Health

ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ১২৮১ রোগী

og_1786103584_6a75c720ae707

ডেঙ্গুতে চিকিৎসাধীন রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়ে ১২৮১-এ দাঁড়াল

Bangladailypost.com – ড ঙ গ ন য় হ সপ – এডিস মশার কামড়ে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে নতুন করে ২৪৯ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। এই সংখ্যাটি বর্তমানে চিকিৎসাধীন মোট রোগীর সংখ্যা এক হাজার ২৮১ জনে পৌঁছেছে। শুক্রবার, অর্থাৎ ৭ আগস্ট তারিখে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে প্রকাশিত এক বার্তায় এই তথ্যটি জানানো হয়েছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালগুলোতে পর্যাপ্ত বিছানা ও চিকিৎসক নিশ্চিত করা হয়েছে।

আজ কোনো মৃত্যু না হলেও বার্ষিক মৃত্যুর সংখ্যা ৫৯

বার্তায় উল্লেখ করা হয়েছে যে, আজ ডেঙ্গুতে নতুন করে কেউ মারা যাননি। তবে চলতি বছর শুরু থেকে এখন পর্যন্ত এই রোগে মোট ৫৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। বর্তমানে সবচেয়ে বেশি ৫০৪ জন রোগী ঢাকা বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। ঢাকার বাইরেও ডেঙ্গু রোগীদের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।

অন্যান্য বিভাগগুলোর পরিসংখ্যান দেখলে বরিশালে ২২৮ জন, খুলনায় ১৯৬ জন, চট্টগ্রামে ১০৮ জন, ময়মনসিংহে ৯৬ জন, রাজশাহীতে ৯৮ জন, রংপুরে ৪৬ জন এবং সিলেট বিভাগে পাঁচজন রোগী চিকিৎসাধীন আছেন। প্রতিটি বিভাগে রোগীদের চিকিৎসার জন্য আলাদা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

মৃত্যুর লিঙ্গভিত্তিক বিশ্লেষণ

মৃত্যুর তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, মোট ৫৯ জনের মধ্যে নারী ৩৭ জন বা ৬২ দশমিক ৭ শতাংশ এবং পুরুষ ২২ জন বা ৩৭ দশমিক ৩ শতাংশ। নারীদের মধ্যে ডেঙ্গুতে মৃত্যুর হার কিছুটা বেশি দেখা যাচ্ছে।

ঢাকা বিভাগের ক্ষেত্রে দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) আওতাধীন হাসপাতালে ১৮ জন, উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) আওতাধীন হাসপাতালে সাত জন এবং সিটি করপোরেশনের বাইরে একজন প্রাণ হারিয়েছেন। ডিএসসিসি এলাকায় মৃত্যুর সংখ্যা অন্য এলাকার তুলনায় বেশি।

এছাড়াও খুলনায় ১০ জন, বরিশালে সাত জন, ময়মনসিংহে ছয় জন, চট্টগ্রামে পাঁচ জন, রাজশাহীতে তিন জন এবং রংপুর ও সিলেটে একজন করে মারা গেছেন। প্রতিটি এলাকার হাসপাতালে রোগীদের চিকিৎসার মান উন্নয়ন করা হচ্ছে।

এ পর্যন্ত ডেঙ্গুতে মোট ১৭ হাজার ৬৫৮ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে ১৬ হাজার ৩১৮ জন ছাড়াপত্র পেয়েছেন। বাকি রোগীদের চিকিৎসা চলমান রয়েছে।

ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয়

ড ঙ গ ন য় হ রোগ প্রতিরোধে সচেতনতা বৃদ্ধি জরুরি। এডিস মশা সাধারণত দিনের বেলায় কামড়ায় এবং এটি ঘরের ভেতরে ও বাইরে উভয় জায়গাতেই থাকে। মশার কামড় থেকে বাঁচতে মশারদানি ব্যবহার করা উচিত। এছাড়াও ঘরের চারপাশে জমে থাকা পানি পরিষ্কার রাখতে হবে।

ডেঙ্গু রোগীর লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। জ্বর, মাথাব্যথা, চোখের পেছনে ব্যথা এবং শরীরে র‍্যাশ হলে ডেঙ্গু হতে পারে। রোগীর শরীরে পানির ঘাটতি না হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সকল নাগরিককে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতন থাকতে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে আহ্বান জানিয়েছে।

প্রশ্নোত্তর

ডেঙ্গু রোগ কতদিন চিকিৎসাধীন থাকে? সাধারণত ডেঙ্গু রোগ ৭ থেকে ১০ দিন পর্যন্ত চিকিৎসাধীন থাকে। গুরুতর ক্ষেত্রে এটি আরও বেশি সময় নিতে পারে।

ডেঙ্গু থেকে বাঁচার উপায় কী? মশার কামড় প্রতিরোধ, পর্যাপ্ত পানি পান এবং স্বাস্থ্যকর পরিবেশ বজায় রাখা ডেঙ্গু থেকে বাঁচার প্রধান উপায়।

ডেঙ্গু রোগীকে কী খাওয়ানো উচিত? ডেঙ্গু রোগীকে পর্যাপ্ত পানি, ফলের রস এবং হালকা খাবার খাওয়ানো উচিত। তেলযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলা ভালো।

Frequently Asked Questions

What is ড ঙ গ ন য় হ সপ?

ড ঙ গ ন য় হ সপ is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.

Why does ড ঙ গ ন য় হ সপ matter?

ড ঙ গ ন য় হ সপ matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *