Bangladailypost
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

বাণিজ্য-বিনিয়োগ সহযোগিতা জোরদারে বাংলাদেশ-জার্মানির গুরুত্বারোপ

Published June 10, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Daniel Williams - bangladailypost.com

Foto : Daniel Williams - bangladailypost.com

বাংলাদেশ-জার্মানি বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা দ্বারা গুরুত্বারোপ করেছেন

Bangladailypost.com – ব ণ জ য ব ন য় - বাংলাদেশ এবং জার্মানির মধ্যে বৈঠকে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতার মূল্যবান সম্পর্ক বাড়ানোর উদ্দেশ্যে নতুন সম্পর্ক গড়ে তোলার জন্য স্পষ্ট কর্মসূচি আলোচনা করা হয়েছে। বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির ও জার্মানির ফেডারেল ফরেন অফিসের মহাপরিচালক ফ্রাংক হার্টম্যান সহ উভয় পক্ষের প্রতিনিধিরা এই বৈঠকে উন্নত সহযোগিতার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেছেন। পরিকল্পনা বাড়িয়ে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ও বাজার প্রবেশের সুযোগ আরও বৃদ্ধি করতে উদ্দেশ্য রয়েছে।

বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির মন্তব্য

বাংলাদেশ সরকার জার্মানির বিনিয়োগে কৌশলগত সমাধান খুঁজছে এবং সেই উদ্দেশ্যে বিনিয়োগ প্রতি সহায়তা বৃদ্ধি করার জন্য ব্যাপক সংস্কার প্রক্রিয়া পরিচালনা করছে। তিনি উল্লেখ করেছেন যে দীর্ঘসূত্রতা কমিয়ে লাইসেন্স ও অনুমোদনের প্রক্রিয়া সহজ করা হচ্ছে, যাতে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা সম্ভাবনা বৃদ্ধি পাবে। কৌশলগত জ্বালানি ও অবকাঠামো উন্নয়নের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে, যার ফলে অর্থনৈতিক বৃদ্ধি ও শিল্পায়ন সম্ভব হবে।

বাংলাদেশের অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি রপ্তানি খাত হিসেবে তৈরি পোশাক শিল্প আলোচনার মধ্যে মুখ্য বিষয় রয়েছে। বর্তমানে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ হলো দ্রুত কর্মসংস্থান ও উৎপাদনশীল বাণিজ্য বিনিয়োগ বৃদ্ধি। এই বৈঠকে জার্মানি ও বাংলাদেশ এফটিএ ও জিএসপি প্লাস চুক্তি পরিচালনা করেছেন, যা বাজার প্রবেশাধিকার অব্যাহত রাখার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

জার্মানির মহাপরিচালক ফ্রাংক হার্টম্যানের মন্তব্য

জার্মানি বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও সংস্কার কাজের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, নবায়নযোগ্য জ্বালানি এবং আধুনিক অবকাঠামো উন্নয়ন দীর্ঘমেয়াদে টেকসই বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতার সুযোগ তৈরি করবে। বাংলাদেশ সরকারের নীতিগুলি জার্মানির নতুন বিনিয়োগ বৃদ্ধির দিকে পরিচালনা করছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

বাংলাদেশ ও জার্মানির মধ্যে আলোচিত বিনিয়োগ প্রতি সহায়তা কর্মসূচি স্থায়ী কর্মসংস্থান ও উৎপাদন বৃদ্ধি সম্পর্কে স্পষ্ট ঘোষণা করেছে। এই কর্মসূচির প্রধান উদ্দেশ্য হলো দ্রুত অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা সৃষ্টি করা, যাতে বাজার প্রবেশাধিকার বাড়িয়ে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতার গতিশীলতা বৃদ্ধি পাবে। বিশেষ করে পোশাক শিল্প খাতে জার্মানির নতুন বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি এই সহযোগিতার মূল ধারণা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

বাণিজ্য ও বিনিয়োগ প্রকল্পের �