Bangladailypost
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

হচ্ছে আইন / জাল মুদ্রা রাখলে যাবজ্জীবন, পরোয়ানা ছাড়াই গ্রেফতার

Published July 12, 2026 · Updated July 21, 2026 · By John Jones - bangladailypost.com

Foto : John Jones - bangladailypost.com

বাংলাদেশ ব্যাংক এবং আইনি ব্যবস্থার নতুন ব্যবস্থা গঠনের প্রস্তাব

Bangladailypost.com – হচ ছ আইন জ ল ম দ - দেশে জাল মুদ্রা নিয়ন্ত্রণ এবং সংশ্লিষ্ট অপরাধ দমনে স্বতন্ত্র আইন তৈরির পরিকল্পনা স্থাপন করা হয়েছে। আইনে জাল মুদ্রার প্রস্তুতি, ব্যবহার, মজুত, পরিবহন ও পাচার সংক্রান্ত অপরাধের শাস্তি পুনর্নির্ধারণ করার ব্যবস্থা আছে। আইনটি বেশি কঠোর হবে, যাতে বাজারে বিপুল পরিমাণ জাল নোট ছড়িয়ে পড়লে অর্থনীতির জন্য মারাত্মক হুমকি দূর করা সম্ভব হয়। বিশেষ করে আর্থিক ব্যবস্থার ওপর আস্থা নষ্ট হতে পারে বলে অর্থনীতিবিদরা আপত্তি করেছেন।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জাল মুদ্রা প্রতিরোধ আইন, ২০২৬ নামক খসড়া আইন প্রস্তুত হয়েছে। খসড়ায় এ আইনে গুরুতর অপরাধের জন্য যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং অর্জিত সম্পদের অর্থমূল্যের দ্বিগুণ বা ন্যূনতম এক কোটি টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া পুলিশ, বিজিবি এবং কোস্ট গার্ডের প্রতিটি সদস্য যৌক্তিক সন্দেহের ভিত্তিতে পরোয়ানা ছাড়াই তল্লাশি ও গ্রেফতার করতে পারবেন।

তথ্য সংরক্ষণ ও সমন্বয়ের ব্যবস্থা

বাংলাদেশ ব্যাংক ও সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধির সভাপতিত্বে জাল মুদ্রা প্রতিরোধ সংক্রান্ত কমিটি গঠন করা হবে। কমিটির গঠন ও কার্যাবলি প্রবিধানে নির্ধারণ করা হবে। আইনে বলা হয়েছে, জাল মুদ্রার সংশ্লিষ্ট উপকরণ, সামগ্রী এবং প্রক্রিয়া সম্পর্কে তথ্যভান্ডার স্থাপন ও পরিচালনা করতে হবে। ব্যাংক ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলো এগুলো তথ্য ব্যবহার করে নির্ধারিত পদ্ধতিতে সংরক্ষণ করবে।

সিপিডির সম্মাননীয় ফেলো মোস্তাফিজুর রহমান বলেছেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ সরকারের সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে জাল মুদ্রা প্রতিরোধে নিয়মিত নজরদারি ও তৎপরতা বজায় রাখতে হবে। সমন্বয়ে উদ্যোগ এবং কঠোর নজরদারি ছাড়া এ ধরনের অপরাধ কার্যকরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়।

খসড়ায় বলা হয়েছে, জাল মুদ্রা সংক্রান্ত একাধিক কর্মকাণ্ডকে অপরাধ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। মুদ্রা জাল করা বা তার প্রক্রিয়ায় অংশ গ্রহণ করা, জাল মুদ্রা মজুত, ব্যবহার ও লেনদেন করা এর মধ্যে রয়েছে। সাথে অপরাধের দাবি হবে জাল মুদ্রা তৈরির উদ্দেশ্যে যন্ত্রপাতি বা উপকরণের প্রস্তুতি ও বিপণন সহ আরও বিস্তারিত কর্মকাণ্ড।

আইনে আরও বিধান আছে যে, জাল মুদ্রা প্রস্তুত, কেনাবেচা, ব্যবহার ও আসল মুদ্রা হিসেবে লেনদেন করার মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ ক্ষতি সৃষ্টি করা যাবে। এছাড়া বিদেশ থেকে দেশে বা দেশ থেকে বিদেশে জাল মুদ্রা সরবরাহ, পরিবহন ও পাচার এবং বিশেষ করে ব্লিচড, টেম্পার্ড ও মিসম্যাচড মুদ্রা ছাড়াও এ ধরনের অপরাধ প্রতিহত হবে।

হাতেনাতে গ্রেফতার হলে তদন্ত ৯০ কার্যদিবসের মধ্যে শেষ করতে হবে। তদন্ত প