সা�