যা যা থাকছে দ্বিতীয় রাজস্ব সম্মেলনে
য য থ কছ দ ব ত - রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আগামী মঙ্গলবার দ্বিতীয়বারের মতো রাজস্ব সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। তিন বছরের বিরতি শেষে জাতীয়
Table of Contents
এনবিআরের দ্বিতীয় রাজস্ব সম্মেলনে নতুন দিকনির্দেশনা ও সংস্কারের ঘোষণা
Bangladailypost.com – য য থ কছ দ ব ত – রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আগামী মঙ্গলবার দ্বিতীয়বারের মতো রাজস্ব সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। তিন বছরের বিরতি শেষে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড এই আয়োজন করছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সম্মেলনের উদ্বোধন করবেন। এর ঠিক আগের দিন সরকারের একশত আশি দিন পূর্ণ হবে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী নেতৃবৃন্দ
সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীর অর্থ উপদেষ্টা, তিন বাহিনীর প্রধান এবং অর্থনীতি, রাজস্ব ও বাণিজ্য খাতের বিভিন্ন পর্যায়ের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও বিশেষজ্ঞরা উপস্থিত থাকবেন। প্রধানমন্ত্রী আয়কর, কাস্টমস ও ভ্যাটের তিনটি স্টল পরিদর্শন করবেন।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং এনবিআরের নতুন চেয়ারম্যান আহসান হাবিব রাজস্ব প্রশাসনের ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনা ও সংস্কার কার্যক্রম নিয়ে বক্তব্য দেবেন বলে জানা গেছে।
নতুন চেয়ারম্যানের উদ্যোগ ও টিম এনবিআর
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এনবিআরের এক শীর্ষ কর্মকর্তা জানান, নতুন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের উদ্যোগে এই রাজস্ব সম্মেলন আয়োজন করা হচ্ছে। সম্মেলন সফল করতে সবাই নিজ নিজ অবস্থান থেকে কাজ করছেন। নতুন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আহসান হাবিব দায়িত্ব নেওয়ার পর তিন বিভাগকে একত্রে কাজ করার জন্য অনুপ্রাণিত করছেন। টিম এনবিআর হয়ে কাজ করতে বলছেন।
নতুন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের উদ্যোগে রাজস্ব সম্মেলন হতে যাচ্ছে। সম্মেলন সফল করতে সবাই নিজ নিজ অবস্থান থেকে কাজ করছেন।
রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা ও অভ্যন্তরীণ দূরত্ব দূরীকরণ
নতুন সরকার ছয় লাখ চার হাজার কোটি টাকার রাজস্ব আহরণ লক্ষ্যমাত্রা দিয়েছে। মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তারা ঠিকভাবে কাজ না করলে এই লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সম্ভব নয়। সেজন্য নিজেদের মধ্যে দূরত্ব কমানো, মনোবল চাঙা করা এবং কাজের পরিবেশ নির্মল করতে এই সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে।
২০২৫ সালে এনবিআর দুই ভাগ হওয়া নিয়ে আন্দোলনের সময় নিজেদের মধ্যে দূরত্ব তৈরি হয়। অনেককে শাস্তির আওতায় আনা হয়, অনেকের শাস্তি কমানো হয়। সব মিলিয়ে মাঠ পর্যায়ে দম বন্ধ পরিবেশ বিরাজ করছে এখনো।
সম্মেলনের প্রস্তুতি ও আয়োজন
সংশ্লিষ্টরা জানান, অনুষ্ঠানে সারাদেশের কর্মকর্তারা আসবেন। বিকেলের পর রাজস্ব সংগ্রহ, রাজস্ব আওতা বাড়াতে সম্পর্কিত বিভিন্ন স্টল জনসাধারণের জন্য খুলে দেওয়া হবে। সম্মেলনে প্রায় এক হাজার পাঁচশ অতিথির অংশগ্রহণের কথা রয়েছে।
সম্মেলন সফল করতে এরই মধ্যে ব্যাপক প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। সাজসজ্জা, নিরাপত্তা, অতিথি অভ্যর্থনা, অতিথি তালিকা প্রণয়ন ও অভ্যর্থনাসহ বিভিন্ন দায়িত্ব পালনের জন্য ছয়টি উপ-কমিটি গঠন করে অফিস আদেশ জারি করা হয়েছে। পাশাপাশি সার্বিক তদারকির জন্য ত্রিশ একাদশ সদস্যের কেন্দ্রীয় স্টিয়ারিং কমিটিও গঠন করা হয়েছে।
এই কমিটির সভাপতি করা হয়েছে এনবিআরের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আহসান হাবিবকে। সদস্য সচিবের দায়িত্ব পেয়েছেন কর পরিদর্শন পরিদপ্তরের মহাপরিচালক সৈয়দ মহিদুল হাসান। তিনি কর ক্যাডারদের সংগঠন বিসিএস ট্যাক্সেশন অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব।
পূর্ববর্তী সম্মেলন ও বর্তমান অধ্যাদেশ পরিস্থিতি
এর আগে ২০২৩ সালে প্রথমবারের মতো রাজস্ব সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। রাজধানীর চীন মৈত্রী আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত দুই দিনব্যাপী ওই সম্মেলনে এনবিআরের কার্যক্রম নিয়ে প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন, ভ্যাট, শুল্ক ও আয়কর বিষয়ে পৃথক সেমিনার, তথ্য বুথ এবং রাজস্ব ব্যবস্থার ইতিহাস তুলে ধরতে রেভিনিউ মিউজিয়াম প্রদর্শনের ব্যবস্থা ছিল।
আয়োজকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, মাঠ পর্যায়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সুযোগ-সুবিধা বাড়ানোসহ বেশকিছু দাবি প্রধানমন্ত্রীর কাছে উপস্থাপন করবেন সংশ্লিষ্টরা। তবে কয়েকজন কর্মকর্তা জানান, রাজস্ব নীতি ও রাজস্ব ব্যবস্থাপনা নামে দুটি বিভাগে এনবিআরকে পৃথক করার বিষয়ে কোনো ঘোষণা আসতে পারে।
এর আগে রাজস্ব খাত সংস্কারের জন্য অন্তর্বর্তী সরকার যে অধ্যাদেশ জারি করেছিল, তা জাতীয় সংসদে পাসের জন্য তোলেনি বর্তমান বিএনপি সরকার। ফলে অধ্যাদেশটি কার্যকারিতা হারিয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারের ‘রাজস্ব নীতি ও রাজস্ব ব্যবস্থাপনা অধ্যাদেশ, ২০২৫’ এবং ‘রাজস্ব নীতি ও রাজস্ব ব্যবস্থাপনা (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’ যাচাই-বাছাই করার জন্য কমিটি গঠন করেছে ক্ষমতাসীন সরকার।
জানা যায়, এনবিআর ও রাজস্ব আদায় সম্পর্কে জনগণ ও ব্যবসায়ীদের স্পষ্ট ধারণা প্রদান, এনবিআর সম্পর্কে নেতিবাচক ধারণা কমানো, রাজস্ব পদ্ধতিসহ নানা বিষয় সম্মেলনে উপস্থাপন করা হবে।
Related Reading
Frequently Asked Questions
What is য য থ কছ দ ব ত?
য য থ কছ দ ব ত is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.
Why does য য থ কছ দ ব ত matter?
য য থ কছ দ ব ত matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.