AMP
Bangladailypost
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

ফগিংয়ের পরও ৭০ শতাংশের বেশি মশা বেঁচে থাকে

Published July 5, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Karen Wilson - bangladailypost.com

Foto : Karen Wilson - bangladailypost.com

ফগিংয়ের পরও মশার জীবিত থাকা হার দীর্ঘমেয়াদি প্রতিরোধের চেয়ে বেশি

Bangladailypost.com – ফগ য় র পরও ৭০ শত শ - বর্তমানে ফগিং প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেও মশার বেঁচে থাকা হার ৭০ শতাংশের বেশি রয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এপিডেমিওলজিস্ট ও মেডিকেল অফিসার ডা. মো. তারিকুল ইসলাম লিমন বলেন, মশার উৎস ধ্বংস করা সবচেয়ে কার্যকর প্রতিরোধের উপায়। শনিবার (৪ জুলাই) রাজধানীর জাগো নিউজ কার্যালয়ে ‘ডেঙ্গু পরিস্থিতি ও আমাদের করণীয়’ শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনায় তিনি এই মত প্রকাশ করেন।

ডেঙ্গু এখন আর কেবল বর্ষাকালের রোগ নয়, এটি বছরব্যাপী স্বাস্থ্য সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত হচ্ছে। তিনি উল্লেখ করেন যে ফগিং তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ হলেও দীর্ঘমেয়াদি প্রতিরোধ নয়। সোর্স রিডাকশন বা মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করা সবচেয়ে সফল পদ্ধতি।

প্রতিরোধের নতুন স্তর নির্ধারণ

অ্যান্টোমোলজিক্যাল সার্ভেইলেন্স সম্পর্কে তিনি জানান, সামগ্রিক পর্যবেক্ষণ জোরদার করতে হবে। ব্রেটো ইনডেক্স, হাউজ ইনডেক্স ও কনটেইনার ইনডেক্সের মাধ্যমে প্রতিদিন ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা চিহ্নিত করা জরুরি।

ডেঙ্গু চিকিৎসায় ঢাকার ওপর অতিরিক্ত চাপ কমাতে উপজেলা পর্যায়ে স্বাস্থ্য সক্ষমতা বাড়ানো প্রয়োজন। স্থানীয় স্তরে জনসচেতনতা, প্রতিরোধমূলক পদক্ষেপ ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা প্রাথমিক পদক্ষেপ।

গণমাধ্যম ও ভিজ্যুয়াল কনটেন্টের মাধ্যমে সচেতনতা বৃদ্ধি করা ও ভ্রান্ত ধারণার প্রতি গুরুত্ব দিতে হবে। তিনি বলেন, মীনা কার্টুনের মাধ্যমে হাত ধোয়া অভ্যাস গড়ে তোলা হয়েছিল, তেমনি ডেঙ্গু নিয়ে দীর্ঘমেয়াদি সচেতনতামূলক প্রচার কার্যক্রম চালানো প্রয়োজন।

ডেঙ্গু সংক্রমণের প্রকৃতি বিবেচনায় রেফারেল সিস্টেম ও চিকিৎসা প্রটোকল হালনাগাদ করা প্রয়োজন। তিনি বলেন, পূর্বে ডেঙ্গু কেবল বর্ষাকালে দেখা গেলেও এখন সারা বছর রোগী উপস্থিত হচ্ছে। ভাইরাসের ধরনও পরিবর্তন হচ্ছে।

আলোচনার অংশগ্রহণকারীরা

গোলটেবিল আলোচনার শুরুতে জাগো নিউজের সম্পাদক কে. এম. জিয়াউল হক আমন্ত্রিত অতিথিদের স্বাগত জানিয়ে আলোচনার সারমর্ম তুলে ধরেন। আলোচনায় অংশ গ্রহণ করেন অধ্যাপক ডা. এবিএম আব্দুল্লাহ, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. ফোয়ারা তাসমীম, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ও কীটতত্ত্ববিদ অধ্যাপক কবিরুল বাশার, ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট টিবি হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. আয়েশা আক্তার, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের উপ-প্রধান স্বাস্থ্�