Bangladailypost
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

ব্যাংক হিসাব খুলতে বাধ্যতামূলক হচ্ছে টিআইএন

Published June 10, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Sandra Rodriguez - bangladailypost.com

Foto : Sandra Rodriguez - bangladailypost.com

টিআইএন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা ব্যাংক হিসাব খোলার জন্য

Bangladailypost.com – ব য ক হ স ব খ - ব্যাংক হিসাব খুলতে বাধ্যতামূলক হচ্ছে টিআইএন এ বিষয়টি দেশের আর্থিক ব্যবস্থার প্রতি মনোনয়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন। বর্তমানে দেশে প্রায় ১৭ কোটি ব্যাংক হিসাব রয়েছে, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক হিসাব টিআইএন বা কর শনাক্তকরণ নম্বরের সাথে যুক্ত নেই। সরকার নতুন বাজেটে এই বিষয়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ও অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে প্রকাশ করেছে যে আগামী পর্যায়ে সব ব্যাংক হিসাব খোলার জন্য টিআইএন বাধ্যতামূলক করা হবে। এটি সংঘটিত হবে কর কাঠামোর সম্প্রসারণ এবং আর্থিক পরিচালনার ক্ষেত্রে অধিক নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে।

কর কাঠামো এবং সরকারী লক্ষ্য

এ বিষয়ে এনবিআর সূত্রে জানানো হয়েছে যে ব্যাংক হিসাব খুলতে বাধ্যতামূলক হচ্ছে টিআইএন কর আওতার সম্প্রসারণ ও ব্যবসার সহজীকরণের লক্ষ্যে সরকার এ বিষয়টি গুরুত্ব দিয়েছে। কর সংক্রান্ত প্রক্রিয়াগুলো সহজ করে তোলার জন্য ব্যাংক হিসাবের সাথে টিআইএন যুক্ত করার দ্বারা উৎপাদন, বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বাড়ানোর লক্ষ্য সামনে রয়েছে। সাথে সাথে কর চুরির সুযোগ কমানো ও আর্থিক লেনদেন পর্যবেক্ষণ সহজ করার উদ্দেশ্যে এ পরিকল্পনা গৃহীত হয়েছে। সরকার এ বিষয়ে আগে থেকে ব্যাপক আলোচনা করেছে এবং পরিকল্পনার মূল ধারণা গৃহীত হয়েছে।

সরকার মনে করছে যে ব্যাংক হিসাব খুলতে বাধ্যতামূলক হচ্ছে টিআইএন কর অপরাধ কমাতে সাহায্য করবে। এ সিদ্ধান্তে মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসি এর ব্যবসাপনা পরিচালক সৈয়দ মাহবুবুর রহমান জানান যে ক্রেডিট কার্ড ধারীদের জন্য টিআইএন বাধ্যতামূলক করার পর ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার কমে গিয়েছিল। এটি দেখায় যে নতুন হিসাব খোলার ক্ষেত্রে টিআইএন যুক্ত করলে ব্যাংক লেনদেন কমাতে সাহায্য করবে। যার ফলে আর্থিক ব্যবস্থার পরিচালনাকে সুসংগত করে তোলা সম্ভব হবে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এনবিআরের এক কর্মকর্তা জাগো নিউজকে বলেন, এবারের বাজেট প্রণয়নে করজাল সম্প্রসারণ ও ব্যবসার সহজীকরণ দুই লক্ষ্য সামনে রয়েছে। একদিকে ব্যাংক হিসাব ও ব্যবসায়িক লেনদেনকে কর কাঠামোর আওতায় আনা হবে, অন্যদিকে উৎপাদন ও কর্মসংস্থান বাড়ানোর জন্য ব্যাপক কর শুল্ক ছাড় দেওয়া হবে। এ পরিকল্পনার মাধ্যমে আর্থিক চাহিদা পূরণের ক্ষেত্�