Education

এমএফএইচ সায়েন্স ক্লাব / মেধাবৃত্তিতে সেরা ফারহান, সেনা কর্মকর্তা হয়ে দেশসেবার স্বপ্ন দুচোখে

এমএফএইচ স য় ন স ক ল - শুক্রবার (২৪ জুলাই) রাজধানীর নিউ বেইলি রোডে অবস্থিত বাংলাদেশ গার্ল গাইডস অ্যাসোসিয়েশনে অনুষ্ঠিত হলো এমএফএইচ সায়েন্স ক্লাবের 'ন্যাশনাল

Desk Education
Published July 25, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments
Foto : Daniel Williams - bangladailypost.com

মেধাবৃত্তিতে সেরা ফারহান, সেনা কর্মকর্তা হতে দেশসেবার স্বপ্ন দুই চোখে

Bangladailypost.com – এমএফএইচ স য় ন স ক ল – শুক্রবার (২৪ জুলাই) রাজধানীর নিউ বেইলি রোডে অবস্থিত বাংলাদেশ গার্ল গাইডস অ্যাসোসিয়েশনে অনুষ্ঠিত হলো এমএফএইচ সায়েন্স ক্লাবের ‘ন্যাশনাল মেরিট স্কলারশিপ অ্যাওয়ার্ড ও বেস্ট মাদার অ্যাওয়ার্ড ২০২৬’। এই অনুষ্ঠানে মেধাবী শিক্ষার্থী ও তাদের মায়েদের হাতে সম্মাননা তুলে দেওয়া হয়।

চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী মো. ফারহান ইশরাক মেধা, পরিশ্রম এবং মা-বাবার অনুপ্রেরণার জোরে জাতীয় পর্যায়ে মেধাবৃত্তি পরীক্ষায় কৃতিত্বপূর্ণ ফলাফল অর্জন করেছেন। সেরা ১৫০ শিক্ষার্থীর তালিকায় জায়গা করে নিয়েছেন তিনি। ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি অর্জন করার পাশাপাশি পেয়েছেন এমএফএইচ সায়েন্স ক্লাবের ন্যাশনাল মেরিট স্কলারশিপ অ্যাওয়ার্ড।

রাজধানীর মনিপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির ফারহান ইশরাক জাগো নিউজকে বলেন:

আমি এই অ্যাওয়ার্ড পেয়ে অনেক খুশি। আমার আজ এতদূর আসার পেছনে পুরো ভূমিকা মা-বাবার। তারা সবসময় আমার পাঠাগারের জন্য যা করার প্রয়োজন তাই করেছেন। আমি বড় হয়ে একজন আর্মির (সেনাবাহিনী) অফিসার হতে চাই, দেশসেবা করতে চাই।

এদিন মেধাবৃত্তি পরীক্ষায় উল্লেখযোগ্য ফলাফল অর্জনকারী দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আগত ১৫০ শিক্ষার্থীকে ন্যাশনাল মেরিট স্কলারশিপ অ্যাওয়ার্ড প্রদান করে এমএফএইচ সায়েন্স ক্লাব। একই সাথে মেধাবৃত্তিতে সেরা ৭০ শিক্ষার্থীর সাফল্যের পেছনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা তাদের মায়েদের দেওয়া হয় বেস্ট মাদার অ্যাওয়ার্ড।

উদ্দেশ্য: মেধাবী শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করা

এমএফএইচ সায়েন্স ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী মো. ফারুক হোসাইন বলেন, মেধাবী শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করা এবং তাদের সাফল্যের নেপথ্যের মানুষদের সম্মান জানানোই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। আমরা বিশ্বাস করি, এ ধরনের আয়োজন শিক্ষার্থীদের আরও ভালো করার অনুপ্রেরণা দেবে এবং সমাজে শিক্ষা ও অভিভাবকদের অবদানের গুরুত্ব আরও তুলে ধরবে।

তিনি জানান, এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে মোট ৭০ জন মাকে অ্যাওয়ার্ড দেওয়া হয়েছে। এছাড়া প্রথম শ্রেণি থেকে একাদশ শ্রেণি পর্যন্ত বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ১৫০ শিক্ষার্থীকে অ্যাওয়ার্ড ও ন্যাশনাল স্কলারশিপ দেওয়া হয়েছে।

অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের হাতে সম্মাননা স্মারক, সনদ ও মেডেল পরিবেশন করা হয়। পাশাপাশি সম্মানিত মায়েদেরও ক্রেস্ট ও সনদ দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সেন্টার ফর দ্য রিহ্যাবিলিটেশন অব দ্য প্যারালাইজড-এর (সিআরপি) প্রতিষ্ঠাতা ড. ভ্যালেরি অ্যান টেইলর। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন টিইএসও বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ ইয়াসির, বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসের (বিইউপি) অধ্যাপক লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. কামরুজ্জামান, এনসিটিবির সম্পাদক মো. মিয়ামিনুল ইসলাম, বিডি চাইল্ড ট্যালেন্ট উপদেষ্টা অধ্যাপক রোকেয়া বেগমসহ আরও অনেকে।

Leave a Comment